
আসসালামু আলাইকুম
হে জাহান্নামকে অস্বীকার কারীরা!
হে জাহান্নামের সাথে ঠাট্টা বিদ্রুপ কারীরা?
হে জাহান্নাম সর্ম্পকে সন্দিহানরা!
হে জান্নামের প্রতি ঈমান আনা সত্বেও গাফেল লোকেরা?
যখন জাহান্নামের ঐ আগুন চোখের সামনে উত্তপ্ত হতে থাকবে,আর আহ্বান কারী বলতে থাকবেঃ
هَذِهِ النَّارُ الَّتِي كُنتُم بِهَا تُكَذِّبُون
(سورة طور- ১৪)
অর্থঃ“দেখ এ হল ঐ জাহান্নাম যাকে তোমরা অস্বীকার করতেছিলে”?(সূরা তূর- ১৪)
তাহলে তখন!
তোমরা কি জওয়াব দিবে?
তোমরা কি পলায়ন করবে?
কোথাও আশ্রয় পাবে?
কোন সাহায্যকারীকে ডাকবে?
কোন বিপদ দূরকারীকে নিয়ে আসবে?? না ঐ উত্তপ্ত প্রজ্জলিত জাহান্নামে যাওয়াকে মেনে নিবে?
ويل يومئذ للمكذبين
(سورة مرسلات- ১৫)
অর্থঃ“সে দিন দুর্ভোগ মিথ্যা আরোপকারীদের জন্য।” (সূরা মুরসালাত- ১৫)
হে জাহান্নামকে অস্বীকার কারীরা!
হে জাহান্নামের সাথে ঠাট্টা বিদ্রুপ কারীরা?
হে জাহান্নাম সর্ম্পকে সন্দিহানরা!
হে জান্নামের প্রতি ঈমান আনা সত্বেও গাফেল লোকেরা?
যখন জাহান্নামের ঐ আগুন চোখের সামনে উত্তপ্ত হতে থাকবে,আর আহ্বান কারী বলতে থাকবেঃ
هَذِهِ النَّارُ الَّتِي كُنتُم بِهَا تُكَذِّبُون
(سورة طور- ১৪)
অর্থঃ“দেখ এ হল ঐ জাহান্নাম যাকে তোমরা অস্বীকার করতেছিলে”?(সূরা তূর- ১৪)
তাহলে তখন!
তোমরা কি জওয়াব দিবে?
তোমরা কি পলায়ন করবে?
কোথাও আশ্রয় পাবে?
কোন সাহায্যকারীকে ডাকবে?
কোন বিপদ দূরকারীকে নিয়ে আসবে?? না ঐ উত্তপ্ত প্রজ্জলিত জাহান্নামে যাওয়াকে মেনে নিবে?
ويل يومئذ للمكذبين
(سورة مرسلات- ১৫)
অর্থঃ“সে দিন দুর্ভোগ মিথ্যা আরোপকারীদের জন্য।” (সূরা মুরসালাত- ১৫)
জাহান্নাম সম্পর্কে কোরআ'নে উল্লেখিত কিছু কিছু বর্ণনা নিন্মরূপঃ
১- জাহান্নাম দেখামাত্রই কাফেরদের চেহারা কাল হয়ে যাবে। (সূরা ইউনুস- ২৭)
২- জাহান্নামী শাস্থিতে অস্থির হয়ে মৃত্যু কামনা করবে,কিন্তু তাদের মৃত্যু হবে না। (সূরা ফুরকান- ১৩)
৩ - জাহান্নামের আগুন জাহান্নামীদের চেহারার গোসত বিদগ্ধ করবে এবং তাদের জিহ্বা বের হয়ে আসবে।
৪- অতপর সে সেখানে(জাহান্নামে) মরবেও না বাঁচবেও না।(সূরা আ’লা -১৩)
৫- জাহান্নামের আগুন মানুষের হৃদয়কে গ্রাস করবে।
৬- জাহান্নাম তার অধিবাসীদেরকে পরিবেষ্টন করে রাখবে।
৭- জাহান্নামে থাকবে তার অধিবাসীদের আর্তনাদ,ফলে তারা কিছুই শুনতে পাবে না। (সূরা আম্বীয়া- ১০০)
৮- জাহান্নামীদেরকে খাবার হিসেবে দেয়া হবে কাটাদার যাক্কুম বৃক্ষ এবং দুর্গন্ধময় বৃক্ষের খাদ্য। (সূরা দুখান ৪৩)
৯- জাহান্নামীদের শরীর থেকে নির্গত রক্ত এবং কাশি ও গরম পানি হবে তাদের পানীয়। (সূরা ইবরাহিম- ১৬,১৭)
১০- জাহান্নামীদেরকে আগুনের পোশাক পরানো হবে।
১১- জাহান্নামীদের হাত ও পা শৃংখলিত করা হবে,আর অগ্নি আচ্ছন্ন করবে তাদের মুখমন্ডল।(সূরা ইবরাহিম -৪৯,৫০)
১২- জাহান্নামীদের জন্য থাকবে আগুনের উড়না ও বিছানা। (সূরা আ’রাফ)
১৩- জাহান্নামীদের জন্য থাকবে আগুনের ছাতি ও আগুনের কার্পেট। (সূরা- সূরা যুমার -১৬)
১৪- জাহান্নামীদের জন্য আগুনের পানীয়। (সূরা কাহাফ- ২৯)
১৫- জাহান্নামীদের গলদেশে থাকবে আগুনের বেড়ি। (সূরা হাক্কা- ৩০)
১৬- জাহান্নামীদের পায়ে থাকবে ভারী বেড়ি।(সূরা মুয্যাম্মিল ১২)
১৭- জাহান্নামীদেরকে বিষাক্ত গরম হাওয়া ও বিষাক্ত গরম ধুয়া দিয়ে আযাব দেয়া হবে।(সূরা ওয়াকিয়া- ৪১,৪৪)
১৮- জাহান্নামীদেরকে উপুড় করে টেনে নিয়ে যাওয়া হবে জাহান্নামে।(সূরা কামার- ৪৮)
১৯- জাহান্নামীদেরকে‘সাউদ’নামক আগুনের পাহাড়ে চড়ানোর মাধ্যমে শাস্তি দেয়া হবে। (সূরা মুদ্দাস্সসির- ১৭)
২০- জাহান্নামীদরকে লোহার হাতুড়ি ও গুর্জদিয়ে আঘাত করা হবে। (সূরা হাজ্জ - ২১)
নোটঃ উপরে উল্লেখিত আয়াত সমূহে হুবহু আয়াতের তরজমা দেয়া হয়নি, বরং তার ভাবার্থ পেশ করা হয়েছে।
জাহান্নাম সম্পর্কে কোরআ'নের উদ্ধৃতির পর কিছু হাদীসের উদ্ধৃতি নিন্ম রূপঃ
১- জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত একটি পাথর সত্তর বছর পর তার নিন্মস্তরে গিয়ে পৌঁছবে। (মুসলিম)
২- জাহান্নামের একটি ঘেরাউয়ের দু’টি দেয়ালের মাঝে চল্লিশ বছরের রাস্তার দূরত্ব।(আবু ইয়ালা)
৩- জাহান্নামকে হাশরের মাঠে আনতে চারশ নব্বই কোটি ফেরেশ্তা লাগবে।(মুসলিম)
৪ - জাহান্নামের সবচেয়ে হালকা শাস্তি হবে এই যে,আগুনের একজোড়া সেন্ডেল পরিয়ে দেয়া হবে,যার ফলে জাহান্নামীর মস্তিষ্ক গলে গলে পড়তে থাকবে। (মুসলিম)
৫- জাহান্নামীর একটি দাঁত উহুদ পাহাড়ের চেয়েও বড় হবে। (মুসলিম)
৬- জাহান্নামীর দু’কাধেঁর মাঝে কোন দ্রুতগামী আশ্বারোহির তিন দিন চলার পথ সম দূরত্ব হবে। (মুসলিম)
৭- জাহান্নামীর শরীরের চামড়া ৬৩ ফিট মোটা হবে।( তিরমিযী)
৮ - পৃথিবীতে অহংকার কারীদেরকে ঠোট বরাবর শরীর দেয়া হবে।( তিরমিযী)
৯ - জাহান্নামী এত অশ্র“ প্রবাহিত করবে,যে তাতে অনায়েসে নৌকা চলতে পারবে। (মোস্তাদরাক হাকেম)
১০- জাহান্নামীদেরকে পরিবেশনকৃত খাবারের এক টুকরা পৃথিবীতে নিক্ষেপ করা হলে, সমগ্র পৃথিবীর প্রাণীসমূহের জীবন যাপনের ব্যবস্থাপনা নষ্ট হয়ে যাবে। (আহমদ,তিরমিযী, নাসায়ী, ইবনে মাজা)
১১- জাহান্নামীদের পানীয় থেকে কয়েক লিটার পৃথিবীতে নিক্ষেপ করা হলে,তার দুরগন্ধ সমগ্র পৃথিবীর সৃষ্টি জীবের নিকট ছড়িয়ে যাবে।(আবু ইয়ালা)
১২- জাহান্নামীর মাথার উপর এ পরিমাণ গরম পানি ঢালা হবে,যা তার মাথা ছিদ্র করে পেটে গিয়ে পৌঁছবে এবং পেটে যা কিছু আছে তা বের করে কেটে ফেলবে এবং এগুলো পিঠ দিয়ে বের হয়ে পায়ে গিয়ে পড়বে। (আহমদ)
১৩- কাফেরকে জাহান্নামে এত কঠিনভাবে আঘাত করা হবে যেমন বর্শার ফলাকে তার হাতলে মজবুতভাবে লাগানো হয়।
১৪- জাহান্নামের আগুন গাঢ় কাল বর্ণের।(মালেক)
১৫- জাহান্নামীদের সউদ নামক আগুনের পাহাড়ে আরোহণ করতে সত্তর বছর সময় লাগবে। আবার যখন তারা সেখান থেকে অবতরণ করবে তখন তাদেরকে আবার সেখনে আরোহণ করতে বলা হবে। (আবু ইয়ালা)
১৬- জাহান্নামীদেরকে শাস্তি দেয়ার জন্য আগুনের গুর্জ এত ভারি হবে যে জ্বিন ও ইনসান মিলে তাকে উঠাতে চাইলে ও উঠাতে পারবে না। (আবু ইয়ালা)
১৭- জাহান্নামের সাপ উটের সমান হবে আর তা এক বার ধ্বংশন করলে,চল্লিশ বছর পর্যন্ত জাহান্নামী তার ব্যাথা অনুভব করবে। (আহমদ)
১৮- জাহান্নামের বিচ্ছু খচ্চরের সমান হবে,তার ধ্বংশনের ব্যাথা কাফের চল্লিশ বছর পর্যন্ত অনুভব করতে থাকবে।(আহমদ)
১৯- জাহান্নামীদেরকে জাহান্নামে উপুড় করে হাটানো হবে।(মুসলিম)
২০- জাহান্নামীদেরকে শাস্তি দেয়ার জন্য জাহান্নামের দরজায় চার লাখ ফেরেশ্তা থাকবে,যাদের চেহারা অত্যন্ত ভয়ানক ও কাল হবে।তাদের দাঁতগুলো বাহিরে বেরিয়ে থাকবে,আর তারা হবে অত্যন্ত নির্দয়,আর তাদের শরীর এত বিশাল হবে,যে কোন প্রাণীর তা অতিক্রম করতে দু’মাস সময় লাগবে।(ইবনে কাসীর)
এ হল অত্যন্ত বেদনাদায়ক ব্যথাতুর শাস্তির স্থান যাকে কোরআ’ন ও হাদীসে জাহান্নাম বলে উল্লেখ করা হয়েছে,আল্লাহ্ তা’লা আমাদের মাঝের সমস্ত মুসলমানকে স্বীয় দয়া ও অনুগ্রহের মাধ্যমে তা থেকে হেফাজত করে,তিনি অত্যন্ত দয়ালু ও ক্ষমাশীল। তিনি যা চান তা করতে তিনি সক্ষম।
১- জাহান্নাম দেখামাত্রই কাফেরদের চেহারা কাল হয়ে যাবে। (সূরা ইউনুস- ২৭)
২- জাহান্নামী শাস্থিতে অস্থির হয়ে মৃত্যু কামনা করবে,কিন্তু তাদের মৃত্যু হবে না। (সূরা ফুরকান- ১৩)
৩ - জাহান্নামের আগুন জাহান্নামীদের চেহারার গোসত বিদগ্ধ করবে এবং তাদের জিহ্বা বের হয়ে আসবে।
৪- অতপর সে সেখানে(জাহান্নামে) মরবেও না বাঁচবেও না।(সূরা আ’লা -১৩)
৫- জাহান্নামের আগুন মানুষের হৃদয়কে গ্রাস করবে।
৬- জাহান্নাম তার অধিবাসীদেরকে পরিবেষ্টন করে রাখবে।
৭- জাহান্নামে থাকবে তার অধিবাসীদের আর্তনাদ,ফলে তারা কিছুই শুনতে পাবে না। (সূরা আম্বীয়া- ১০০)
৮- জাহান্নামীদেরকে খাবার হিসেবে দেয়া হবে কাটাদার যাক্কুম বৃক্ষ এবং দুর্গন্ধময় বৃক্ষের খাদ্য। (সূরা দুখান ৪৩)
৯- জাহান্নামীদের শরীর থেকে নির্গত রক্ত এবং কাশি ও গরম পানি হবে তাদের পানীয়। (সূরা ইবরাহিম- ১৬,১৭)
১০- জাহান্নামীদেরকে আগুনের পোশাক পরানো হবে।
১১- জাহান্নামীদের হাত ও পা শৃংখলিত করা হবে,আর অগ্নি আচ্ছন্ন করবে তাদের মুখমন্ডল।(সূরা ইবরাহিম -৪৯,৫০)
১২- জাহান্নামীদের জন্য থাকবে আগুনের উড়না ও বিছানা। (সূরা আ’রাফ)
১৩- জাহান্নামীদের জন্য থাকবে আগুনের ছাতি ও আগুনের কার্পেট। (সূরা- সূরা যুমার -১৬)
১৪- জাহান্নামীদের জন্য আগুনের পানীয়। (সূরা কাহাফ- ২৯)
১৫- জাহান্নামীদের গলদেশে থাকবে আগুনের বেড়ি। (সূরা হাক্কা- ৩০)
১৬- জাহান্নামীদের পায়ে থাকবে ভারী বেড়ি।(সূরা মুয্যাম্মিল ১২)
১৭- জাহান্নামীদেরকে বিষাক্ত গরম হাওয়া ও বিষাক্ত গরম ধুয়া দিয়ে আযাব দেয়া হবে।(সূরা ওয়াকিয়া- ৪১,৪৪)
১৮- জাহান্নামীদেরকে উপুড় করে টেনে নিয়ে যাওয়া হবে জাহান্নামে।(সূরা কামার- ৪৮)
১৯- জাহান্নামীদেরকে‘সাউদ’নামক আগুনের পাহাড়ে চড়ানোর মাধ্যমে শাস্তি দেয়া হবে। (সূরা মুদ্দাস্সসির- ১৭)
২০- জাহান্নামীদরকে লোহার হাতুড়ি ও গুর্জদিয়ে আঘাত করা হবে। (সূরা হাজ্জ - ২১)
নোটঃ উপরে উল্লেখিত আয়াত সমূহে হুবহু আয়াতের তরজমা দেয়া হয়নি, বরং তার ভাবার্থ পেশ করা হয়েছে।
জাহান্নাম সম্পর্কে কোরআ'নের উদ্ধৃতির পর কিছু হাদীসের উদ্ধৃতি নিন্ম রূপঃ
১- জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত একটি পাথর সত্তর বছর পর তার নিন্মস্তরে গিয়ে পৌঁছবে। (মুসলিম)
২- জাহান্নামের একটি ঘেরাউয়ের দু’টি দেয়ালের মাঝে চল্লিশ বছরের রাস্তার দূরত্ব।(আবু ইয়ালা)
৩- জাহান্নামকে হাশরের মাঠে আনতে চারশ নব্বই কোটি ফেরেশ্তা লাগবে।(মুসলিম)
৪ - জাহান্নামের সবচেয়ে হালকা শাস্তি হবে এই যে,আগুনের একজোড়া সেন্ডেল পরিয়ে দেয়া হবে,যার ফলে জাহান্নামীর মস্তিষ্ক গলে গলে পড়তে থাকবে। (মুসলিম)
৫- জাহান্নামীর একটি দাঁত উহুদ পাহাড়ের চেয়েও বড় হবে। (মুসলিম)
৬- জাহান্নামীর দু’কাধেঁর মাঝে কোন দ্রুতগামী আশ্বারোহির তিন দিন চলার পথ সম দূরত্ব হবে। (মুসলিম)
৭- জাহান্নামীর শরীরের চামড়া ৬৩ ফিট মোটা হবে।( তিরমিযী)
৮ - পৃথিবীতে অহংকার কারীদেরকে ঠোট বরাবর শরীর দেয়া হবে।( তিরমিযী)
৯ - জাহান্নামী এত অশ্র“ প্রবাহিত করবে,যে তাতে অনায়েসে নৌকা চলতে পারবে। (মোস্তাদরাক হাকেম)
১০- জাহান্নামীদেরকে পরিবেশনকৃত খাবারের এক টুকরা পৃথিবীতে নিক্ষেপ করা হলে, সমগ্র পৃথিবীর প্রাণীসমূহের জীবন যাপনের ব্যবস্থাপনা নষ্ট হয়ে যাবে। (আহমদ,তিরমিযী, নাসায়ী, ইবনে মাজা)
১১- জাহান্নামীদের পানীয় থেকে কয়েক লিটার পৃথিবীতে নিক্ষেপ করা হলে,তার দুরগন্ধ সমগ্র পৃথিবীর সৃষ্টি জীবের নিকট ছড়িয়ে যাবে।(আবু ইয়ালা)
১২- জাহান্নামীর মাথার উপর এ পরিমাণ গরম পানি ঢালা হবে,যা তার মাথা ছিদ্র করে পেটে গিয়ে পৌঁছবে এবং পেটে যা কিছু আছে তা বের করে কেটে ফেলবে এবং এগুলো পিঠ দিয়ে বের হয়ে পায়ে গিয়ে পড়বে। (আহমদ)
১৩- কাফেরকে জাহান্নামে এত কঠিনভাবে আঘাত করা হবে যেমন বর্শার ফলাকে তার হাতলে মজবুতভাবে লাগানো হয়।
১৪- জাহান্নামের আগুন গাঢ় কাল বর্ণের।(মালেক)
১৫- জাহান্নামীদের সউদ নামক আগুনের পাহাড়ে আরোহণ করতে সত্তর বছর সময় লাগবে। আবার যখন তারা সেখান থেকে অবতরণ করবে তখন তাদেরকে আবার সেখনে আরোহণ করতে বলা হবে। (আবু ইয়ালা)
১৬- জাহান্নামীদেরকে শাস্তি দেয়ার জন্য আগুনের গুর্জ এত ভারি হবে যে জ্বিন ও ইনসান মিলে তাকে উঠাতে চাইলে ও উঠাতে পারবে না। (আবু ইয়ালা)
১৭- জাহান্নামের সাপ উটের সমান হবে আর তা এক বার ধ্বংশন করলে,চল্লিশ বছর পর্যন্ত জাহান্নামী তার ব্যাথা অনুভব করবে। (আহমদ)
১৮- জাহান্নামের বিচ্ছু খচ্চরের সমান হবে,তার ধ্বংশনের ব্যাথা কাফের চল্লিশ বছর পর্যন্ত অনুভব করতে থাকবে।(আহমদ)
১৯- জাহান্নামীদেরকে জাহান্নামে উপুড় করে হাটানো হবে।(মুসলিম)
২০- জাহান্নামীদেরকে শাস্তি দেয়ার জন্য জাহান্নামের দরজায় চার লাখ ফেরেশ্তা থাকবে,যাদের চেহারা অত্যন্ত ভয়ানক ও কাল হবে।তাদের দাঁতগুলো বাহিরে বেরিয়ে থাকবে,আর তারা হবে অত্যন্ত নির্দয়,আর তাদের শরীর এত বিশাল হবে,যে কোন প্রাণীর তা অতিক্রম করতে দু’মাস সময় লাগবে।(ইবনে কাসীর)
এ হল অত্যন্ত বেদনাদায়ক ব্যথাতুর শাস্তির স্থান যাকে কোরআ’ন ও হাদীসে জাহান্নাম বলে উল্লেখ করা হয়েছে,আল্লাহ্ তা’লা আমাদের মাঝের সমস্ত মুসলমানকে স্বীয় দয়া ও অনুগ্রহের মাধ্যমে তা থেকে হেফাজত করে,তিনি অত্যন্ত দয়ালু ও ক্ষমাশীল। তিনি যা চান তা করতে তিনি সক্ষম।
No comments:
Post a Comment