
ইবনু ছালেহ বলেন যে, ঈসা (আঃ)
বলেছেন, ‘হে কুরআন পাঠক ও
বিদ্বানমন্ডলী! জানা-বোঝার পরেও
তোমরা কিভাবে পথভ্রষ্ট হয়ে গেলে?
চোখ থাকতেও তোমরা কিভাবে অন্ধ
হয়ে গেলে? আসলে নিকৃষ্ট দুনিয়া ও
কুৎসিত লালসা তোমাদের এরূপ
গোমরাহ ও অন্ধ করে দিয়েছে।
সুতরাং দুনিয়ার জন্য তোমাদের
দুর্ভোগ আর তোমাদের জন্য দুনিয়ার
পরিতাপ’।
জামেউ বায়ানিল ইলম ১/২৩৩।
বলেছেন, ‘হে কুরআন পাঠক ও
বিদ্বানমন্ডলী! জানা-বোঝার পরেও
তোমরা কিভাবে পথভ্রষ্ট হয়ে গেলে?
চোখ থাকতেও তোমরা কিভাবে অন্ধ
হয়ে গেলে? আসলে নিকৃষ্ট দুনিয়া ও
কুৎসিত লালসা তোমাদের এরূপ
গোমরাহ ও অন্ধ করে দিয়েছে।
সুতরাং দুনিয়ার জন্য তোমাদের
দুর্ভোগ আর তোমাদের জন্য দুনিয়ার
পরিতাপ’।
জামেউ বায়ানিল ইলম ১/২৩৩।
ইবনু রজব বলেছেন,
‘ধন-সম্পদ ও মান-মর্যাদার
লালসার মূলে রয়েছে দুনিয়াপ্রীতি।
আর দুনিয়াপ্রীতির মূলে রয়েছে
খেয়াল-খুশির পেছনে চলা।
ওহাব ইবনু মুনাবিবহ বলেছেন, দুনিয়ার
মোহ খেয়াল-খুশির অনুসরণের
অন্তর্গত। আর দুনিয়ার মোহের মধ্যে
রয়েছে ধন-সম্পদ ও মান-মর্যাদা
প্রাপ্তির আকর্ষণ ও ভালবাসা। আর
ধন-সম্পদ ও মান-মর্যাদার ভালবাসায়
হারামকে হালাল করা হয়। দুনিয়ার
প্রতি আকর্ষণ জন্ম নেয় অর্থ-সম্পদ ও
খেয়াল-খুশির পেছনে ছোটার
কারণে। খেয়াল-খুশির অনুসরণই
দুনিয়ার প্রতি অনুরাগ এবং অর্থ
লালসা ও মর্যাদাপ্রীতির দিকে
মানুষকে আহবান জানায়। কিন্তু
তাক্বওয়া খেয়াল-খুশির অনুসরণে
বাধা দেয় এবং দুনিয়ার ভালবাসার
বিরোধিতা করে। আল্লাহ তা‘আলা
বলেন,
লালসার মূলে রয়েছে দুনিয়াপ্রীতি।
আর দুনিয়াপ্রীতির মূলে রয়েছে
খেয়াল-খুশির পেছনে চলা।
ওহাব ইবনু মুনাবিবহ বলেছেন, দুনিয়ার
মোহ খেয়াল-খুশির অনুসরণের
অন্তর্গত। আর দুনিয়ার মোহের মধ্যে
রয়েছে ধন-সম্পদ ও মান-মর্যাদা
প্রাপ্তির আকর্ষণ ও ভালবাসা। আর
ধন-সম্পদ ও মান-মর্যাদার ভালবাসায়
হারামকে হালাল করা হয়। দুনিয়ার
প্রতি আকর্ষণ জন্ম নেয় অর্থ-সম্পদ ও
খেয়াল-খুশির পেছনে ছোটার
কারণে। খেয়াল-খুশির অনুসরণই
দুনিয়ার প্রতি অনুরাগ এবং অর্থ
লালসা ও মর্যাদাপ্রীতির দিকে
মানুষকে আহবান জানায়। কিন্তু
তাক্বওয়া খেয়াল-খুশির অনুসরণে
বাধা দেয় এবং দুনিয়ার ভালবাসার
বিরোধিতা করে। আল্লাহ তা‘আলা
বলেন,
‘অনন্তর যে ব্যক্তি সীমালংঘন
করেছে এবং (পরকালের তুলনায়)
দুনিয়ার জীবনকে প্রাধান্য দিয়েছে
অবশ্যই জাহান্নাম হবে তার ঠিকানা।
আর যে ব্যক্তি তার মালিকের সামনে
দাঁড়ানোকে ভয় করেছে এবং
নিজেকে নফসের কামনা-বাসনা
থেকে বিরত রেখেছে, অবশ্যই
জান্নাত হবে তার ঠিকানা’
(নাযি‘আত ৭৯/৩৭-৪১) ।
করেছে এবং (পরকালের তুলনায়)
দুনিয়ার জীবনকে প্রাধান্য দিয়েছে
অবশ্যই জাহান্নাম হবে তার ঠিকানা।
আর যে ব্যক্তি তার মালিকের সামনে
দাঁড়ানোকে ভয় করেছে এবং
নিজেকে নফসের কামনা-বাসনা
থেকে বিরত রেখেছে, অবশ্যই
জান্নাত হবে তার ঠিকানা’
(নাযি‘আত ৭৯/৩৭-৪১) ।
এছাড়াও আল্লাহ তা‘আলা তাঁর
গ্রন্থের বিভিন্ন জায়গায়
জাহান্নামবাসীদের ধন-দৌলত ও
ক্ষমতা নিয়ে আক্ষেপের কথা
বলেছেন। তিনি বলেন,
গ্রন্থের বিভিন্ন জায়গায়
জাহান্নামবাসীদের ধন-দৌলত ও
ক্ষমতা নিয়ে আক্ষেপের কথা
বলেছেন। তিনি বলেন,
‘আর যার আমলনামা সেদিন তার বাম
হাতে দেওয়া হবে (দুঃখ ও অপমানে)
সে বলতে থাকবে, হায় আফসোস! (আজ
যদি) আমাকে কোন আমলনামা না
দেওয়া হ’ত। আমি যদি আমার
হিসাবের খাতা না জানতাম। হায়!
আমার প্রথম মৃত্যুই যদি আমার জন্য
চূড়ান্ত নিষ্পত্তিকারী হয়ে যেত!
হায়! আমার ধন-সম্পদ আজ কোনই
কাজে লাগল না। আমার সব ক্ষমতা ও
কর্তৃত্ব আজ নিঃশেষ হয়ে গেল’
(হাক্কাহ ৬৯/২৫-২৯) ।
শারহু হাদীছ মাযেবানে
জায়ে‘আনে, পৃঃ ৭১।
হাতে দেওয়া হবে (দুঃখ ও অপমানে)
সে বলতে থাকবে, হায় আফসোস! (আজ
যদি) আমাকে কোন আমলনামা না
দেওয়া হ’ত। আমি যদি আমার
হিসাবের খাতা না জানতাম। হায়!
আমার প্রথম মৃত্যুই যদি আমার জন্য
চূড়ান্ত নিষ্পত্তিকারী হয়ে যেত!
হায়! আমার ধন-সম্পদ আজ কোনই
কাজে লাগল না। আমার সব ক্ষমতা ও
কর্তৃত্ব আজ নিঃশেষ হয়ে গেল’
(হাক্কাহ ৬৯/২৫-২৯) ।
শারহু হাদীছ মাযেবানে
জায়ে‘আনে, পৃঃ ৭১।
ইসহাক ইবনু খালাফ বলেছেন,
‘কথা- বার্তায় সতর্কতা সোনা-রূপার
ক্ষেত্রে সতর্কতা থেকেও বেশী
কঠিন। আর রাষ্ট্র ক্ষমতার লালসা
সোনা-রূপার প্রতি সাবধানতা
থেকেও বেশী কঠিন। কেননা সোনা-
রূপাতো রাষ্ট্রক্ষমতা অর্জনেই ব্যয়
করা হয়’।
ইবনুল ত্বাইয়িম, মাদারিজুস
সালেকীন ২/২২।
‘কথা- বার্তায় সতর্কতা সোনা-রূপার
ক্ষেত্রে সতর্কতা থেকেও বেশী
কঠিন। আর রাষ্ট্র ক্ষমতার লালসা
সোনা-রূপার প্রতি সাবধানতা
থেকেও বেশী কঠিন। কেননা সোনা-
রূপাতো রাষ্ট্রক্ষমতা অর্জনেই ব্যয়
করা হয়’।
ইবনুল ত্বাইয়িম, মাদারিজুস
সালেকীন ২/২২।
No comments:
Post a Comment