Monday, December 15, 2014

বন্ধু এবং সঙ্গী নির্বাচনে যেসব বিষয় আমাদের মাথায় রাখা উচিতঃ



বন্ধু এবং সঙ্গী নির্বাচনে যেসব বিষয় আমাদের মাথায় রাখা উচিতঃ

(১) আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, মানুষ তার বন্ধুর দ্বীনের অনুসারী হয়ে থাকে। অতএব, তোমাদের কেউ বন্ধু নির্বাচন করার পূর্বে লক্ষ করা উচিত,সে কার সাথে বন্ধুত্ব করছে।(মুসনাদে আহমাদ থেকে মিশকাতে)

(২) আবু সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত , তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছেন, ইমানদার ব্যক্তিকেই বন্ধু হিসেবে গ্রহণ কর এবং খোদাভীরু লোকদের তোমরা খাদ্য খাওয়াও। (তিরমিযি থেকে মিশকাতে)

(৩) আবু মূসা আশআরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছন, সৎ সঙ্গী এবং অসৎ সঙ্গীর দৃষ্টান্ত হচ্ছে সুগন্ধি বহনকারী ও লোহার হাপর চালনাকারীর অনুরূপ। সুগন্ধির বাহক হয় তোমাকে কিছু দেবে, অথবা তুমি তার কাছ থেকে কিছু ক্রয় করবে অথবা তার সুগ্রাণ পাবে। পক্ষান্তরে হাপর চালনাকারী হয় তোমার কাপড় জ্বালিয়ে দেবে অথবা তুমি দুর্গন্ধের সম্মুখীন হবে।(বুখারী ও মুসলিম থেকে মিশকাতে)

(৪) আসলাম (রঃ) হতে বর্ণিত উমর (রঃ) বলেন, তোমার ভালবাসা যেন উন্মাদনার রূপ ধারণ না করে এবং তোমার শত্রুতা যেন উৎপীড়নের সীমায় না পোছায়। আমি (আসলাম) বললাম, তা কীভাবে? তিনি বললেন, তুমি কাউকে ভালবাসলে এবং অর্বাচীনের মত আচরণ করলে এবং কারও উপর অসন্তুষ্ট হয়ে তার জান মাল পর্যন্ত ধ্বংস হওয়ার কামনা করলে।(আল-আবাদুল মুফরাদ)

(৫) উবায়েদ আল-কিন্দী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আলি (রাঃ) কে বলতে শুনেছিঃ তোমার বন্ধুর সাথে বন্ধুত্বের ক্ষেত্রে নম্রতা (মধ্যম পন্থা) অবলম্বন কর। হয়ত কখনও সে তোমার শত্রু হয়ে যেতে পারে । অনুরুপভাবে, শত্রুর সাথে শত্রুতা পোষণের ক্ষেত্রে নম্রতা (ভারসাম্য) বজায় রাখ। হয়ত একদিন সে তোমার হিতৈষী বন্ধু হয়ে যেতে পারে। (আল-আদাবুল মুফরাদ)। আসুন কোরআন দিয়ে জীবন গড়ি

বন্ধু এবং সঙ্গী নির্বাচনে যেসব বিষয় আমাদের মাথায় রাখা উচিতঃ
(১) আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, মানুষ তার বন্ধুর দ্বীনের অনুসারী হয়ে থাকে। অতএব, তোমাদের কেউ বন্ধু নির্বাচন করার পূর্বে লক্ষ করা উচিত,সে কার সাথে বন্ধুত্ব করছে।(মুসনাদে আহমাদ থেকে মিশকাতে)
(২) আবু সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত , তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছেন, ইমানদার ব্যক্তিকেই বন্ধু হিসেবে গ্রহণ কর এবং খোদাভীরু লোকদের তোমরা খাদ্য খাওয়াও। (তিরমিযি থেকে মিশকাতে)
(৩) আবু মূসা আশআরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছন, সৎ সঙ্গী এবং অসৎ সঙ্গীর দৃষ্টান্ত হচ্ছে সুগন্ধি বহনকারী ও লোহার হাপর চালনাকারীর অনুরূপ। সুগন্ধির বাহক হয় তোমাকে কিছু দেবে, অথবা তুমি তার কাছ থেকে কিছু ক্রয় করবে অথবা তার সুগ্রাণ পাবে। পক্ষান্তরে হাপর চালনাকারী হয় তোমার কাপড় জ্বালিয়ে দেবে অথবা তুমি দুর্গন্ধের সম্মুখীন হবে।(বুখারী ও মুসলিম থেকে মিশকাতে)
(৪) আসলাম (রঃ) হতে বর্ণিত উমর (রঃ) বলেন, তোমার ভালবাসা যেন উন্মাদনার রূপ ধারণ না করে এবং তোমার শত্রুতা যেন উৎপীড়নের সীমায় না পোছায়। আমি (আসলাম) বললাম, তা কীভাবে? তিনি বললেন, তুমি কাউকে ভালবাসলে এবং অর্বাচীনের মত আচরণ করলে এবং কারও উপর অসন্তুষ্ট হয়ে তার জান মাল পর্যন্ত ধ্বংস হওয়ার কামনা করলে।(আল-আবাদুল মুফরাদ)
(৫) উবায়েদ আল-কিন্দী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আলি (রাঃ) কে বলতে শুনেছিঃ তোমার বন্ধুর সাথে বন্ধুত্বের ক্ষেত্রে নম্রতা (মধ্যম পন্থা) অবলম্বন কর। হয়ত কখনও সে তোমার শত্রু হয়ে যেতে পারে । অনুরুপভাবে, শত্রুর সাথে শত্রুতা পোষণের ক্ষেত্রে নম্রতা (ভারসাম্য) বজায় রাখ। হয়ত একদিন সে তোমার হিতৈষী বন্ধু হয়ে যেতে পারে। (আল-আদাবুল মুফরাদ)।

No comments:

Post a Comment