!['প্রচলিত কতিপয় শিরক!
================
আমাদের দেশের মানুষ সাধারনত মূর্তী পুজা করাকেই শিরক হিসাবে মনে করে। অথচ জেনে হউক বা না জেনেই হউক অনেক শিরকী কাজ-কর্ম আমাদের সমাজের মানুষেরা করে থাকে।
কতক শিরকী কাজ-কর্ম মানুষ যুগে যুগে পৈত্রিক সূত্রের মতেই পালন করে আসছে। কতক শিরকী শিক্ষা মানুষ শিখেছে নাটক-চলচিত্রের মাধ্যমে, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে।
আমি আমাদের সমাজে প্রচলিত কিছু শিরকী কাজ-কর্ম এখানে উল্লেখ করলাম।
■ আল্লাহ ছাড়া কোন কিছুর কসম খাওয়া, যেমন-
✔ শহীদ এর রক্তের কসম করা।
✔ মৃত লাশ ছুয়ে কসম করা
✔ মায়ের কসম করা।
✔ সন্তানের কসম করা।
✔ পীর বাবার নামে কসম করা।
✔ দয়াল নবীর কসম করা.... ইত্যাদি!
■ আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নিকট সাহায্য চাওয়া, যেমন-
✔ নবী-রাসুলের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করা।
✔ মৃত অলী-আউলিয়া, বুজুর্গানে দ্বীনের নিকট কোন কিছুর কামনা করা।
✔ ফেরেশতা, জিন বা মৃত মানুষের কাছে সাহায্য কামনা করা।
■ তাবিজ-কবজ ব্যাবহার, যেমন-
✔ প্রেম-ভালোবাসা সৃষ্টি, অসুখ-বিসুখ, বিপদ-আপদ ও বদ নজর থেকে রক্ষা পাওয়ার উদ্দেশ্যে তাবিজ-কবজ লাগানো।
✔ ঐ একই উদ্দেশ্যে রিং, সুতা, শামুক-ঝিনুক, পাথর, তামা বা ধাতব দ্রব্যের বালা ইত্যাদি পড়া।
■ মাজার পুজা করা যেমন-
✔ বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়, বরকত লাভ করা যায় ইত্যাদি উদ্দেশ্যে কোন কবর জিয়ারত করা।
✔ একই-ভাবে বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা পেতে বা বরকত লাভের আশায় গাড়ীতে, বাড়ীতে, দোকানে মাজারের ছবি বা তাবিজ ঝুলিয়ে রাখা।
■ বলি দেওয়া, যেমন-
✔ দালান-কোঠা, পুল, ব্রিজ প্রভৃতি স্থাপনায় দূর্ঘটনা হতে রক্ষা পাওয়ার উদ্দেশ্যে মুরগী, গরু-ছাগল ইত্যাদির বলি দেওয়া।
এছাড়াও সমাজে প্রচুর শিরকী কর্ম-কান্ড প্রচলিত রয়েছে। আমাদের উচিৎ তাওহীদ ও শিরক সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান হাসীল করা। তাহলে আমরা নিজেরাই কোন কাজটা শিরক আর কোন কাজটা শিরক নয় তা অনুধাবন করতে পারবো। আমাদের সবাইকে এই ব্যাপারে সচেতন ও সাবধান হতে হবে, কারন শিরক খুবই খারাপ ধরনের অপরাধ।
কেউ শিরক করা অবস্থায় মারা গেলে সে জান্নাত পেতে পারে না, কেননা মহান আল্লাহ বলেন,
إِنَّ اللَّهَ لَا يَغْفِرُ أَن يُشْرَكَ بِهِ وَيَغْفِرُ مَا دُونَ ذَٰلِكَ لِمَن يَشَاءُ ۚ وَمَن يُشْرِكْ بِاللَّهِ فَقَدْ ضَلَّ ضَلَالًا بَعِيدًا
-নিশ্চয়ই আল্লাহ শিরকের গোনাহ মাফ করবে না৷ এ ছাড়া আর যাবতীয় গোনাহ তিনি যাকে ইচ্ছা মাফ করে দেন৷ যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে আর কাউকে শরীক করে, সে গোমরাহীম মধ্যে অনেক দূর এগিয়ে গেছে৷
[সূরা নিসা ১১৬]'](https://scontent.xx.fbcdn.net/hphotos-xaf1/v/t1.0-9/p552x414/11024764_10205118718539945_3247997319084152620_n.jpg?oh=524d885c39b7e57d7ee0aa543f05b1ab&oe=5579732B)
প্রচলিত কতিপয় শিরক!
================
আমাদের দেশের মানুষ সাধারনত মূর্তী পুজা করাকেই শিরক হিসাবে মনে করে। অথচ জেনে হউক বা না জেনেই হউক অনেক শিরকী কাজ-কর্ম আমাদের সমাজের মানুষেরা করে থাকে।
================
আমাদের দেশের মানুষ সাধারনত মূর্তী পুজা করাকেই শিরক হিসাবে মনে করে। অথচ জেনে হউক বা না জেনেই হউক অনেক শিরকী কাজ-কর্ম আমাদের সমাজের মানুষেরা করে থাকে।
কতক শিরকী কাজ-কর্ম মানুষ যুগে যুগে পৈত্রিক সূত্রের মতেই পালন করে আসছে। কতক শিরকী শিক্ষা মানুষ শিখেছে নাটক-চলচিত্রের মাধ্যমে, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে।
আমি আমাদের সমাজে প্রচলিত কিছু শিরকী কাজ-কর্ম এখানে উল্লেখ করলাম।
■ আল্লাহ ছাড়া কোন কিছুর কসম খাওয়া, যেমন-
✔ শহীদ এর রক্তের কসম করা।
✔ মৃত লাশ ছুয়ে কসম করা
✔ মায়ের কসম করা।
✔ সন্তানের কসম করা।
✔ পীর বাবার নামে কসম করা।
✔ দয়াল নবীর কসম করা.... ইত্যাদি!
■ আল্লাহ ছাড়া কোন কিছুর কসম খাওয়া, যেমন-
✔ শহীদ এর রক্তের কসম করা।
✔ মৃত লাশ ছুয়ে কসম করা
✔ মায়ের কসম করা।
✔ সন্তানের কসম করা।
✔ পীর বাবার নামে কসম করা।
✔ দয়াল নবীর কসম করা.... ইত্যাদি!
■ আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নিকট সাহায্য চাওয়া, যেমন-
✔ নবী-রাসুলের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করা।
✔ মৃত অলী-আউলিয়া, বুজুর্গানে দ্বীনের নিকট কোন কিছুর কামনা করা।
✔ ফেরেশতা, জিন বা মৃত মানুষের কাছে সাহায্য কামনা করা।
✔ নবী-রাসুলের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করা।
✔ মৃত অলী-আউলিয়া, বুজুর্গানে দ্বীনের নিকট কোন কিছুর কামনা করা।
✔ ফেরেশতা, জিন বা মৃত মানুষের কাছে সাহায্য কামনা করা।
■ তাবিজ-কবজ ব্যাবহার, যেমন-
✔ প্রেম-ভালোবাসা সৃষ্টি, অসুখ-বিসুখ, বিপদ-আপদ ও বদ নজর থেকে রক্ষা পাওয়ার উদ্দেশ্যে তাবিজ-কবজ লাগানো।
✔ ঐ একই উদ্দেশ্যে রিং, সুতা, শামুক-ঝিনুক, পাথর, তামা বা ধাতব দ্রব্যের বালা ইত্যাদি পড়া।
✔ প্রেম-ভালোবাসা সৃষ্টি, অসুখ-বিসুখ, বিপদ-আপদ ও বদ নজর থেকে রক্ষা পাওয়ার উদ্দেশ্যে তাবিজ-কবজ লাগানো।
✔ ঐ একই উদ্দেশ্যে রিং, সুতা, শামুক-ঝিনুক, পাথর, তামা বা ধাতব দ্রব্যের বালা ইত্যাদি পড়া।
■ মাজার পুজা করা যেমন-
✔ বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়, বরকত লাভ করা যায় ইত্যাদি উদ্দেশ্যে কোন কবর জিয়ারত করা।
✔ একই-ভাবে বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা পেতে বা বরকত লাভের আশায় গাড়ীতে, বাড়ীতে, দোকানে মাজারের ছবি বা তাবিজ ঝুলিয়ে রাখা।
✔ বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়, বরকত লাভ করা যায় ইত্যাদি উদ্দেশ্যে কোন কবর জিয়ারত করা।
✔ একই-ভাবে বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা পেতে বা বরকত লাভের আশায় গাড়ীতে, বাড়ীতে, দোকানে মাজারের ছবি বা তাবিজ ঝুলিয়ে রাখা।
■ বলি দেওয়া, যেমন-
✔ দালান-কোঠা, পুল, ব্রিজ প্রভৃতি স্থাপনায় দূর্ঘটনা হতে রক্ষা পাওয়ার উদ্দেশ্যে মুরগী, গরু-ছাগল ইত্যাদির বলি দেওয়া।
✔ দালান-কোঠা, পুল, ব্রিজ প্রভৃতি স্থাপনায় দূর্ঘটনা হতে রক্ষা পাওয়ার উদ্দেশ্যে মুরগী, গরু-ছাগল ইত্যাদির বলি দেওয়া।
এছাড়াও সমাজে প্রচুর শিরকী কর্ম-কান্ড প্রচলিত রয়েছে। আমাদের উচিৎ তাওহীদ ও শিরক সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান হাসীল করা। তাহলে আমরা নিজেরাই কোন কাজটা শিরক আর কোন কাজটা শিরক নয় তা অনুধাবন করতে পারবো। আমাদের সবাইকে এই ব্যাপারে সচেতন ও সাবধান হতে হবে, কারন শিরক খুবই খারাপ ধরনের অপরাধ।
কেউ শিরক করা অবস্থায় মারা গেলে সে জান্নাত পেতে পারে না, কেননা মহান আল্লাহ বলেন,
إِنَّ اللَّهَ لَا يَغْفِرُ أَن يُشْرَكَ بِهِ وَيَغْفِرُ مَا دُونَ ذَٰلِكَ لِمَن يَشَاءُ ۚ وَمَن يُشْرِكْ بِاللَّهِ فَقَدْ ضَلَّ ضَلَالًا بَعِيدًا
-নিশ্চয়ই আল্লাহ শিরকের গোনাহ মাফ করবে না৷ এ ছাড়া আর যাবতীয় গোনাহ তিনি যাকে ইচ্ছা মাফ করে দেন৷ যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে আর কাউকে শরীক করে, সে গোমরাহীম মধ্যে অনেক দূর এগিয়ে গেছে৷
[সূরা নিসা ১১৬]
কেউ শিরক করা অবস্থায় মারা গেলে সে জান্নাত পেতে পারে না, কেননা মহান আল্লাহ বলেন,
إِنَّ اللَّهَ لَا يَغْفِرُ أَن يُشْرَكَ بِهِ وَيَغْفِرُ مَا دُونَ ذَٰلِكَ لِمَن يَشَاءُ ۚ وَمَن يُشْرِكْ بِاللَّهِ فَقَدْ ضَلَّ ضَلَالًا بَعِيدًا
-নিশ্চয়ই আল্লাহ শিরকের গোনাহ মাফ করবে না৷ এ ছাড়া আর যাবতীয় গোনাহ তিনি যাকে ইচ্ছা মাফ করে দেন৷ যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে আর কাউকে শরীক করে, সে গোমরাহীম মধ্যে অনেক দূর এগিয়ে গেছে৷
[সূরা নিসা ১১৬]
No comments:
Post a Comment