Tuesday, November 7, 2017

প্রশ্ন : প্রেগন্যান্ট অবস্থায় বেশি বেশি কোরআন খতম করলে কি নেক সন্তান পাওয়ার আশা করা যায়?



Image may contain: one or more people and text


প্রশ্ন : প্রেগন্যান্ট অবস্থায় বেশি বেশি কোরআন খতম করলে কি নেক সন্তান পাওয়ার আশা করা যায়?
উত্তর : গর্ভবস্থায় কুরআন খতম দিলে বা অধিক পরিমান কুরআন পাঠ করলেই নেক সন্তান লাভ হবে হাদীস-কুরআনে এমন কোন কথা নেই। বরং এতে সুসন্তান পাওয়ার আশা করা যায়। কুরআনের বরকতে মনের মধ্যে এই আশা ও সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়। কিন্তু এটা অপরিহার্য নয়। 
কেননা, সন্তান নেককার হবে না কি বদকার হবে তা সম্পূর্ণ আল্লাহর হাতে। তবে পিতা-মাতার পক্ষ থেকে সন্তানকে নেককার বানানোর চেষ্টা থাকা জরুরি। আল্লাহ সে চেষ্টা কবুল করলে সে হেদায়েতের পথে থাকবে; অন্যথায় নয়।
তাই বলব, একজন গর্ভবতী নারী সাধ্যানুযায়ী কুরআন তিলাওয়াত করবেন, যিকির-আযকার, দুয়া ও অন্যান্য নেক আমলের প্রতি যত্নশীল হবেন, গুনাহ থেকে বাঁচবেন এবং মহান আল্লাহর নিকট দুয়া করবেন যেন, আল্লাহ তাকে চক্ষুশীতলকারী সুসন্তান দান করেন।
এমন কি সন্তান ভূমিষ্ট হওয়ার পরও ঈমান ও আমলের উপর অবিচল থাকার চেষ্টা করবেন। সেই সাথে সন্তানকে কল্যাণের পথে রাখার জন্য যথাযথ উপায় ও পদ্ধতি অবলম্বন করবেন। 
তাহলে আল্লাহ তাআলা যদি কবুল করেন তাহলে তার সন্তান নেককার ও পিতা-মাতার চক্ষুশীতল কারী হবে।
নিশ্চয় একমাত্র আল্লাহই হেদায়েতের মালিক ও তাওফিক দানকারী।

No comments:

Post a Comment