
*প্রশ্নঃ আমরা শুনেছি সূরা মুলক তেলাওয়াত করলে তা পাঠকারীর জন্য সুপারিশ করবে, এই হাদিস কি সহি?*
------------------
উত্তরঃ সূরা মুলক (৬৭ নং সূরা) তেলাওয়াতের ফজিলত সমূহ বর্ণনা করা হলঃ
------------------
উত্তরঃ সূরা মুলক (৬৭ নং সূরা) তেলাওয়াতের ফজিলত সমূহ বর্ণনা করা হলঃ
.
.
.
আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) বলেছেনঃ *“যে ব্যক্তি প্রতিদিন রাতের বেলা তাবারাকাল্লাযী বিয়াদিহিল মুলক (সুরা মুলক) তেলাওয়াত করবে আল্লাহ তাকে কবরের আজাব থেকে রক্ষা করবেন।* রাসুলুল্লাহ সাঃ এর যামানায় এই সুরাটিকে আমরা “আল-মা’আনিয়াহ” বা সুরক্ষাকারী বলতাম। যে রাতের বেলা এই সুরাটি পড়বে সে খুব ভালো একটা কাজ করলো”।*
সুনানে আন-নাসায়ী ৬/১৭৯, শায়খ আলবানীর মতে হাদীসটি হাসান সহীহ, সহীহ আত-তারগীব ওয়াল তারহীব ১৪৭৫।
*ঘুমের পূর্বে সূরা সাজদাহ এবং সূরা মূলক পড়া মুস্তাহাব*
➖
➖
🍃
🔹
🔹
হাদীসে প্রখ্যাত সাহাবী জাবের রা. থেকে বর্ণিত হয়েছে যে,
{أنَّ النَّبيَّ صلَّى اللَّهُ عليهِ وسلَّمَ كانَ لا ينامُ حتَّى يقرأَ {الم تَنْزِيلُ} و{تَبَارَكَ الَّذِي بِيَدِهِ الملْكُ
*“নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আলিম লাম তানযীল (অর্থাৎ সুরা সাজদাহ) এবং তাবারাকাল্লাহ বি ইয়াদিহিল মুলক (অর্থাৎ সুরা মুলক) না পড়া পর্যন্ত ঘুমাতেন না।”*
(মুসনাদে আহমদ, তিরমিযী। অনেক মুহাদ্দিস উক্ত হাদীস দুটিকে সহীহ বলেছেন। তাদের মধ্যে ইমাম আলবানী রহ.। দ্রষ্টব্য, জামেউস সহীহ, হা/৪৮৭৩ আর ইবনে হাজার আসকালানী, এটিকে হাসান বলেছেন। দ্রষ্টব্য: তাখরীজ মিশকাতুল মাসাবীহ, ২/৩৮০)
হাদীসে প্রখ্যাত সাহাবী জাবের রা. থেকে বর্ণিত হয়েছে যে,
{أنَّ النَّبيَّ صلَّى اللَّهُ عليهِ وسلَّمَ كانَ لا ينامُ حتَّى يقرأَ {الم تَنْزِيلُ} و{تَبَارَكَ الَّذِي بِيَدِهِ الملْكُ
*“নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আলিম লাম তানযীল (অর্থাৎ সুরা সাজদাহ) এবং তাবারাকাল্লাহ বি ইয়াদিহিল মুলক (অর্থাৎ সুরা মুলক) না পড়া পর্যন্ত ঘুমাতেন না।”*
(মুসনাদে আহমদ, তিরমিযী। অনেক মুহাদ্দিস উক্ত হাদীস দুটিকে সহীহ বলেছেন। তাদের মধ্যে ইমাম আলবানী রহ.। দ্রষ্টব্য, জামেউস সহীহ, হা/৪৮৭৩ আর ইবনে হাজার আসকালানী, এটিকে হাসান বলেছেন। দ্রষ্টব্য: তাখরীজ মিশকাতুল মাসাবীহ, ২/৩৮০)
সুতরাং উক্ত হাদীসের আলোকে ঘুমের পূর্বে উক্ত দুটি সূরা পাঠ করা মুস্তাহাব।
তবে সাধারণভাবে যে কোন সময় *সূরা মূলক* পড়লে কিয়ামতের দিন এটি পাঠকারীর জন্য শাফাআত করবে বলে হাদীস বর্ণিত হয়েছে।
(জামে তিরমিযী। ইমাম তিরমিযী ও ইমাম আলবানী এটিকে হাসান বলে সাব্যস্ত করেছেন)
➖
➖
➖
🔹
🔹
🔹
🍃
আল্লাহু আলাম।
আল্লাহু আলাম।
No comments:
Post a Comment