
*রমযানের ২৯/৩০ ও এর পরে পুরো শাওয়াল মাসে যেকোন ৬ দিন রোযা রাখলেই এক বছর অর্থাৎ, পুরো ৩৬০ দিন রোযা রাখার সমান সওয়াব পাওয়া যাবে।*
শওয়াল মাসের ছয়দিন রোজা রাখার ফযীলত ও রোজাগুলো রাখার নিয়ম কি?
_______
শওয়াল মাসের ছয় দিন সিয়াম পালনের ফযীলত,
আবূ আইয়ূব আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘যে ব্যক্তি রমযানের সিয়াম পালনের পর শওয়াল মাসের ছয়দিন সিয়াম রাখল, সে যেন সারা বছর সিয়াম রাখল।’’ (মুসলিম ২৮১৫, আবু দাঊদ ২৪৩৫, তিরমিযী ৭৫৯, নাসাঈর কুবরা ২৮৬২, ইবনে মাজাহ ১৭১৬)
“জান্নাতে একটি দরজা রয়েছে। যার নাম রাইয়্যান। কিয়ামতের দিন শুধু সিয়ামপালনকারীরা ঐ দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে। তাদের ছাড়া অন্য কেউ সেই দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। সেদিন ঘোষণা করা হবে, সিয়াম পালনকারীরা কোথায়? তখন তারা দাঁড়িয়ে যাবে ঐ দরজা দিয়ে প্রবেশ করার জন্য। তারা প্রবেশ করার পর ঐ দরজাটি বন্ধ করে দেয়া হবে। ফলে তারা ব্যতীত অন্য কেউ আর সেই দরজা দিয়ে জান্নাতে ঢুকতে পারবেনা।”
(বুখারী ও মুসলিম)
শাওয়ালের ছয়টি রোযা রাখার বিশেষ কোন নিয়ম নেই, যেকোন দিন রাখা যায়, ইচ্ছা হলে একনাগাড়ে, একবারে অথবা ইচ্ছা হলে ভেঙ্গে ভেঙ্গে রাখবেন। আগে ফরজের কাযাগুলো দ্রুত রেখে এর পরে শাওয়ালের রোযাগুলো রাখা শুরু করবেন। রমজানের কাজা রোজার এবং শাওয়ালের নফল রোজা; ২টা রোযার নিয়ত একসাথে করলে হবেনা। তবে আইয়ামে বীজের অর্থাৎ চন্দ্র মাসের ১৩,১৪ ও ১৫ তারিখ এবং সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজাগুলো রাখলে উক্ত দিনের ফজিলতগুলো পাওয়া যাবে ।
*সুতরাং, প্রীয় দ্বিনী ভাই-বোনেরা! প্রস্তুতি নিন - সামান্য আজরে বিরাট সওয়াব অর্জন করার জন্য।*
আল্লাহ আমাদের সকলকে তওফিক দান করুন, আমিন।
No comments:
Post a Comment