
ভুল ৩৬ - ৪০
৩৬। প্রচলিত ভুলঃ বিত্র সলাতে প্রচলিত দু‘আ যথা ‘আল্লাহুম্মা ইন্না নাস্তাঈনুকা’ আমরা সহীহ সূত্রে পাই নাই বরং সেটা মুরসাল বা যঈফ (বাইহাক্বী-২/২১১)
.
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর পদ্ধতিঃ হাসান বিন আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ ‘আমার মাতামহ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম) আমাকে কিছু কথা শিখিয়েছেন, যা আমি বিতরের সলাতে কুনূতে পাঠ করি তা হল-আল্লা-হুম্মাহদিনী ফিমান হাদাইতা..... তাবারাকতা রববানা ওয়াতা আ-লাইতা, লা-মানজা নিকা ইল্লা-ইলাইকা। (তিরমিযী-১/৪২৯, ইবনু মাজাহ-২/৪৬০, নাসাঈ-২/২৯৯) কিন্তু নাসাঈতে কুনুতের শেষে এই বর্ধিত অংশ উল্লেখ রয়েছেঃ ‘‘ওয়া সাল্লাল্লাহু আলান্নাবিইয়ি’’ যার প্রচলন আহলে হাদীসদের কিছু লোকের মধ্যে দেখা যায়। অথচ এর সনদ যঈফ। একে যঈফ বলেছেন হাফিয ইবনু হাজার, কাসত্বলানী, যরক্বানী ও অন্যান্যগণ এজন্যই বর্ধিত অংশ বলা। একত্রিত করার ক্ষেত্রে আমাদের রীতি অনুযায়ী এখানে তা উল্লেখ করলাম না। (শাইখ আল-আলবানী রহিমাল্লাহ)
.
৩৭। প্রচলিত ভুলঃ ফরয সলাতের ইক্বামাতের পর নফল পড়া মাকরুহ। কিন্তু ফজরের বিষয়টি এর থেকে ব্যতিক্রম। যদি জামাআত সম্পূর্ণ ছুটে যাবার আশংকা না থাকে তবে ইক্বামাতের পরও ফজরের সুন্নাত জায়িয। (ফাতওয়ায়ে আলমগীরী-১৪৮ পৃঃ)
.
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর পদ্ধতিঃ অথচ বুখারীতে একটি অধ্যায়ে রচিত হয়েছে-ইকামাত হয়ে গেলে ফরয ব্যতীত অন্য কোন সলাত নেই। এই অধ্যায়ে যে হাদীসটি এসেছে তা হলো রাসূলুল্লাহ (স) ফজরে (সলাতে) এক ব্যক্তিকে ইক্বামাত হয়ে যাবার পর দু’রাক’আত সলাত আদায় করতে দেখলেন। অতঃপর ফরয সলাত শেষে উক্ত ব্যক্তিকে বললেন ফজর কি চার রাক’আত? এ কথা দু’বার বললেন। (সহীহ বুখারী, তাওহীদ-১/২১/৬৬৩) অথচ আমাদের দেশের মৌলবীরা বলেন ফজরের দু’রাক’আত সুন্নাতের গুরুত্ব অনেক বেশী তাই এর অনুমতি আছে। তাদের নিকট প্রশ্ন হল-গুরুত্বটা কি ফরয সলাতের চেয়েও বেশী? অথচ ফজর বা অন্য কোন ফরয সলাতের জামাআত শুরু হবার পর কেউ মাসজিদে এলে অথবা কেউ সুন্নাত পড়া অবস্থায় থাকলে তাকে সুন্নাত ছেড়ে দিয়ে জামাআতে শরীক হতে হবে। ইক্বামাতের পর সুন্নাত সলাত পড়া বৈধ নয়। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ‘‘যখন জামাআতের জন্য ইক্বামাত দেওয়া হয় তখন ফরয ব্যতীত অন্য কোন সলাত নেই। বায়হাকীর বর্ণনায় আছে, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম) কে বলা হ’ল ফজরের সুন্নাত দু’রাক’আতও পড়া যাবে না? রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ফজরের দু রাক’আতও পড়া যাবে না। (সহীহ বুখারী-২/১২১ পৃঃ, সহীহ মুসলিম-১/২৪৭ পৃঃ, আবু দাউদ-১/১৮১ পৃঃ, তিরমিযী-১/৯৬ পৃঃ, নাসাঈ-১৩৮, ১৩৯ পৃঃ)
.
৩৮। প্রচলিত ভুলঃ সাজদাহ্র সময় মাটিতে বা মুসাল্লায় হাত বিছিয়ে দেওয়া যা আমাদের দেশের নারীগণ (অধিক পর্দার কারণে) করে থাকে অথচ তা ‘‘সহীহ হাদীসের খেলাফ সাজদাহর সময় জড়ো সড়ো হইয়া সাজদাহ করিতে হইবে। তখন বাহুদ্বয় শরীরের সহীত, পেট রানের সহীত, রান হাঁটুর নলার সহীত এবং হাঁটুর নলা যায়নামাযের সহীত মিলাইয়া রাখিতে হইবে। অর্থাৎ মহিলাদের সাজদাহ্র সময় একমাত্র মস্তক ব্যতীত সর্ব শরীরের অঙ্গ সমূহ একত্রে মিলাইয়া সাজদাহ্ করিতে হইবে।’’ (মোকছুদুল মোমেনীন-১৭৫)
.
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম)-এর পদ্ধতিঃ আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ‘‘ সাজদায় (অঙ্গ প্রত্যঙ্গের) সামাঞ্জস্য রক্ষা কর এবং তোমাদের মধ্যে কেউ যেন দু’হাত বিছিয়ে না দেয় যেমন কুকুর বিছিয়ে দেয়। (সহীহ বুখারী-ই.ফা.বা-২/ হা/৭৮৪) অনুরূপভাবে সাজদাহর সময় দু’বাহু পার্শ্বদেশ থেকে পৃথক রাখতে হবেঃ নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম) যখন সলাত আদায় করতেন, তখন উভয় হাত (সাজদাহর মধ্যে) এরূপ করতেন যে, তাঁর উভয় বগলের শুভ্রতা প্রকাশ হয়ে পড়ত। (সহীহ্ বুখারী-ই.ফা.বা-২/হা/৭৭০)
.
৩৯। প্রচলিত ভুলঃ ফজরের সলাত বিলম্বে আদায় করা মুস্তাহাব। (ফাতওয়ায়ে আলমগীরী-১৪৫ পৃঃ)
.
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পদ্ধতিঃ আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ ‘‘মহিলাগণ সর্বাঙ্গ চাদর ঢেকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম) এর সাথে ফজরের জামাআতে হাযির হতেন। তারপর সলাত আদায় করে তারা যার যার ঘরে ফিরে যেতেন। আঁধারে কেউ তাদের চিনতে পারত না। সহীহ্ বুখারী-২/হা/৫৫১ আবছা আঁধারে যখন নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম) ও সাহাবায়ে কেরাম ফজরের সলাত সম্পন্ন করতেন তখন বিলম্বে অর্থাৎ ভোরের আলো প্রকাশিত হবার পর তা আদায় করা মুস্তাহাব বলার কোন এখতিয়ার থাকে কি?
.
৪০। প্রচলিত ভুলঃ কোন ব্যক্তি ইক্বামাতের সময় মাসজিদে প্রবেশ করলে তার জন্য দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করা মাকরুহ। বসে যাবে। পরে মুয়াযযিনের হাইয়্যা আ’লাল ফালাহ বলার সময় দাঁড়াবে। (মুযমারাত) (ফাতওয়ায়ে আলমগীরী-১৫৭)
.
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর পদ্ধতিঃ ইক্বামাতের সময় এবং এর পরে কাতার সোজা করা নামে সহীহ বুখারীতে একটি অনুচ্ছেদ রচিত হয়েছে। (অনুচ্ছেদ নং-৪৬৩, বুখারী ২য় খন্ড-৯৫ ই.ফা.বা) ঐ অধ্যায়ে ৬৮৪ নং হাদীসে বর্ণিত আছে- ইক্বামাত হচ্ছে এমন সময় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম) আমাদের দিকে মুখ করে তাকালেন এবং বললেনঃ ‘‘তোমাদের কাতারগুলো সোজা করে নাও আর মিলে দাঁড়াও কেননা আমি আমার পেছনের দিক থকেও তোমাদের দেখতে পাই। তাহলে ইক্বামাত বলার পূর্বেই তো কাতার সোজা করা নিয়ম আর ইক্বামাতের পরও ইমাম সাহেব দেখবেন যে কাতার সোজা হল কিনা।
.
........................................................................
বইটির নামঃ'' প্রচলিত ভুল বনাম রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সলাত আদায়ের পদ্ধতি।''এই গ্রন্থে নামাজের ১০১ টির অধিক ভুলের দলিলসহ সমাধান পেশ করা হয়েছে।
লেখকঃ সাইখ মুরাদ বিন আমজাদ
.
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর পদ্ধতিঃ হাসান বিন আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ ‘আমার মাতামহ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম) আমাকে কিছু কথা শিখিয়েছেন, যা আমি বিতরের সলাতে কুনূতে পাঠ করি তা হল-আল্লা-হুম্মাহদিনী ফিমান হাদাইতা..... তাবারাকতা রববানা ওয়াতা আ-লাইতা, লা-মানজা নিকা ইল্লা-ইলাইকা। (তিরমিযী-১/৪২৯, ইবনু মাজাহ-২/৪৬০, নাসাঈ-২/২৯৯) কিন্তু নাসাঈতে কুনুতের শেষে এই বর্ধিত অংশ উল্লেখ রয়েছেঃ ‘‘ওয়া সাল্লাল্লাহু আলান্নাবিইয়ি’’ যার প্রচলন আহলে হাদীসদের কিছু লোকের মধ্যে দেখা যায়। অথচ এর সনদ যঈফ। একে যঈফ বলেছেন হাফিয ইবনু হাজার, কাসত্বলানী, যরক্বানী ও অন্যান্যগণ এজন্যই বর্ধিত অংশ বলা। একত্রিত করার ক্ষেত্রে আমাদের রীতি অনুযায়ী এখানে তা উল্লেখ করলাম না। (শাইখ আল-আলবানী রহিমাল্লাহ)
.
৩৭। প্রচলিত ভুলঃ ফরয সলাতের ইক্বামাতের পর নফল পড়া মাকরুহ। কিন্তু ফজরের বিষয়টি এর থেকে ব্যতিক্রম। যদি জামাআত সম্পূর্ণ ছুটে যাবার আশংকা না থাকে তবে ইক্বামাতের পরও ফজরের সুন্নাত জায়িয। (ফাতওয়ায়ে আলমগীরী-১৪৮ পৃঃ)
.
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর পদ্ধতিঃ অথচ বুখারীতে একটি অধ্যায়ে রচিত হয়েছে-ইকামাত হয়ে গেলে ফরয ব্যতীত অন্য কোন সলাত নেই। এই অধ্যায়ে যে হাদীসটি এসেছে তা হলো রাসূলুল্লাহ (স) ফজরে (সলাতে) এক ব্যক্তিকে ইক্বামাত হয়ে যাবার পর দু’রাক’আত সলাত আদায় করতে দেখলেন। অতঃপর ফরয সলাত শেষে উক্ত ব্যক্তিকে বললেন ফজর কি চার রাক’আত? এ কথা দু’বার বললেন। (সহীহ বুখারী, তাওহীদ-১/২১/৬৬৩) অথচ আমাদের দেশের মৌলবীরা বলেন ফজরের দু’রাক’আত সুন্নাতের গুরুত্ব অনেক বেশী তাই এর অনুমতি আছে। তাদের নিকট প্রশ্ন হল-গুরুত্বটা কি ফরয সলাতের চেয়েও বেশী? অথচ ফজর বা অন্য কোন ফরয সলাতের জামাআত শুরু হবার পর কেউ মাসজিদে এলে অথবা কেউ সুন্নাত পড়া অবস্থায় থাকলে তাকে সুন্নাত ছেড়ে দিয়ে জামাআতে শরীক হতে হবে। ইক্বামাতের পর সুন্নাত সলাত পড়া বৈধ নয়। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ‘‘যখন জামাআতের জন্য ইক্বামাত দেওয়া হয় তখন ফরয ব্যতীত অন্য কোন সলাত নেই। বায়হাকীর বর্ণনায় আছে, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম) কে বলা হ’ল ফজরের সুন্নাত দু’রাক’আতও পড়া যাবে না? রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ফজরের দু রাক’আতও পড়া যাবে না। (সহীহ বুখারী-২/১২১ পৃঃ, সহীহ মুসলিম-১/২৪৭ পৃঃ, আবু দাউদ-১/১৮১ পৃঃ, তিরমিযী-১/৯৬ পৃঃ, নাসাঈ-১৩৮, ১৩৯ পৃঃ)
.
৩৮। প্রচলিত ভুলঃ সাজদাহ্র সময় মাটিতে বা মুসাল্লায় হাত বিছিয়ে দেওয়া যা আমাদের দেশের নারীগণ (অধিক পর্দার কারণে) করে থাকে অথচ তা ‘‘সহীহ হাদীসের খেলাফ সাজদাহর সময় জড়ো সড়ো হইয়া সাজদাহ করিতে হইবে। তখন বাহুদ্বয় শরীরের সহীত, পেট রানের সহীত, রান হাঁটুর নলার সহীত এবং হাঁটুর নলা যায়নামাযের সহীত মিলাইয়া রাখিতে হইবে। অর্থাৎ মহিলাদের সাজদাহ্র সময় একমাত্র মস্তক ব্যতীত সর্ব শরীরের অঙ্গ সমূহ একত্রে মিলাইয়া সাজদাহ্ করিতে হইবে।’’ (মোকছুদুল মোমেনীন-১৭৫)
.
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম)-এর পদ্ধতিঃ আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ‘‘ সাজদায় (অঙ্গ প্রত্যঙ্গের) সামাঞ্জস্য রক্ষা কর এবং তোমাদের মধ্যে কেউ যেন দু’হাত বিছিয়ে না দেয় যেমন কুকুর বিছিয়ে দেয়। (সহীহ বুখারী-ই.ফা.বা-২/ হা/৭৮৪) অনুরূপভাবে সাজদাহর সময় দু’বাহু পার্শ্বদেশ থেকে পৃথক রাখতে হবেঃ নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম) যখন সলাত আদায় করতেন, তখন উভয় হাত (সাজদাহর মধ্যে) এরূপ করতেন যে, তাঁর উভয় বগলের শুভ্রতা প্রকাশ হয়ে পড়ত। (সহীহ্ বুখারী-ই.ফা.বা-২/হা/৭৭০)
.
৩৯। প্রচলিত ভুলঃ ফজরের সলাত বিলম্বে আদায় করা মুস্তাহাব। (ফাতওয়ায়ে আলমগীরী-১৪৫ পৃঃ)
.
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পদ্ধতিঃ আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ ‘‘মহিলাগণ সর্বাঙ্গ চাদর ঢেকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম) এর সাথে ফজরের জামাআতে হাযির হতেন। তারপর সলাত আদায় করে তারা যার যার ঘরে ফিরে যেতেন। আঁধারে কেউ তাদের চিনতে পারত না। সহীহ্ বুখারী-২/হা/৫৫১ আবছা আঁধারে যখন নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম) ও সাহাবায়ে কেরাম ফজরের সলাত সম্পন্ন করতেন তখন বিলম্বে অর্থাৎ ভোরের আলো প্রকাশিত হবার পর তা আদায় করা মুস্তাহাব বলার কোন এখতিয়ার থাকে কি?
.
৪০। প্রচলিত ভুলঃ কোন ব্যক্তি ইক্বামাতের সময় মাসজিদে প্রবেশ করলে তার জন্য দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করা মাকরুহ। বসে যাবে। পরে মুয়াযযিনের হাইয়্যা আ’লাল ফালাহ বলার সময় দাঁড়াবে। (মুযমারাত) (ফাতওয়ায়ে আলমগীরী-১৫৭)
.
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর পদ্ধতিঃ ইক্বামাতের সময় এবং এর পরে কাতার সোজা করা নামে সহীহ বুখারীতে একটি অনুচ্ছেদ রচিত হয়েছে। (অনুচ্ছেদ নং-৪৬৩, বুখারী ২য় খন্ড-৯৫ ই.ফা.বা) ঐ অধ্যায়ে ৬৮৪ নং হাদীসে বর্ণিত আছে- ইক্বামাত হচ্ছে এমন সময় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম) আমাদের দিকে মুখ করে তাকালেন এবং বললেনঃ ‘‘তোমাদের কাতারগুলো সোজা করে নাও আর মিলে দাঁড়াও কেননা আমি আমার পেছনের দিক থকেও তোমাদের দেখতে পাই। তাহলে ইক্বামাত বলার পূর্বেই তো কাতার সোজা করা নিয়ম আর ইক্বামাতের পরও ইমাম সাহেব দেখবেন যে কাতার সোজা হল কিনা।
.
........................................................................
বইটির নামঃ'' প্রচলিত ভুল বনাম রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সলাত আদায়ের পদ্ধতি।''এই গ্রন্থে নামাজের ১০১ টির অধিক ভুলের দলিলসহ সমাধান পেশ করা হয়েছে।
লেখকঃ সাইখ মুরাদ বিন আমজাদ
No comments:
Post a Comment