
(১) রাসুলুল্লাহﷺ বলেছেন, “হে মানুষেরা!
(ক) তোমরা সালাম প্রচার কর,
(খ) (ক্ষুধার্তকে) খাদ্য দান কর,
(গ) আত্মীয়তার বন্ধন বজায় রাখ এবং
(ঘ) লোকেরা যখন ঘুমিয়ে থাকে, তখন তোমরা (তাহাজ্জুদের) সালাত আদায় কর।
তাহলে তোমরা নিরাপদে ও শান্তিতে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে।”
তিরমিযীঃ ২৪৮৫, ইবনু মাজাহঃ ১৩৩৪, দারেমীঃ ১৪৬০, হাদীসটি হাসান সহীহ।
.
(২) রাসুলুল্লাহﷺ বলেছেন,
“জান্নাতে এমন কিছু ঘর আছে, যার ভিতর থেকে বাহিরের সব কিছু দেখা যাবে। আবার বাহির থেকে ভিতরের সব কিছু দেখা যাবে।” জনৈক বেদুঈন এই কথা শুনে বললো, “ইয়া রাসুলাল্লাহ! সেই ঘরগুলো কার জন্য?” রাসুলুল্লাহﷺ বললেন, “ঐ ব্যক্তির জন্য,
(ক) যে ভাল ও নরম কথা বলে,
(খ) অন্যকে আহার করায়,
(গ) অধিক পরিমাণে নফল রোযা রাখে,
(ঘ) আর লোকেরা যখন আরামে নিদ্রারত থাকে, তখন ঘুম থেকে উঠে সে (তাহাজ্জুদের) সালাত আদায় করে।”
ইবনু খুযাইমাঃ ২১৩৬, তিরমিযীঃ ১৯৮৪, হাদীসটি/ হাসান।
.
(৩) নবী ﷺ বলেছেন, “আমি কি তোমাদেরকে জান্নাতী লোকদের গুণাবলীর কথা বলব না?” সাহাবাগণ বললেন, হ্যা বলুন। তিনি বললেন, “প্রত্যেক দুর্বল ব্যক্তি, যে লোকদের চোখে নীচু, কিন্তু সে যদি কোন বিষয়ে আল্লাহর নামে কসম করে, তাহলে আল্লাহ তার কসম পূর্ণ করবেন।” অতঃপর তিনি বললেন, “আমি কি তোমাদেরকে জাহান্নামী লোকদের কথা বলব না?” তারা বললেন, বলুন। তিনি বললেন: “প্রত্যেক ঝগড়াটে, দুশ্চরিত্র ও অহংকারী ব্যক্তি।” সহীহ মুসলিমঃ ২৮৫৩।
No comments:
Post a Comment