Saturday, March 7, 2015

জাহেলিয়াত ত্যাগ করে আবার গ্রহণ করবো?



'‎জাহেলিয়াত ত্যাগ করে আবার গ্রহণ করবো?
==============================
১৪০০ বছর আগের কথা। 

সেই সময় মক্কায় এমন পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েচ্ছিলো যে লোকেরা কারো সম্পর্কে যখনই জানতে পারতো যে, সে মুসলমান হয়েছে তখনই মরিয়া হয়ে তার পেছনে লেগে যেতো। দীর্ঘদিন পর্যন্ত তাকে কোনঠাসা করে রাখতো। না বাড়ীতে তাকে আরাম থাকতে দেয়া হতো, না মহল্লায় না জাতি গোষ্ঠীর মধ্যে। সে যেখানেই যেতো সেখানেই অশেষ ও বিরামহীন এক বিতর্ক শুরু হতো। এর উদ্দেশ্য হতো, জাহেলিয়াত বর্জন করে যে ব্যক্তি তার গন্ডীর বাইরে বের হয়ে গেছে, সে নবী ﷺ এর সাহচর্য ছেড়ে আবার জাহেলিয়াতের দিকেই ফিরে আসুক!

মহান আল্লাহ বলেন,
وَالَّذِينَ يُحَاجُّونَ فِي اللَّهِ مِن بَعْدِ مَا اسْتُجِيبَ لَهُ حُجَّتُهُمْ دَاحِضَةٌ عِندَ رَبِّهِمْ وَعَلَيْهِمْ غَضَبٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ شَدِيدٌ
-আল্লাহর আহবানে সাড়া দান করার পরে যারা (সাড়া দানকারীদের সাথে) আল্লাহর দীনের ব্যাপারে বিবাদ করে আল্লাহর কাছে তাদের যুক্তি ও আপত্তি বাতিল৷ তাদের ওপর আল্লাহর গযব, আর তাদের জন্য রয়েছে কঠিন আযাব৷
[আস শূরা ১৬]

বর্তমান সমাজের ধর্মের নামে গোড়ামী, ভন্ডামী, ভুল ব্যাখ্যা, দলে দলে বিভক্ত হওয়া প্রভৃতি জাহেলীয়াত হতে ফিরে আসার জন্য মানুষকে আহবান জানানোর পর এখনও ১৪০০ বছর আগের মতো শুনতে হয় -
ভাওতাবাজী ছাড়ো, ভন্ডামী ছেড়ে দাও, দালালী ছাড়ো, মাযহাব ছাড়া উপায় নাই, তুমি কি মাদ্রসায় পড়েছো? তুমি কি আলেম? বাংলায় হাদীস পড়ে আলেম সাজতে আসো? ইত্যাদি ইত্যাদি....!
হাসি পায় এদের এমন উদ্ভ্রান্ত প্রশ্ন দেখে!

তাদের প্রতি আমার প্রশ্নঃ যদি বাংলায় পড়া নিষেধ তা হলে বাংলা ভাষায় অনুবাদগুলো বের হয়েছে কেন?

পরিশেষ তাদের বলছি, যুক্তিসঙ্গত দলীল প্রমাণ দিয়ে কথা বুঝানোর যে দায়িত্ব আমাদের, তা আমরা পালন করবো। এখন অযথা ঝগড়া বিবাদ করে লাভ কি? আর মানুষ ঝগড়া বিবাদ করলেও আমি তা করতে রাজী নই!
সত্যিই আমি ঝগড়া-বিবাদ পছন্দ করি না!‎'

জাহেলিয়াত ত্যাগ করে আবার গ্রহণ করবো?
==============================
১৪০০ বছর আগের কথা।
সেই সময় মক্কায় এমন পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েচ্ছিলো যে লোকেরা কারো সম্পর্কে যখনই জানতে পারতো যে, সে মুসলমান হয়েছে তখনই মরিয়া হয়ে তার পেছনে লেগে যেতো। দীর্ঘদিন পর্যন্ত তাকে কোনঠাসা করে রাখতো। না বাড়ীতে তাকে আরাম থাকতে দেয়া হতো, না মহল্লায় না জাতি গোষ্ঠীর মধ্যে। সে যেখানেই যেতো সেখানেই অশেষ ও বিরামহীন এক বিতর্ক শুরু হতো। এর উদ্দেশ্য হতো, জাহেলিয়াত বর্জন করে যে ব্যক্তি তার গন্ডীর বাইরে বের হয়ে গেছে, সে নবী ﷺ এর সাহচর্য ছেড়ে আবার জাহেলিয়াতের দিকেই ফিরে আসুক!
মহান আল্লাহ বলেন,
وَالَّذِينَ يُحَاجُّونَ فِي اللَّهِ مِن بَعْدِ مَا اسْتُجِيبَ لَهُ حُجَّتُهُمْ دَاحِضَةٌ عِندَ رَبِّهِمْ وَعَلَيْهِمْ غَضَبٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ شَدِيدٌ
-আল্লাহর আহবানে সাড়া দান করার পরে যারা (সাড়া দানকারীদের সাথে) আল্লাহর দীনের ব্যাপারে বিবাদ করে আল্লাহর কাছে তাদের যুক্তি ও আপত্তি বাতিল৷ তাদের ওপর আল্লাহর গযব, আর তাদের জন্য রয়েছে কঠিন আযাব৷
[আস শূরা ১৬]
বর্তমান সমাজের ধর্মের নামে গোড়ামী, ভন্ডামী, ভুল ব্যাখ্যা, দলে দলে বিভক্ত হওয়া প্রভৃতি জাহেলীয়াত হতে ফিরে আসার জন্য মানুষকে আহবান জানানোর পর এখনও ১৪০০ বছর আগের মতো শুনতে হয় -
ভাওতাবাজী ছাড়ো, ভন্ডামী ছেড়ে দাও, দালালী ছাড়ো, মাযহাব ছাড়া উপায় নাই, তুমি কি মাদ্রসায় পড়েছো? তুমি কি আলেম? বাংলায় হাদীস পড়ে আলেম সাজতে আসো? ইত্যাদি ইত্যাদি....!
হাসি পায় এদের এমন উদ্ভ্রান্ত প্রশ্ন দেখে!
তাদের প্রতি আমার প্রশ্নঃ যদি বাংলায় পড়া নিষেধ তা হলে বাংলা ভাষায় অনুবাদগুলো বের হয়েছে কেন?
পরিশেষ তাদের বলছি, যুক্তিসঙ্গত দলীল প্রমাণ দিয়ে কথা বুঝানোর যে দায়িত্ব আমাদের, তা আমরা পালন করবো। এখন অযথা ঝগড়া বিবাদ করে লাভ কি? আর মানুষ ঝগড়া বিবাদ করলেও আমি তা করতে রাজী নই!
সত্যিই আমি ঝগড়া-বিবাদ পছন্দ করি না!

No comments:

Post a Comment