
এখন শাবান মাস, সামনেই পবিত্র রমজান। রোজা রাখার প্রস্তুতি নিন!
===================================
পৃথিবীর অধিকাংশ দেশে আজ শাবান মাসের ১১ তারিখ!
মুসলমানদের জন্য বছরের শ্রেষ্ঠ মাস হচ্ছে রামাযান মাস! এর পূর্বের মাস-ই হলো হিজরী সনের ৮ম মাস শা'বান।
মুসলমানদের দীর্ঘ টানা একমাস সিয়াম পালন করতে হয়। এর জন্য প্রয়োজন মানসিক, শারিরিক ও আর্থিক প্রস্তুতি। রাসুল ﷺ সাধারনত প্রতি মাসের ১৩, ১৪, ১৫ তারিখ নফল সাওম পালন করতেন। তাছাড়া তিনি সোমবার ও বৃহস্পতিবারও নফল সাওম
থাকতেন। তবে রাসুল ﷺ রমাদানের প্রস্তুতি স্বরুপ অন্য মাসের তুলনায় শাবান মাসে বেশী বেশী নফল সাওম রাখতেন। যেমন হাদীসে বর্ণীত হয়েছে-
ﺩَّﺛَﻨَﺎ ﻋَﺒْﺪُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦُ ﻳُﻮﺳُﻒَ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ ﻣَﺎﻟِﻚٌ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﺍﻟﻨَّﻀْﺮِ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﺳَﻠَﻤَﺔَ، ﻋَﻦْ ﻋَﺎﺋِﺸَﺔَ ـ ﺭﺿﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻬﺎ ـ ﻗَﺎﻟَﺖْ ﻛَﺎﻥَ ﺭَﺳُﻮﻝُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺻﻠﻰ
ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻳَﺼُﻮﻡُ ﺣَﺘَّﻰ ﻧَﻘُﻮﻝَ ﻻَ ﻳُﻔْﻄِﺮُ، ﻭَﻳُﻔْﻄِﺮُ ﺣَﺘَّﻰ ﻧَﻘُﻮﻝَ ﻻَ ﻳَﺼُﻮﻡُ. ﻓَﻤَﺎ ﺭَﺃَﻳْﺖُ ﺭَﺳُﻮﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﺍﺳْﺘَﻜْﻤَﻞَ
ﺻِﻴَﺎﻡَ ﺷَﻬْﺮٍ ﺇِﻻَّ ﺭَﻣَﻀَﺎﻥَ، ﻭَﻣَﺎ ﺭَﺃَﻳْﺘُﻪُ ﺃَﻛْﺜَﺮَ ﺻِﻴَﺎﻣًﺎ ﻣِﻨْﻪُ ﻓِﻲ ﺷَﻌْﺒَﺎﻥَ
-আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,
আল্লাহর রাসূল ﷺ একধারে সাওম পালন করতেন যে, আমরা বলাবলি করতাম, তিনি আর সাওম পরিত্যাগ করবেন না। আবার সাওম পালন না করা অবস্থায় একাধারে কাটাতেন যে, আমরা বলাবলি করতাম, তিনি আর নফল সাওম পালন করবেন না। আমি আল্লাহর রাসূল ﷺ কে রামাদান ব্যতীত কোন পুরা মাস সাওম পালন করতে দেখিনি এবং শা’বান মাসের চেয়ে অধিক (নফল) সওম পালন করতে দেখিনি।
[বোখারী হা/১৯৬৯, ১৯৭০, ৬৪৬৫; মুসলীম হা/১১৫৬; আহমাদ হা/২৫১৫৫; আবু দাউদ হা/২৪৩৪;
তিরমিযী হা/৭৩৬; মুআত্তা মালিক ১৮/৬৮৯]
সুতরাং আসুন শা’বান মাসে আমরাও রাসুল ﷺ এর সুন্নাত অনুযায়ী বেশী বেশী করে নফল সাওম রাখার চেষ্টা করি!
আল্লাহর কাছে দু’আ করি, তিনি যেন আমাদেরকে রমাদান মাস পর্যন্ত হায়াত দান করেন এবং রমাদানের ফজীলত ও বরকত হাসিল করার তৌফিক দান করেন। আমিন।।
No comments:
Post a Comment