
রাতে বিতির নামাজ পড়তে পারেন নি ? ফযরের ওয়াক্ত হয়ে গেছে?এখন করণীয় কি?
-------- ------- ------- -------ঃ>
বিতির সলাতে প্রচুর নেকী রয়েছে,তাই রাতে না পড়তে পারলে সকালে কাযা করে নিন।
.
বিতির সকাল বেলা কাযা পড়লে ১/৩/৫ বিজোড় করে পড়া যাবেনা। যিনি বিতির ১ রাকাত পড়তেন তিনি সকাল বেলা কাযা পড়লে ২ রাকাত পড়বেন, যিনি ৩ রাকাত পড়তেন তিনি ২ সালামে ২+২=৪ রাকাত পড়বেন।
★
বিতির ও বিতিরের কাযা সম্পর্কিত হাদীসগুলোঃ
*
১. বিতির সালাত হচ্ছে ১, ৩ বা ৫ রাকাত, যার যত রাকাত ভালো লাগে সে তাই পড়বে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “বিতির সলাত (হক্ক) সত্য। অতএব, কেউ চাইলে তা পাঁচ রাকাতও পড়তে পারে, তিন রাকাতও পড়তে পারে এবং এক রাকাতও পড়তে পারে।”
সুনানে নাসায়ীঃ ১৭১০, মুসনাদে আহমাদঃ ১৪২২,সহীহ আবু দাউদঃ ১২৭৮।
.
২. বিতির কাযা পড়া যাবে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি বিতির সলাত না পড়ে ঘুমিয়ে গেলো বা তা পড়তে ভুলে গেলো, সে যেন ভোরবেলা অথবা যখন তার স্মরণ হয় তখন তা পড়ে নেয়।”
সুনানে ইবনে মাজাহ্ঃ হাদিস নং ১১৮৮।
.
৩. বিতির কাযা পড়লে বিজোড় নয়, জোড় করে পড়তে হবে। মা আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, “(রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর) কখনো নিদ্রা বা কোন ব্যাধি তাঁর রাত জেগে ইবাদতের ব্যাপারে সংঘাত ঘটালে তিনি দিনের বেলা বার (১২) রাকাত সালাত আদায় করে নিতেন।”
সহীহ মুসলিম, খন্ড ৪, হাদিস নং ১৬২৩,
.
মুসাফিরের স্বলাত ও কসর স্বলাতের অধ্যায়
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রাতের সালাত (তাহাজ্জুদ+বিতির) সর্বদা ১১ রাকাত পড়তেন। কিন্তু কখনো অসুস্থতার কারণে ফযরের পূর্বে পড়তে না পারলে ভোরবেলা পড়লে ১১ এর পরিবর্তে ১২ পড়ে নিতেন।
.
সুতরাং, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সুন্নাহ অনুযায়ী যে ব্যক্তি ১ রাকাত বিতির পড়তো তিনি ২, যিনি ৩ পড়তেন তিনি ৪ রাকাত পড়বেন, যিনি ৫ রাকাত বিতির পড়তে অভ্যস্ত তিনি ৬ পড়বেন। উল্লেখ্য, ৪ বা ৬ পড়লে ২+২=৪ বা ২+২+২=৬ এইভাবে পড়তে হবে, এবং প্রত্যেকে ২ রাকাত শেষে বৈঠক করে সালাম ফেরাতে হবে।
No comments:
Post a Comment