
হিন্দু ধর্মের অনুষ্ঠান পহেলা বৈশাখকে “না” বলুন!
======================
প্রশ্নঃ পহেলা বৈশাখ নববর্ষ উৎযাপনের শরীয়া মোতাবেক রীতি কি রয়েছে? এখানে পশুপাখির প্রতিকৃতি নিয়ে যে রেলি করা হয় এগুলো ইসলাম সমর্থন করে কিনা।
======================
প্রশ্নঃ পহেলা বৈশাখ নববর্ষ উৎযাপনের শরীয়া মোতাবেক রীতি কি রয়েছে? এখানে পশুপাখির প্রতিকৃতি নিয়ে যে রেলি করা হয় এগুলো ইসলাম সমর্থন করে কিনা।
উত্তরঃ
الحمد لله، والصلاة والسلام على رسول الله، و بعد
নববর্ষ বরণের যে অনুষ্ঠান এটি নবী ﷺ যখন মদিনা মনোওয়ারায় আসেন তখন সেখানে তিনি দেখেলেন তারা দুটো দিবস পালন করে। একটা হলো ইয়ামুল মেহেরযান আর একটা হলো ইয়ামুল নাইরুজ। [আবূ দাউদ শরীফঃ--১১৩৪। তিরমিযী, নাসাঈ]
الحمد لله، والصلاة والسلام على رسول الله، و بعد
নববর্ষ বরণের যে অনুষ্ঠান এটি নবী ﷺ যখন মদিনা মনোওয়ারায় আসেন তখন সেখানে তিনি দেখেলেন তারা দুটো দিবস পালন করে। একটা হলো ইয়ামুল মেহেরযান আর একটা হলো ইয়ামুল নাইরুজ। [আবূ দাউদ শরীফঃ--১১৩৪। তিরমিযী, নাসাঈ]
তখন রসুলুল্লাহ ﷺ বললেন,
-“আল্লাহ তোমাদের এই (মেহেরজান এবং নববর্ষ বরণ) দিবসকে রহীত করে দিলেন, cancel করে দিলেন। এখন থেকে আর এটা চলবে না।
-“আল্লাহ তোমাদের এই (মেহেরজান এবং নববর্ষ বরণ) দিবসকে রহীত করে দিলেন, cancel করে দিলেন। এখন থেকে আর এটা চলবে না।
মুসলিম উম্মাহ আর এ দিবস পালন করবে না।
এই দুটো দিবসের পরিবর্তে তারা ঈদ-উল আযহা এবং ঈদ-উল ফিতর।
দুটো যে ঈদ আমরা বছরে ঈদ উত্সব করে থাকি, আসলে তো সেই দুই দিবস নববর্ষ মেহেরজান দিবসের বদলেই এই দুই দিবস দান করা হয়েছে।
এই দুটো দিবসের পরিবর্তে তারা ঈদ-উল আযহা এবং ঈদ-উল ফিতর।
দুটো যে ঈদ আমরা বছরে ঈদ উত্সব করে থাকি, আসলে তো সেই দুই দিবস নববর্ষ মেহেরজান দিবসের বদলেই এই দুই দিবস দান করা হয়েছে।
যেহেতু প্রশ্ন আসছে আমরা শরীয়ার দৃষ্টিকোন থেকে আমরা বলছি। আসলে নববর্ষ বরনের মতো কোন আনুষ্ঠানিকতা শরীয়ার মধ্যে রাখা হয়নি। বরং নবর্ষকে cancel করেই এই ঈদ আমাদেরকে দান করা হয়েছে।
অতএব এটা এখন পোত্তলিকতার অনুষ্ঠান, এটা ইসলাম-পূর্ব যুগের জাহেলিয়াত যুগের অনুষ্ঠান, এটা আর ইসলামে আমাদের জন্য এটা গ্রহনযোগ্য নয়।
এটা ইসলামী কালচারের কোন অংশ নয়।
বরং ইসলামী কালচার-এর রূপে যারা রুপায়ীত করছেন অন্য ধর্ম অথবা অন্য সংস্কৃতি থেকে নিয়েছেন।
কিংবা আমারা প্রথম ইতিহাস থেকে বলতে পারি এটা আসলে জাহিলী সাংস্কৃতির-ই একটা অংশ।
অতএব এটা এখন পোত্তলিকতার অনুষ্ঠান, এটা ইসলাম-পূর্ব যুগের জাহেলিয়াত যুগের অনুষ্ঠান, এটা আর ইসলামে আমাদের জন্য এটা গ্রহনযোগ্য নয়।
এটা ইসলামী কালচারের কোন অংশ নয়।
বরং ইসলামী কালচার-এর রূপে যারা রুপায়ীত করছেন অন্য ধর্ম অথবা অন্য সংস্কৃতি থেকে নিয়েছেন।
কিংবা আমারা প্রথম ইতিহাস থেকে বলতে পারি এটা আসলে জাহিলী সাংস্কৃতির-ই একটা অংশ।
আর যে কথাটা বলেছেন আমার মনে হয় সেখানে কিছু আশা দরকার যে বিভিন্ন পশুর আকৃতি, প্রকৃতি নিয়ে। আমরা যদি আলেমদের ইতিহাস দেখি। আমাদের স্কলার সালাফে সালেহীন, সাহাবাদের ইতিহাস দেখি। সেখানে তো এর কোন দৃষ্টান্ত নেই।
এধরনের কর্মকান্ড অনেক সময় শিরকের অন্তভুক্ত হয়ে যায়। হাম্বলি মাযহাবের ফিকাহর গ্রন্থ ‘আল-ইকনা’ তে বলা হয়েছে-
-“কাফিরদের উৎসবে যোগদান করা, সেই দিন উপলক্ষে বেচাবিক্রি করা ও উপহার বিনিময় করা হারাম”।
-“কাফিরদের উৎসবে যোগদান করা, সেই দিন উপলক্ষে বেচাবিক্রি করা ও উপহার বিনিময় করা হারাম”।
আল্লাহ সবাইকে এই সত্য অনুধাবন করার তৌফিক দান করুন।
No comments:
Post a Comment