Saturday, March 7, 2015

মহিলাদের মসজিদে সালাত আদায় করা:



'‎মহিলাদের মসজিদে সালাত আদায় করা:
বিশুদ্ধে হাদিসসমূহে বর্ণিত যে, মহিলাদের জন্য তাদের ঘরে সালাত আদায় করাই উত্তম। যদি তাদের ঘর থেকে বের হওয়াতে কোন প্রকার ফিতনার আশঙ্কা না থাকে এবং তারা এমন সাজ-সজ্জা গ্রহণ না করে, যা ফিতনার দিকে তাদের নিয়ে যায়- যেমন খুশবু ব্যবহার করা, বে-পর্দা হওয়া, সৌন্দর্য প্রকাশ করা ইত্যাদি, তাহলে, পুরুষদের ওপর ওয়াজিব হল, তাদের সালাতের জামা‘আতে মসজিদে যাওয়ার জন্য অনুমতি দেয়া এবং তাদের নিষেধ না করা। যদি এ ধরনের কোন খারাবী পাওয়া যায় বা আশঙ্কা থাকে, তাহলে তাদের ওপর অনুমতি দেয়া ওয়াজিব নয়। তাদের জন্য বের হওয়াও উচিত নয়। তাদের জন্য বের হওয়া হারাম। এ বিষয়ে হাদিসসমূহ নিম্নরূপ:
প্রথম হাদিস: আব্দুল্লাহ বিন ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
« إذا استأذنت أحدكم امرأته إلى المسجد فلا يمنعها »
“যখন তোমাদের কোন নারী তোমাদের নিকট মসজিদে যাওয়ার অনুমতি চায়, তোমরা তাদের নিষেধ করো না”। মুসলিমে শরিফে বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
« لا تمنعوا إماء الله مساجد الله »
তোমরা আল্লাহর বান্দীদের মসজিদে গমনে নিষেধ করো না।[103] আর আবু দাউদে বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
« لا تمنعوا نساءكم مساجد الله وبيوتهن خيرٌ لهن »
“তোমরা তোমাদের নারীদের আল্লাহর মসজিদসমূহে যাওয়া হতে নিষেধ করো না। আর তাদের জন্য তাদের ঘর উত্তম”।[104]
দ্বিতীয় হাদিস: জয়নব আস-সাকাফী রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,
« إذا شَهِدَتْ إحداكُنَّ العشاء فلا تطيَّب تلك الليلة »
“যখন কোন মহিলা এশার সালাতে উপস্থিত হতে চায়, সে ঐ রাত্রিতে সু-গন্ধি লাগাবে না”। অপর শব্দে বর্ণিত, « إذا شهدت إحداكن المسجد فلا تمسّ طيباً » “যখন তোমাদের কেউ মসজিদে উপস্থিত হয়, সে যেন খোশবু স্পর্শ না করে”। [105]
তিন নং হাদিস: আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«أيما امرأة أصابت بخوراً فلا تشهد معنا العشاء الآخرة »
“যে মহিলা বখুর গ্রহণ করে, সে যেন আমাদের সাথে এশার সালাতে উপস্থিত না হয়”।[106]
চতুর্থ হাদিস: আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«لا تمنعوا إماء الله مساجد الله، ولكن ليخرجن وهن تَفِلات »
“তোমরা তোমাদের নারীদের আল্লাহর মসজিদসমূহে যাওয়া হতে বারণ করো না। তবে তারা যেন খোশবু ছাড়া বের হয়”[107]।
পঞ্চম হাদিস: আব্দুল্লাহ ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«صلاة المرأة في بيتها أفضل من صلاتها في حجرتها وصلاتها في مَخْدعها أفضل من صلاتها في بيتها »
“মহিলাদের ঘরে সালাত আদায় করা, বারান্দায় সালাত আদায় করা হতে উত্তম। আর মহিলাদের খাস কামরায় সালাত আদায় করা, ঘরে সালাত আদায় করা হতে উত্তম। [108] এ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত হয়, একজন নারীর জন্য সে যে ঘরে বসবাস করে, সেখানে সালাত আদায় করার সাওয়াব বেশি ঘরের সম্মুখ কামরায় সালাত আদায় করা হতে। কারণ, সম্মুখ কামরা পর্দার দিক দিয়ে দুর্বল হয়ে থাকে ভিতরের কামরা হতে। আর ঘরের ভিতরে বড় কামরা অন্তর্গত বিশেষ কামরায় সালাত আদায় করা ভিতরের কামরায় সালাত আদায় করে হতে উত্তম। কারণ, মহিলাদের জন্য সালাত আদায়ের স্থানের ভিত্তি হল, পর্দা। সুতরাং, পর্দা যত বেশি হবে, সালাত তাতে উত্তম হবে [109]। 
ষষ্ট হাদিস: আব্দুল্লাহ বিন ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
« لو تركنا هذا الباب للنساء » قال نافع: فلم يدخل منه ابن عمر حتى مات.
“আমরা যদি এ দরজাটিকে মহিলাদের জন্য ছেড়ে দেই”, [তাহলে ভালো হত]। নাফে‘ রাহিমাহুল্লাহু বলেন, “মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এ দরজা দিয়ে প্রবেশ করেননি”।[110] অর্থাৎ, যদি আমরা এ দরজাকে মহিলাদের জন্য ছেড়ে দেই, তা উত্তম হত। যাতে মহিলারা সালাতের জামা‘আতে উপস্থিত হলে, মসজিদে প্রবেশ করা ও বের হওয়ার সময় পুরুষদের সাথে মিশতে না হয়। সুতরাং উচিত হল, মসজিদ সমূহে মহিলাদের জন্য মসজিদে প্রবেশ করা ও বাহির হওয়ার জন্য বিশেষ দরজার ব্যবস্থা রাখা। যাতে তারা মসজিদের প্রবেশ করতে পারে এবং তা হতে বের হতে পারে। তবে শর্ত হল, কোন ফিতনার আশঙ্কা না থাকতে হবে। অন্যথায় তাদের মসজিদে আসতে নিষেধ করাই শ্রেয়। [111] 
ইমাম নববী রাহিমাহুল্লাহু বলেন, হাদিসগুলো এ বিষয়ে স্পষ্ট যে, মহিলাদের মসজিদে গমনে নিষেধ করা হবে না। তবে কতগুলো শর্ত আছে, যেগুলো আলেমগণ হাদিস থেকে বের করে উল্লেখ করেছেন। আর সে গুলো হল, যে সব মহিলা সালাতের জামা‘আতে উপস্থিত হবে তারা সুগন্ধি লাগাবে না, সাজ-সজ্জা অবলম্বন করবে না, আর আওয়াজ বিশিষ্ট কোন অলংকার পরিধান করবেনা, পুরুষদের সাথে মিশবে না, এমন যুবতী হবে না যার বের হওয়ার কারণে ফিতনার আশংকা থাকে এবং রাস্তায় কোন ফিতনার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়। [112] 
[103] বুখারি ও মুসলিম: বুখারি নিকাহ অধ্যায়, স্ত্রী স্বামীর নিকট মসজিদে গমনের অনুমতি প্রসঙ্গে আলোচনা। হাদিস নং ৫২৩৮। মুসলিম, সালাত অধ্যায়, পরিচ্ছেদ: মহিলাদের মসজিদে গমনের বিধান, হাদিস নং ৪৪২।
[104] আবু দাউদ, কিতাবুস সালাত, মহিলাদের মসজিদে গমনের বিধান, হাদিস নং ৪৪২। আল্লামা আলবানী হাদিসটিকে বিশুদ্ধ সূনানে আবু দাউদে হাদিসটিকে সহীহ বলে আখ্যায়িত করেন। হাদিস নং ১১৩/১।
[105] মুসলিম, সালাত অধ্যায়, পরিচ্ছেদ: মহিলাদের মসজিদে গমনের বিধান, হাদিস নং ৪৪৩।
[106] মুসলিম, সালাত অধ্যায়, পরিচ্ছেদ: মহিলাদের মসজিদে গমনের বিধান, হাদিস নং ৪৪৪।
[107] আবু দাউদ, কিতাবুস সালাত, মহিলাদের মসজিদে গমনের বিধান, হাদিস নং ৫৬৫। আহমদ ৪৩৮/২, আল্লামা আলবানী হাদিসটিকে সহীহ সূনানে আবু দাউদে হাসান সহীহ বলে আখ্যায়িত করেন। হাদিস নং ১১৩/১।
[108] আবু দাউদ, কিতাবুস সালাত, এ বিষয়ে কঠোরতা করা প্রসঙ্গে, হাদিস নং ৫৭০। আল্লামা আলবানী সহীহ সূনানে আবু দাউদে হাদিসটিকে সহীহ বলে আখ্যায়িত করেন। হাদিস নং ১১৪/১।
[109] আল্লামা সাবকী রাহিমাহুল্লাহু এর আল মিনহাল আল আযবুল মাওরুদ, শরহু সূনানে আবু দাউদ। ২৭০/৪
[110] আবু দাউদ, কিতাবুস সালাত, মহিলাদের মসজিদে পুরুষদের থেকে দূরে রাখা হাদিস নং ৪৬২ এবং এ বিষয়ে কঠোরতা করা প্রসঙ্গে, হাদিস নং ৫৭১। আল্লামা আলবানী হাদিসটিকে বিশুদ্ধ সূনানে আবু দাউদে হাদিসটিকে সহীহ বলে আখ্যায়িত করেন। হাদিস নং ১১৪/১।
[111] আল্লামা সাবকী রাহিমাহুল্লাহু এর আল মিনহাল আল আযবুল মাওরুদ, শরহু সূনানে আবু দাউদ। ৭০/৪ এবং আওনুল মা’বুদ। ২৭৭/২।
[112] ইমাম নববীর মুসলিম শরীফের ব্যাখ্যা, ৪০৬/৪।‎'

মহিলাদের মসজিদে সালাত আদায় করা:
বিশুদ্ধে হাদিসসমূহে বর্ণিত যে, মহিলাদের জন্য তাদের ঘরে সালাত আদায় করাই উত্তম। যদি তাদের ঘর থেকে বের হওয়াতে কোন প্রকার ফিতনার আশঙ্কা না থাকে এবং তারা এমন সাজ-সজ্জা গ্রহণ না করে, যা ফিতনার দিকে তাদের নিয়ে যায়- যেমন খুশবু ব্যবহার করা, বে-পর্দা হওয়া, সৌন্দর্য প্রকাশ করা ইত্যাদি, তাহলে, পুরুষদের ওপর ওয়াজিব হল, তাদের সালাতের জামা‘আতে মসজিদে যাওয়ার জন্য অনুমতি দেয়া এবং তাদের নিষেধ না করা। যদি এ ধরনের কোন খারাবী পাওয়া যায় বা আশঙ্কা থাকে, তাহলে তাদের ওপর অনুমতি দেয়া ওয়াজিব নয়। তাদের জন্য বের হওয়াও উচিত নয়। তাদের জন্য বের হওয়া হারাম। এ বিষয়ে হাদিসসমূহ নিম্নরূপ:
প্রথম হাদিস: আব্দুল্লাহ বিন ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
« إذا استأذنت أحدكم امرأته إلى المسجد فلا يمنعها »
“যখন তোমাদের কোন নারী তোমাদের নিকট মসজিদে যাওয়ার অনুমতি চায়, তোমরা তাদের নিষেধ করো না”। মুসলিমে শরিফে বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
« لا تمنعوا إماء الله مساجد الله »
তোমরা আল্লাহর বান্দীদের মসজিদে গমনে নিষেধ করো না।[103] আর আবু দাউদে বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
« لا تمنعوا نساءكم مساجد الله وبيوتهن خيرٌ لهن »
“তোমরা তোমাদের নারীদের আল্লাহর মসজিদসমূহে যাওয়া হতে নিষেধ করো না। আর তাদের জন্য তাদের ঘর উত্তম”।[104]
দ্বিতীয় হাদিস: জয়নব আস-সাকাফী রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,
« إذا شَهِدَتْ إحداكُنَّ العشاء فلا تطيَّب تلك الليلة »
“যখন কোন মহিলা এশার সালাতে উপস্থিত হতে চায়, সে ঐ রাত্রিতে সু-গন্ধি লাগাবে না”। অপর শব্দে বর্ণিত, « إذا شهدت إحداكن المسجد فلا تمسّ طيباً » “যখন তোমাদের কেউ মসজিদে উপস্থিত হয়, সে যেন খোশবু স্পর্শ না করে”। [105]
তিন নং হাদিস: আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«أيما امرأة أصابت بخوراً فلا تشهد معنا العشاء الآخرة »
“যে মহিলা বখুর গ্রহণ করে, সে যেন আমাদের সাথে এশার সালাতে উপস্থিত না হয়”।[106]
চতুর্থ হাদিস: আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«لا تمنعوا إماء الله مساجد الله، ولكن ليخرجن وهن تَفِلات »
“তোমরা তোমাদের নারীদের আল্লাহর মসজিদসমূহে যাওয়া হতে বারণ করো না। তবে তারা যেন খোশবু ছাড়া বের হয়”[107]।
পঞ্চম হাদিস: আব্দুল্লাহ ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«صلاة المرأة في بيتها أفضل من صلاتها في حجرتها وصلاتها في مَخْدعها أفضل من صلاتها في بيتها »
“মহিলাদের ঘরে সালাত আদায় করা, বারান্দায় সালাত আদায় করা হতে উত্তম। আর মহিলাদের খাস কামরায় সালাত আদায় করা, ঘরে সালাত আদায় করা হতে উত্তম। [108] এ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত হয়, একজন নারীর জন্য সে যে ঘরে বসবাস করে, সেখানে সালাত আদায় করার সাওয়াব বেশি ঘরের সম্মুখ কামরায় সালাত আদায় করা হতে। কারণ, সম্মুখ কামরা পর্দার দিক দিয়ে দুর্বল হয়ে থাকে ভিতরের কামরা হতে। আর ঘরের ভিতরে বড় কামরা অন্তর্গত বিশেষ কামরায় সালাত আদায় করা ভিতরের কামরায় সালাত আদায় করে হতে উত্তম। কারণ, মহিলাদের জন্য সালাত আদায়ের স্থানের ভিত্তি হল, পর্দা। সুতরাং, পর্দা যত বেশি হবে, সালাত তাতে উত্তম হবে [109]। 
ষষ্ট হাদিস: আব্দুল্লাহ বিন ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
« لو تركنا هذا الباب للنساء » قال نافع: فلم يدخل منه ابن عمر حتى مات.
“আমরা যদি এ দরজাটিকে মহিলাদের জন্য ছেড়ে দেই”, [তাহলে ভালো হত]। নাফে‘ রাহিমাহুল্লাহু বলেন, “মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এ দরজা দিয়ে প্রবেশ করেননি”।[110] অর্থাৎ, যদি আমরা এ দরজাকে মহিলাদের জন্য ছেড়ে দেই, তা উত্তম হত। যাতে মহিলারা সালাতের জামা‘আতে উপস্থিত হলে, মসজিদে প্রবেশ করা ও বের হওয়ার সময় পুরুষদের সাথে মিশতে না হয়। সুতরাং উচিত হল, মসজিদ সমূহে মহিলাদের জন্য মসজিদে প্রবেশ করা ও বাহির হওয়ার জন্য বিশেষ দরজার ব্যবস্থা রাখা। যাতে তারা মসজিদের প্রবেশ করতে পারে এবং তা হতে বের হতে পারে। তবে শর্ত হল, কোন ফিতনার আশঙ্কা না থাকতে হবে। অন্যথায় তাদের মসজিদে আসতে নিষেধ করাই শ্রেয়। [111] 
ইমাম নববী রাহিমাহুল্লাহু বলেন, হাদিসগুলো এ বিষয়ে স্পষ্ট যে, মহিলাদের মসজিদে গমনে নিষেধ করা হবে না। তবে কতগুলো শর্ত আছে, যেগুলো আলেমগণ হাদিস থেকে বের করে উল্লেখ করেছেন। আর সে গুলো হল, যে সব মহিলা সালাতের জামা‘আতে উপস্থিত হবে তারা সুগন্ধি লাগাবে না, সাজ-সজ্জা অবলম্বন করবে না, আর আওয়াজ বিশিষ্ট কোন অলংকার পরিধান করবেনা, পুরুষদের সাথে মিশবে না, এমন যুবতী হবে না যার বের হওয়ার কারণে ফিতনার আশংকা থাকে এবং রাস্তায় কোন ফিতনার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়। [112] 
[103] বুখারি ও মুসলিম: বুখারি নিকাহ অধ্যায়, স্ত্রী স্বামীর নিকট মসজিদে গমনের অনুমতি প্রসঙ্গে আলোচনা। হাদিস নং ৫২৩৮। মুসলিম, সালাত অধ্যায়, পরিচ্ছেদ: মহিলাদের মসজিদে গমনের বিধান, হাদিস নং ৪৪২।
[104] আবু দাউদ, কিতাবুস সালাত, মহিলাদের মসজিদে গমনের বিধান, হাদিস নং ৪৪২। আল্লামা আলবানী হাদিসটিকে বিশুদ্ধ সূনানে আবু দাউদে হাদিসটিকে সহীহ বলে আখ্যায়িত করেন। হাদিস নং ১১৩/১।
[105] মুসলিম, সালাত অধ্যায়, পরিচ্ছেদ: মহিলাদের মসজিদে গমনের বিধান, হাদিস নং ৪৪৩।
[106] মুসলিম, সালাত অধ্যায়, পরিচ্ছেদ: মহিলাদের মসজিদে গমনের বিধান, হাদিস নং ৪৪৪।
[107] আবু দাউদ, কিতাবুস সালাত, মহিলাদের মসজিদে গমনের বিধান, হাদিস নং ৫৬৫। আহমদ ৪৩৮/২, আল্লামা আলবানী হাদিসটিকে সহীহ সূনানে আবু দাউদে হাসান সহীহ বলে আখ্যায়িত করেন। হাদিস নং ১১৩/১।
[108] আবু দাউদ, কিতাবুস সালাত, এ বিষয়ে কঠোরতা করা প্রসঙ্গে, হাদিস নং ৫৭০। আল্লামা আলবানী সহীহ সূনানে আবু দাউদে হাদিসটিকে সহীহ বলে আখ্যায়িত করেন। হাদিস নং ১১৪/১।
[109] আল্লামা সাবকী রাহিমাহুল্লাহু এর আল মিনহাল আল আযবুল মাওরুদ, শরহু সূনানে আবু দাউদ। ২৭০/৪
[110] আবু দাউদ, কিতাবুস সালাত, মহিলাদের মসজিদে পুরুষদের থেকে দূরে রাখা হাদিস নং ৪৬২ এবং এ বিষয়ে কঠোরতা করা প্রসঙ্গে, হাদিস নং ৫৭১। আল্লামা আলবানী হাদিসটিকে বিশুদ্ধ সূনানে আবু দাউদে হাদিসটিকে সহীহ বলে আখ্যায়িত করেন। হাদিস নং ১১৪/১।
[111] আল্লামা সাবকী রাহিমাহুল্লাহু এর আল মিনহাল আল আযবুল মাওরুদ, শরহু সূনানে আবু দাউদ। ৭০/৪ এবং আওনুল মা’বুদ। ২৭৭/২।
[112] ইমাম নববীর মুসলিম শরীফের ব্যাখ্যা, ৪০৬/৪।

No comments:

Post a Comment