
আস সালামুয়ালাইকুম, আলহামদুলিল্লাহ,ওয়াস সালাতু ওয়াস সালামু আলা রসুলিল্লাহ।
-
রমজান মাসের ফরজ সিয়াম ছাড়া সহি হাদিসে যে সকল ফজিলত পূর্ণ নফল সিয়ামের দলিল পাওয়া যায়ঃ
১-শাওয়াল মাসের ৬টি সিয়ামঃ
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ-
‘‘যে ব্যক্তি রমযান মাসে ফরয সিয়াম পালন করল, অতঃপর শাওয়াল মাসেও আরো ৬ দিন সওম পালন করল সে ব্যক্তি যেন সারা বছর ধরে সিয়াম রাখল ।’’ (মুসলিম : ১১৬৪)
-
রমজান মাসের ফরজ সিয়াম ছাড়া সহি হাদিসে যে সকল ফজিলত পূর্ণ নফল সিয়ামের দলিল পাওয়া যায়ঃ
১-শাওয়াল মাসের ৬টি সিয়ামঃ
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ-
‘‘যে ব্যক্তি রমযান মাসে ফরয সিয়াম পালন করল, অতঃপর শাওয়াল মাসেও আরো ৬ দিন সওম পালন করল সে ব্যক্তি যেন সারা বছর ধরে সিয়াম রাখল ।’’ (মুসলিম : ১১৬৪)
২-যিলহাজ্জ মাসের প্রথম দশকের দিন গুলোতে সিয়ামঃ
এ দিন গুলোতে কৃত ইবাদতের ফযীলত সম্পর্কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ-
যিলহাজ্জ মাসের প্রথম দশ দিনের ইবাদত আল্লাহর কাছে কাছে এত বেশি প্রিয় ও মর্যাদাসম্পন্ন । এ
কথা শুনে সাহাবাগণ জিজ্ঞেস করলেন, ‘‘হে আল্লাহর রাসূল, আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করাও কি
এর সমকক্ষ হবে না ?’’
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তর করলেন, ‘‘না, তাও হবে না ।’’ তবে সে ব্যক্তি জিহাদে গিয়েছে, এ কাজে অর্থ ব্যয় করেছে, জীবন ও বিলিয়ে দিয়েছে (জান ও মাল সবকিছু বিসর্জন দিয়ে আল্লাহর কাছে চলে গেছে,) আর ফিরে আসতে পারেনি, অবশ্য তার পুরস্কার ভিন্ন । (আহমাদ : ১৯৬৯)
এ দিন গুলোতে কৃত ইবাদতের ফযীলত সম্পর্কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ-
যিলহাজ্জ মাসের প্রথম দশ দিনের ইবাদত আল্লাহর কাছে কাছে এত বেশি প্রিয় ও মর্যাদাসম্পন্ন । এ
কথা শুনে সাহাবাগণ জিজ্ঞেস করলেন, ‘‘হে আল্লাহর রাসূল, আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করাও কি
এর সমকক্ষ হবে না ?’’
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তর করলেন, ‘‘না, তাও হবে না ।’’ তবে সে ব্যক্তি জিহাদে গিয়েছে, এ কাজে অর্থ ব্যয় করেছে, জীবন ও বিলিয়ে দিয়েছে (জান ও মাল সবকিছু বিসর্জন দিয়ে আল্লাহর কাছে চলে গেছে,) আর ফিরে আসতে পারেনি, অবশ্য তার পুরস্কার ভিন্ন । (আহমাদ : ১৯৬৯)
৩-আরাফার দিনে সিয়ামঃ
[যিলহজ্জ মাসের ৯ তারিখ যেদিন হাজী’রা আরাফাতের মাঠে সমবেত হন]
এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ-
আরাফার দিনের সিয়াম সম্পর্কে আল্লাহর কাছে আশা করি যে, তা বিগত একবছর ও আগামী একবছর
(এ দুই বছর)’র পাপের কাফফারা হিসেবে গ্রহণ করা হবে । (মুসলিম :১১৬২)
[যিলহজ্জ মাসের ৯ তারিখ যেদিন হাজী’রা আরাফাতের মাঠে সমবেত হন]
এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ-
আরাফার দিনের সিয়াম সম্পর্কে আল্লাহর কাছে আশা করি যে, তা বিগত একবছর ও আগামী একবছর
(এ দুই বছর)’র পাপের কাফফারা হিসেবে গ্রহণ করা হবে । (মুসলিম :১১৬২)
৪-মুহাররম মাসের সিয়ামঃ
এ বিষয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,রমযান মাসের পর সর্বোত্তম সিয়াম হল আল্লাহর মাস মুহাররমের সিয়াম। আর ফরয সালাতের পর সর্বোত্তম সালাত হল রাতের সালাত (অর্থাৎ তাহাজ্জুদের সালাত) । (মুসলিম : ১১৬৩)
এ মাসে অধিক পরিমাণে নফল সিয়াম পালন করা উত্তম ।তবে পূর্ণ মাস নয় ।
এ বিষয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,রমযান মাসের পর সর্বোত্তম সিয়াম হল আল্লাহর মাস মুহাররমের সিয়াম। আর ফরয সালাতের পর সর্বোত্তম সালাত হল রাতের সালাত (অর্থাৎ তাহাজ্জুদের সালাত) । (মুসলিম : ১১৬৩)
এ মাসে অধিক পরিমাণে নফল সিয়াম পালন করা উত্তম ।তবে পূর্ণ মাস নয় ।
৫-আশুরার দিনের সওমঃ সাহাবী আবূ কাতাদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত,
এক প্রশ্নের জবাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
যার মর্মার্থ হলো : আশুরার এক দিনের সিয়াম বিগত এক বছরের গুনাহের কাফ’ফারা হিসেবে গৃহীত হয় । (মুসলিম : ১১৬২)
আশুরার সিয়াম মুহাররমের ১০ তারিখে শুধু একদিন না রেখে ৯ ও ১০ তারিখ এ দু’দিন রাখা উত্তম ।
এক প্রশ্নের জবাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
যার মর্মার্থ হলো : আশুরার এক দিনের সিয়াম বিগত এক বছরের গুনাহের কাফ’ফারা হিসেবে গৃহীত হয় । (মুসলিম : ১১৬২)
আশুরার সিয়াম মুহাররমের ১০ তারিখে শুধু একদিন না রেখে ৯ ও ১০ তারিখ এ দু’দিন রাখা উত্তম ।
৬-প্রতি মাসে ৩ দিন সিয়ামঃ
আবূ কাতাদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত এক হাদীসে এসেছে
প্রত্যেক মাসে ৩ দিন সিয়াম এবং এক রমযান থেকে আরেক রমযান পর্যন্ত সিয়াম পালন করলে পূর্ণ বছর সিয়াম আদায়ের সমপরিমাণ সাওয়াব আমলনামায় লিপিবদ্ধ হয়। (মুসলিম : ১১৬২)
আবূ কাতাদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত এক হাদীসে এসেছে
প্রত্যেক মাসে ৩ দিন সিয়াম এবং এক রমযান থেকে আরেক রমযান পর্যন্ত সিয়াম পালন করলে পূর্ণ বছর সিয়াম আদায়ের সমপরিমাণ সাওয়াব আমলনামায় লিপিবদ্ধ হয়। (মুসলিম : ১১৬২)
৭-সপ্তাহের সোম ও বৃহস্পতিবার- এ দু’দিন সিয়াম পালন করা ঃ
আবূ হুরাইরাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন :
(প্রত্যেক সপ্তাহে) সোমবার ও বৃহস্পতিবার বান্দার আমল আল্লাহর দরবারে পেশ করা হয়ে থাকে। কাজেই আমি রোযাদার অবস্থায় আমার আমলগুলো আল্লাহর দরবারে পেশ করা হোক এমনটি আমি পছন্দ করছি। (তিরমিযী : ৭৪৭)
আবূ হুরাইরাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন :
(প্রত্যেক সপ্তাহে) সোমবার ও বৃহস্পতিবার বান্দার আমল আল্লাহর দরবারে পেশ করা হয়ে থাকে। কাজেই আমি রোযাদার অবস্থায় আমার আমলগুলো আল্লাহর দরবারে পেশ করা হোক এমনটি আমি পছন্দ করছি। (তিরমিযী : ৭৪৭)
৮-শাবান মাসে সিয়ামঃ
আয়েশা (রাযি.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন
আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে শাবান মাস ব্যতীত অন্য মাসে এত অধিক পরিমাণে নফল সিয়াম পালন করতে দেখিনি। (বুখারী ১৯৬৯)
আয়েশা (রাযি.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন
আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে শাবান মাস ব্যতীত অন্য মাসে এত অধিক পরিমাণে নফল সিয়াম পালন করতে দেখিনি। (বুখারী ১৯৬৯)
No comments:
Post a Comment