
আজকাল কিছু মুসলিম পুরুষদেরকে দেখা যায় যে এক কানে দুল পড়তে। এর পর পাঞ্জাবীর
সাথে উরনা পরতে। এরপর হাতে চুড়ি- বালার মত ব্রেসলেট পরতে, গলায় চেইন পরতে।
অথচ হাদিসে উল্লেখ রয়েছে,
মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (র)......ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী মুহাম্মদ (সা)
ঐ সব পুরুষকে লা'নত করেছেন যারা নারীর বেশ ধারন করে এবং ঐ সব নারীকে যারা পুরুষের বেশ ধারন করে।
(বুখারী শরীফ, হাদিস নং-৫৪৬৫, পোশাক-পরিচ্ছদ অধ্যায়।
---------------
আমাদের দেশে দাড়ি রাখা সম্পর্কে একটি ভ্রান্ত ধারণা আছে, সেটা হল দাড়ি রাখা সুন্নত।
অতএব, দাড়ি রাখলে ভাল আর
না রাখলে একটা সুন্নত পালন করা হল না এই আর কি! জেনে রাখুন, এটা সম্পূর্ণ একটা ভুল ধারণা।
ইবনে ওমর (রাঃ) সূত্রে নবী মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন,
তোমরা মুশরিকদের বিপরীত
করবেঃ দাড়ি লম্বা রাখবে, গোঁফ ছোট করবে ।
(বুখারী শরীফ, নবম খণ্ড, হাদিস নং - ৫৪৭২ ইফা)
.
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা কুরআনে রাসূলের (সাঃ)
কে মেনে চলার নির্দেশ দিয়েছেন,
হে ঈমানদারগণ, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নির্দেশ মান্য কর এবং শোনার পর তা থেকে বিমুখ হয়ো না।
(আল-আনফাল,আয়াত ২০)
------------------
অধিকাংশ পুরুষকে দেখা যায়
তারা তাদের প্যান্ট পায়ের পাতা পর্যন্ত ঝুলিয়ে দেয়। এর মধ্যে যারা নামাজি তারা নামাজের সময়
তাদের প্যান্ট টাকনু পর্যন্ত গুছিয়ে নেয়।
আসলে টাকনুর উপর পর্যন্ত কাপড়
পরা পুরুষদের সব সময়ের জন্য আবশ্যক, শুধু নামাজের সময় নয়।
আদাম (র)......আবু হুরায়রা (রাঃ)
থেকে বর্ণিত। নবী (সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওসাল্লাম) বলেছেনঃ ইযারের যে পরিমান টাকনুর নীচে যাবে, সে পরিমান জাহান্নামে যাবে।
(বুখারী শরীফ, পোশাক অধ্যায়, হাদিস নং-) ৫৩৭১)
এখন আপনি নিজেই ভেবে দেখুন,
আপনি কি করবেন। আল্লাহ তা'আলা ও রাসুল (সাঃ) এর নির্দেশ মানবেন নাকি কাফির-মুশরিকদের অনুসরণ করবেন???
No comments:
Post a Comment