
স্মৃতিসৌধ, স্মৃতিস্মম্ভ, মূর্তি-প্রতিকৃতি, নেতৃবৃন্দের মাজারে পুস্পস্তবক অর্পণ ইত্যাদি পালন করা ইসলামী শরীয়তে নাজায়েজ কাজ!
বাংলাদেশে যাদেরকে শহীদ বলা হচ্ছে তারা কি সত্যিকারের শহীদ?
বাংলাদেশে যাদেরকে শহীদ বলা হচ্ছে তারা কি সত্যিকারের শহীদ?
আর যারা সত্যিকারের শহীদ হয়েছেন, ঈমান নিয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের আত্মা আল্লাহর কাছে পুষ্পপল্লবে ঘেরা ঘন সবুজ শ্যামল বৃক্ষলতায় পরিপূর্ণ সুরভিত জান্নাতে বিচরণ করছে। রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেন,
-শহীদগণের রূহ আল্লাহর সান্নিধ্যে সবুজ পাখিদের মধ্যে থাকবে এবং জান্নাতের বাগ-বাগিচা ও নহরসমূহে ভ্রমণ করবে। [সহীহ মুসলিম]
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেন,
-মুমিনের আত্মা একটি পাখি হিসেবে জান্নাতের বৃক্ষরাজিতে বিচরণ করতে থাকবে। আল্লাহ যেদিন তাকে পুনুরুত্থিত করবেন সেদিন তার দেহে আত্মাটি ফিরিয়ে দেয়া পর্যন্ত এভাবেই থাকবে। [আহমাদ, হাদীস হাসান]
অপর একটি বর্ণনায় বলা হয়েছে,
-শহীদগণের আত্মার প্রতি আল্লাহ দৃষ্টি দিবেন এবং বলবেন তোমরা কি কিছু কামনা করছ? তাঁরা বলবেন, আমরা আর কি কামনা করব ! আমরা তো যেখানে ইচ্ছা সেখানে বিচরণ করছি। [মুসলিম]
এখন আপনাদের নিকট আমার জিজ্ঞাসা, শহীদগণ যেখানে আল্লাহর কাছেই কিছু কামনা করছে না, সেখানে কি তারা আমাদের এসব মূল্যহীন পুষ্পস্তবকের জন্যে অপেক্ষা করছে?
-শহীদগণের রূহ আল্লাহর সান্নিধ্যে সবুজ পাখিদের মধ্যে থাকবে এবং জান্নাতের বাগ-বাগিচা ও নহরসমূহে ভ্রমণ করবে। [সহীহ মুসলিম]
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেন,
-মুমিনের আত্মা একটি পাখি হিসেবে জান্নাতের বৃক্ষরাজিতে বিচরণ করতে থাকবে। আল্লাহ যেদিন তাকে পুনুরুত্থিত করবেন সেদিন তার দেহে আত্মাটি ফিরিয়ে দেয়া পর্যন্ত এভাবেই থাকবে। [আহমাদ, হাদীস হাসান]
অপর একটি বর্ণনায় বলা হয়েছে,
-শহীদগণের আত্মার প্রতি আল্লাহ দৃষ্টি দিবেন এবং বলবেন তোমরা কি কিছু কামনা করছ? তাঁরা বলবেন, আমরা আর কি কামনা করব ! আমরা তো যেখানে ইচ্ছা সেখানে বিচরণ করছি। [মুসলিম]
এখন আপনাদের নিকট আমার জিজ্ঞাসা, শহীদগণ যেখানে আল্লাহর কাছেই কিছু কামনা করছে না, সেখানে কি তারা আমাদের এসব মূল্যহীন পুষ্পস্তবকের জন্যে অপেক্ষা করছে?
রাসুলুল্লাহ ﷺ অন্যত্র বলেন,
-তোমাদের আমলগুলো তোমাদের মৃত নিকটাত্মীয় ও তোমাদের সম্প্রদায়ের লোকদের কাছে তাদের কবরে পেশ করা হয়। আমলগুলো ভাল হলে তারা আনন্দিত হয় আর অন্য কিছু হলে তারা বলে হে আল্লাহ তাদেরকে তোমার আনুগত্যের আমল করার এলহাম কর।[আবু দাউদ, তাবারানী,আহমাদ]
►বুঝা গেল, শহীদ ও মৃতদেরকে তারাই আনন্দিত ও উপকৃত করে যারা তাদের জন্যে দুয়া ও দান খয়রাত করে। পুস্পস্তবক অর্পণকারীদের এই কর্মে তারা কবরে দুঃখ অনুভব করেন। কিন্তু আমাদের দেশে যা করা হয় এতে মনে হয় শহীদগণ শহীদ(!) হয়ে যেন অপরাধ করে গেছেন। তাদের নামে এমন সব কর্মকাণ্ড করা হয় যা তাদের ত্যাগ তীতিক্ষার প্রতি উপহাসের শামিল। ইট, সিমেন্ট,রড দিয়ে কিছু একটা বানিয়ে সেখানে কিছু ফুল রেখে আসলে তা কি শহীদগণ(!) পেলেন নাকি ঐ ইট, সিমেন্ট, রডগুলোকেই দেয়া হল সেই ফুলের সওগাত?
-তোমাদের আমলগুলো তোমাদের মৃত নিকটাত্মীয় ও তোমাদের সম্প্রদায়ের লোকদের কাছে তাদের কবরে পেশ করা হয়। আমলগুলো ভাল হলে তারা আনন্দিত হয় আর অন্য কিছু হলে তারা বলে হে আল্লাহ তাদেরকে তোমার আনুগত্যের আমল করার এলহাম কর।[আবু দাউদ, তাবারানী,আহমাদ]
►বুঝা গেল, শহীদ ও মৃতদেরকে তারাই আনন্দিত ও উপকৃত করে যারা তাদের জন্যে দুয়া ও দান খয়রাত করে। পুস্পস্তবক অর্পণকারীদের এই কর্মে তারা কবরে দুঃখ অনুভব করেন। কিন্তু আমাদের দেশে যা করা হয় এতে মনে হয় শহীদগণ শহীদ(!) হয়ে যেন অপরাধ করে গেছেন। তাদের নামে এমন সব কর্মকাণ্ড করা হয় যা তাদের ত্যাগ তীতিক্ষার প্রতি উপহাসের শামিল। ইট, সিমেন্ট,রড দিয়ে কিছু একটা বানিয়ে সেখানে কিছু ফুল রেখে আসলে তা কি শহীদগণ(!) পেলেন নাকি ঐ ইট, সিমেন্ট, রডগুলোকেই দেয়া হল সেই ফুলের সওগাত?
■কাদের থেকে শিখেছি এই পুস্পস্তবক অর্পণ?
মুহাম্মদ ﷺ আনীত দীনে পুস্পস্তবক অর্পণের কোন বিধান নেই। মৃতদের জন্যে পুষ্পস্তবক অর্পণ খ্রিস্টান জাতির সংস্কৃতি। হিন্দু ধর্মেও মূর্তিকে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়। শুধু পুস্পস্তবক অর্পণ নয় মিষ্টি, সন্দেশ, দুধ কলার স্তবকও অর্পণ করা হয় দেবভোগ হিসেবে। আল কুর’আনে ইবরাহীম আলাইহি সালামের ঘটনা বর্ণণা প্রসংগে বলা হয়েছে-
فَرَاغَ إِلَىٰ آلِهَتِهِمْ فَقَالَ أَلَا تَأْكُلُونَ ۞ مَا لَكُمْ لَا تَنطِقُونَ
-অতঃপর সে তাদের দেবালয়ে, গিয়ে ঢুকল এবং বললঃ তোমরা খাচ্ছ না কেন? তোমাদের কি হল যে, কথা বলছ না?” [সূরা সাফফাত ৯১-৯২]
►মূলত পুস্পস্তবক অর্পণ মূর্তিপূজার অংশ, এটি এমন একটি ইবাদত যা মূর্তিকে দেয়া হয়। কাজেই মুসলিমদের এ ধরনের কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহনের কোন সুযোগ নেই। রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেন,
-কোন ব্যক্তি সংস্কৃতিতে যে সম্প্রদায়ের অনুসরণ করে সে (কিয়ামতের দিন) তাদের অন্তর্ভুক্ত হবে’ [আবুদাঊদ, মিশকাত হা/৪৩৪৭]
মুহাম্মদ ﷺ আনীত দীনে পুস্পস্তবক অর্পণের কোন বিধান নেই। মৃতদের জন্যে পুষ্পস্তবক অর্পণ খ্রিস্টান জাতির সংস্কৃতি। হিন্দু ধর্মেও মূর্তিকে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়। শুধু পুস্পস্তবক অর্পণ নয় মিষ্টি, সন্দেশ, দুধ কলার স্তবকও অর্পণ করা হয় দেবভোগ হিসেবে। আল কুর’আনে ইবরাহীম আলাইহি সালামের ঘটনা বর্ণণা প্রসংগে বলা হয়েছে-
فَرَاغَ إِلَىٰ آلِهَتِهِمْ فَقَالَ أَلَا تَأْكُلُونَ ۞ مَا لَكُمْ لَا تَنطِقُونَ
-অতঃপর সে তাদের দেবালয়ে, গিয়ে ঢুকল এবং বললঃ তোমরা খাচ্ছ না কেন? তোমাদের কি হল যে, কথা বলছ না?” [সূরা সাফফাত ৯১-৯২]
►মূলত পুস্পস্তবক অর্পণ মূর্তিপূজার অংশ, এটি এমন একটি ইবাদত যা মূর্তিকে দেয়া হয়। কাজেই মুসলিমদের এ ধরনের কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহনের কোন সুযোগ নেই। রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেন,
-কোন ব্যক্তি সংস্কৃতিতে যে সম্প্রদায়ের অনুসরণ করে সে (কিয়ামতের দিন) তাদের অন্তর্ভুক্ত হবে’ [আবুদাঊদ, মিশকাত হা/৪৩৪৭]
No comments:
Post a Comment