Saturday, March 7, 2015

"যে পীরের ক্বলবে আমার আল্লাহ তা'য়ালা রয় সেই পীরকে সেজদা দিলে আল্লাহ নিজেই লয়।"



'"যে পীরের ক্বলবে আমার
আল্লাহ তা'য়ালা রয়
সেই পীরকে সেজদা দিলে
আল্লাহ নিজেই লয়।"
এ ছিল মারেফতের কাব্য। সে বহু উঁচু দরজা, বলিয়া বোঝানো যাইবে না। আমার কপালে এই মারেফতী পীরের দর্শন জুটিল বহু কাঠখড় পুড়িয়ে।
জায়গাটা চট্রগ্রামের পাথরঘাটা এলাকায়। বন্ধু মারফত জানলাম শনিবার পীর সাহেব দরবারে বসেন। এ দিন তিঁনি বয়ান করেন মুরিদানের উদ্দেশ্যে।
যথাসময়ে উপস্থিত ছিলাম পীর ছাহেবের দরবারে। বিশালাকৃতির ভুড়ি দুলিয়ে হুজুর দুই কোলবালিশের মিডলে নিজের নিতম্ব জোড়া ল্যান্ড করাইলেন।
দরবারে(ছোট্ট ঝুপড়ি ঘর) উপস্থিত প্রায় বিশ-পঁচিশজন পুরুষ-মহিলা একত্রে বসে আছে। দুজন কিশোরী ভক্ত জনাবের হাঁটু লতি পা টিপে দিচ্ছে।
এক পুরুষ ভক্ত এক বিশাল দড়ি নিয়ে হাজির। দড়ির একপ্রান্ত হুজুরের হস্তে এবং অপর প্রান্ত প্রত্যেক ভক্তকে আঁকড়ে ধরে রাখতে বলা হল। এভাবেই নাকি মুর্শিদের মুরিদ হয়। এই দড়ি পাকড়াও করেই কিনা এই হতভাগা মুরিদানেরা "পুল-সিরাত" পার হইবেক।
অতঃপর পীর সাহেব কেচ্ছা শুনাইলেন যে আদমকে সেজদা করতে না করায় যেমন ইবলিশ মুরতাদ হয়ে গেছে তেমনি নিজের পীরকে সেজদা না করলে আমরা হতভাগারাও মুরতাদ হয়ে যাব।
এরপরেই প্রায় সকল মুরিদানেরা পার্শ্বস্থ এক মুরিদের আদেশে পীর ছাহেবকে সেজদা করলেন। সামনের দুজন পায়ে চুমু খেলেন।
অতঃপর পীর ছাহেব উপরিউক্ত কবিতাটা আওড়ালেন। কবিতাটা পোস্টের প্রথম প্যারায় উল্লেখ করা আছে।
সেদিনকার মত বড় অঙ্কের বিনোদন নিয়ে চলে আসলাম। ভাবতেই অবাক লাগে সনাতন ধর্মের ন্যায় ইসলামের নামেও এসমস্ত কাফিরেরা পীর-মুরিদ ব্যাবসা চালায় আর সাধারণ মানুষ তা ইয়াকিন করে!
একটু উদাহরণ টানি সৌদি আরবের। ২০০৫ সালে দু'জন পাকিস্তানী ব্যাক্তির অণ্ডকোষ কেটে দেয়া হয়েছে কেবলমাত্র পীর-মুরিদ প্রথা প্রচারের চেষ্টায়। তাছাড়াও পীর-মুরিদ ভণ্ডামির দায়ে ২০০১ সালে এক ভারতীয় পীরের মুণ্ডুপাত করা হয়েছে সৌদিতে।
কিন্ত আমাদের সরকার বড়ই ধার্মিক। ত্যাঁনারা তাহাজ্জুদের সালাত আদায়ে এতটাই ব্যাগ্র থাকেন যে তাঁদের এসব দিকে তাকাইবার সময় হবারও কোন কারণ নাই। ওটা কিনা পীর-মুরিদের ধর্মীয় স্বাধীনতা।
যদিচ কুর'আনে আল্লাহ বলেন, "তোমরা তাঁর(আল্লাহ) সৃষ্টিকে সিজদা করো না, সিজদা কর কেবল আল্লাহকে- যিনি তাদের সৃষ্টি করেছেন।"(সূরা হা-মিম সিজদা অধ্যায়ঃ৪১ আয়াতঃ৩৭)।
তবুও কুর'আনে বললেই হল! যেখানে বাহাত্তরের সংবিধান প্রত্যেক নাগরিকের ধর্ম পালনের স্বাধীনতা দিয়েছে সেখানে সংবিধান লঙ্ঘনের পাপ করে কি নরকে যাব!'

"যে পীরের ক্বলবে আমার
আল্লাহ তা'য়ালা রয়
সেই পীরকে সেজদা দিলে
আল্লাহ নিজেই লয়।"
এ ছিল মারেফতের কাব্য। সে বহু উঁচু দরজা, বলিয়া বোঝানো যাইবে না। আমার কপালে এই মারেফতী পীরের দর্শন জুটিল বহু কাঠখড় পুড়িয়ে।
জায়গাটা চট্রগ্রামের পাথরঘাটা এলাকায়। বন্ধু মারফত জানলাম শনিবার পীর সাহেব দরবারে বসেন। এ দিন তিঁনি বয়ান করেন মুরিদানের উদ্দেশ্যে।
যথাসময়ে উপস্থিত ছিলাম পীর ছাহেবের দরবারে। বিশালাকৃতির ভুড়ি দুলিয়ে হুজুর দুই কোলবালিশের মিডলে নিজের নিতম্ব জোড়া ল্যান্ড করাইলেন।
দরবারে(ছোট্ট ঝুপড়ি ঘর) উপস্থিত প্রায় বিশ-পঁচিশজন পুরুষ-মহিলা একত্রে বসে আছে। দুজন কিশোরী ভক্ত জনাবের হাঁটু লতি পা টিপে দিচ্ছে।
এক পুরুষ ভক্ত এক বিশাল দড়ি নিয়ে হাজির। দড়ির একপ্রান্ত হুজুরের হস্তে এবং অপর প্রান্ত প্রত্যেক ভক্তকে আঁকড়ে ধরে রাখতে বলা হল। এভাবেই নাকি মুর্শিদের মুরিদ হয়। এই দড়ি পাকড়াও করেই কিনা এই হতভাগা মুরিদানেরা "পুল-সিরাত" পার হইবেক।
অতঃপর পীর সাহেব কেচ্ছা শুনাইলেন যে আদমকে সেজদা করতে না করায় যেমন ইবলিশ মুরতাদ হয়ে গেছে তেমনি নিজের পীরকে সেজদা না করলে আমরা হতভাগারাও মুরতাদ হয়ে যাব।
এরপরেই প্রায় সকল মুরিদানেরা পার্শ্বস্থ এক মুরিদের আদেশে পীর ছাহেবকে সেজদা করলেন। সামনের দুজন পায়ে চুমু খেলেন।
অতঃপর পীর ছাহেব উপরিউক্ত কবিতাটা আওড়ালেন। কবিতাটা পোস্টের প্রথম প্যারায় উল্লেখ করা আছে।
সেদিনকার মত বড় অঙ্কের বিনোদন নিয়ে চলে আসলাম। ভাবতেই অবাক লাগে সনাতন ধর্মের ন্যায় ইসলামের নামেও এসমস্ত কাফিরেরা পীর-মুরিদ ব্যাবসা চালায় আর সাধারণ মানুষ তা ইয়াকিন করে!
একটু উদাহরণ টানি সৌদি আরবের। ২০০৫ সালে দু'জন পাকিস্তানী ব্যাক্তির অণ্ডকোষ কেটে দেয়া হয়েছে কেবলমাত্র পীর-মুরিদ প্রথা প্রচারের চেষ্টায়। তাছাড়াও পীর-মুরিদ ভণ্ডামির দায়ে ২০০১ সালে এক ভারতীয় পীরের মুণ্ডুপাত করা হয়েছে সৌদিতে।
কিন্ত আমাদের সরকার বড়ই ধার্মিক। ত্যাঁনারা তাহাজ্জুদের সালাত আদায়ে এতটাই ব্যাগ্র থাকেন যে তাঁদের এসব দিকে তাকাইবার সময় হবারও কোন কারণ নাই। ওটা কিনা পীর-মুরিদের ধর্মীয় স্বাধীনতা।
যদিচ কুর'আনে আল্লাহ বলেন, "তোমরা তাঁর(আল্লাহ) সৃষ্টিকে সিজদা করো না, সিজদা কর কেবল আল্লাহকে- যিনি তাদের সৃষ্টি করেছেন।"(সূরা হা-মিম সিজদা অধ্যায়ঃ৪১ আয়াতঃ৩৭)।
তবুও কুর'আনে বললেই হল! যেখানে বাহাত্তরের সংবিধান প্রত্যেক নাগরিকের ধর্ম পালনের স্বাধীনতা দিয়েছে সেখানে সংবিধান লঙ্ঘনের পাপ করে কি নরকে যাব!

No comments:

Post a Comment