
প্রতিদিনে কুরআনের কি কি সুরা তিলাওয়াত করবেন?
==============
#১. প্রত্যেক ফরয নামাযের পরে আয়াতুল কুরসী ১ বার (সুরা বাক্বারাহঃ ২৫৫)।
মৃত্যুর পরে জান্নাত + জিন ও শয়তানের ক্ষতি থেকে হেফাজত করবে।
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরয নামায শেষে আয়াতুল কুরসী পাঠ করে তার জন্য জান্নাতে প্রবেশ করার জন্য মৃত্যু ছাড়া আর কোন বাধা থাকে না”।
[সুনানে আন-নাসায়ীঃ ১০০, ইবনে সুন্নীঃ ১২১, শায়খ আলবানীর মতে সহীহ, সিলসিলা আস-সহীহাহঃ ২/৬৯৭। ]
#২. রাতে ঘুমানোর আগে সুরা বাক্বারার শেষ ২ আয়াত (২৮৫+২৮৬) ১ বার।
তাহাজ্জুদ পড়ার সমান সওয়াব পাওয়া যাবে + যেকোনো ক্ষতি থেকে বাঁচার জন্য যথেষ্ঠ হবে।
রাসুলুলাহ (সাঃ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি রাতের বেলা সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পড়বে সেটা তার জন্য যথেষ্ঠ হবে”।
[বুখারি ৫০১০, মুসলিম ৮০৭।]
#৩. প্রতিদিন রাতে যেকোনো এক সময় সুরা মুলক ১ বার।
কবরের আজাব থেকে নিরাপত্তা দেবে + কেয়ামতের দিন সুপারিশ করে বান্দাকে জান্নাতে নিয়ে যাবে।
আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি প্রতিদিন রাতের বেলা তাবারাকাল্লাযী বিয়াদিহিল মুলক (সুরা মুলক) তেলাওয়াত করবে আল্লাহ তাকে কবরের আজাব থেকে রক্ষা করবেন। রাসুলুল্লাহ ﷺ এর যামানায় এই সুরাটিকে আমরা “আল-মা’আনিয়াহ” বা সুরক্ষাকারী বলতাম। যে রাতের বেলা এই সুরাটি পড়বে সে খুব ভালো একটা কাজ করলো”।
[সুনানে আন-নাসায়ী ৬/১৭৯। শায়খ আলবানীর মতে হাদীসটি হাসান সহীহ, সহীহ আত-তারগীব ওয়াল তারহীব ১৪৭৫।]
#৪. সুরা ইখলাস কুরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমান। [মুসলিম ৮১২, তিরমিযী ২৮৯৯]
৩ বার পড়লে একবার কুরআন খতমের সমান সওয়াব। ১০ বার পড়লে জান্নাতে একটা ঘর বানানো হবে।
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ
“যে ব্যক্তি সুরা ইখলাস ১০ বার পাঠ করবে, তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর বানানো হবে”।
[সহীহ আল-জামি আস-সগীর ৬৪৭২।]
No comments:
Post a Comment