
আসসালামু আলাইকুম !!
আল্লাহ তায়ালা ও মুহাম্মদ (সাঃ) এর
সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত
আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ হতে কোন
বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিলে উহাই চূড়ান্ত, সে
বিষয়ে কোন মুমিন
নর নারীর ভিন্ন মত প্রকাশের অধিকার
নেই।
যে কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে অমান্য
করল সেত স্পষ্ট্যই পথভ্রষ্ট ও গোমরাহ।
(সূরা-আহযাব-৩৬)
“ কোন বিষয়ে যখন আল্লাহ ও তার রাসুলের
পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত আসে মুমিনদের জন্যে
উহাই চুড়ান্ত।
মানব জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপ গ্রহনের
পূর্বে প্রয়োজন হিদায়ত বা সঠিক
পথনির্দেশ এ হিদায়ত ও
পথনির্দেশ মানুষেরা কিভাবে লাভ করবে?
-
মানুষেরা যদি নিজেদের মন ও ইচ্ছাকে এর
উৎস বানায় ঠিক হবে। মানুষ কি পূর্বথেকে
চলে আসা
বাপ-দাদাদের রীতিকে হেদায়ত বানাবে।
না, বেশির ভাগ মানুষদের মতামতকে
আইনের উৎস বানাবে? এগুলো কোনটাই
আল্লাহর নিকট হেদায়ত ও চূড়ান্ত চলার
guide নয়।
আদম (আ:) কে পৃথিবীতে
পাঠাবার পর আল্লাহর পক্ষ হতে জানিয়ে
দেয়া হয়।
জীবন পরিচালনার ব্যাপারে আল্লাহর
অহিকে একমাত্র পথ নির্দেশ হিসেবে
মেনে নিতে হবে প্রতিটি বিষয়ে।
কোরআন বলছে ,
“আমার পক্ষ হতে তোমাদের জন্য জবিন
চলার বিধান তথা হিদায়ত অবতীর্ন হবে
যারা এর অনুসরন করে
চলবে তাদের জন্য দু:খের ও ভয়ের কোন
কারন থাকবেনা” (বাকারা-৩৮)
এ বিষয়ে মনে রাখতে হবে, নবী-রাসুলগন
যাদের উপর
আল্লাহর অহি অবতীর্ণ হয়েছে। যাদের
জীবন অহির নূরে পূর্ণভাবে আলোকিত
তাদের জীবনও মানুষের
জন্য Practical হেদায়াত।
এঁদের সব শেষ, মুহাম্মদ (সাঃ)
আগমনের পর তার আনিত কিতাব আল
কোরআন ও তাঁর
পবিত্র জীবন আদর্শই পৃথিবীর শেষ দিন
পর্যন্ত বিশ্ব নর-নারীর চূড়ান্ত ও একমাত্র
হেদায়তের উৎস।
কোরানই নবীয়েকারিম এ সম্পর্কে কোরন
বলছে,
“মুহাম্মদ (সাঃ) তোমাদের জন্য যে
ফায়সালা এনেছেন উহা বিনাবাক্যে গ্রহণ
কর যা থেকে নিষেধ করেন
উহা হতে বিরত থাক”
( হাশর-০৭)
যারা বিশ্বাস করেছে-‘আল্লাহ
তায়ালাকে একমাত্র ইলাহ হিসেবে আর
বিশ্বাস করেছে মুহাম্মদ
(সাঃ) কে আখেরী রাসুল হিসেবে তারা এ
ঘোষণা দিয়েছে আল্লাহ ছাড়া আইনের আর
কোন উৎস নেই
হতে পারেনা তিনি তাঁর জাত ও
গুনাবলিতে সম্পূর্ন লা-শরিক। সৃষ্টির উপর
তার একমাত্র বিধান চলবে,
সকল নবীগন মানব কুলের নিকট এ পয়গাম
পৌঁছে দিয়েছেন।
“সাবধান, সৃস্টি যার আইন চলবে তার, মহান
আল্লাহই বিশ্বজগতে প্রভু” ।
(আরাফ-৫৪ )
“তিনি আল্লাহর মনোনিত রাসুল-তিনি যা
কিছু বলেন ও করেন সব অহির অন্তর্ভূক্ত
আল্লাহরই প্রত্যাদেশ”।
( আহযাব -৪০)
কোরান বলছে-
“তিনি মুহাম্মদ যিনি নিজ থেকে কিছু
বলেন না যা বলেন উহা অহি যা তার উপর
আল্লাহ হতে অবতীর্ন”
( সুরা নাজম ৩-৪)
কোরান আরো বলছে, “তিনি শ্রেষ্ট নবী
মুহাম্মদ (সাঃ) এর মাধ্যমে নবুয়ত সমাপ্ত
করা হয়েছে।
তার আগমনের মাধ্যমে সকল নবীদের
নবুয়তের কার্যকারিতা রহিত করা হয়েছে।
পৃথিবীর প্রলয়দিন অবধি একমাত্র
মুহাম্মদ (সাঃ) এর লাশারিক নবুয়ত চলবে,
ইহাই-তার নবুয়তের অন্যন্য বৈশিষ্ট।
সকল পূর্বের কিতাব ও আগের নবীদের নবুয়ত
মানসুখ করাহয়েছে।
সকল নরনারী যারা আছে ও আসবে, অন্য
কোন গ্রহেও যদি
মানুষ থাকে সকল কে আখেরী রাসূল
মুহাম্মদ (সাঃ) ও সর্বশেষ আসমানী
কিতাব-কোরানুল করিমকে
হিদায়তের মূল উৎস হিসেবে গ্রহন করা
ব্যতিরেকে আর কোন পথ খোলা নেই”।
( আহযাব-৩৬ )
“কোন ঈমানদার-নর নারীর জন্য আল্লাহ ও
রাসুলের সিদ্ধান্ত আসার পর বিষয়ে
নিজেদের ব্যাক্তিগত
ভাবে কোন ফয়সালা গ্রহনের কোন
ইখতিয়ার নেই”
(আহযাব-৩৬ )
“বান্দাদের উচিত নিজের পছন্দ অপছন্দের
চেয়ে আল্লাহর সিদ্ধান্ত সর্বোতভাবে
মেনে নেয়া।
তারাইত বন্দেগীর সীমার মধ্যে রয়েছে,
যারা তাদের আজাদীকে মনিবের নিকট,
তাঁর ইচ্ছার কাছে
আত্মসমর্পন করেছে। এ ক্ষেত্রে সামান্যতম
বাড়াবাড়ির সুযোগ নেই। কোরান বলছে-
“হে মুমিনগন! আল্লাহ ও তার রাসুলের
সামনে কোন বিষয়ে অগ্রগামী হবেনা,
আল্লাহকে ভয় কর, তিনি সব কিছু শুনেন ও
জানেন।
( হুজরাত-০১)
জীবন চলার ক্ষেত্রে প্রতিটি বিষয়ে
কোরান ও সুন্নাহর বাইরে একটি কদম দেয়ার
অধিকার মুমিনদের জন্য স্বীকৃত নয়।
কোরানুল করিমে সতর্ক করা হয়েছে,
আল্লাহর রাসুলের সামনে তার আওয়াজের
উপর উচ্চস্বরে কথা বলা ও হারাম। এরুপ
করলে সমগ্র
জীবনের সকল গৃহিত নেক আমলও ধ্বংস হয়ে
যাবে।
আল্লাহ ও রাসুলের উপর ঈমান আনবে আর
জীবন পরিচালিত হবে নিজের ইচ্ছায় তবে
এ ঈমানের কোন
প্রয়োজনীয়তা নেই।
No comments:
Post a Comment