
দাউস কখনও জান্নাতে যাবে নাঃ
======================
আপনি কি আপনার স্ত্রীকে বেপর্দা চলাচলে কোন বাঁধা প্রদান করেন না?
আপনার মা বোন পেট-পিঠ দেখিয়ে রাস্তায় বের হয়, আপনি কিছুই বলেন না?
আপনি তো দেখছি কাপুরুষ!
======================
আপনি কি আপনার স্ত্রীকে বেপর্দা চলাচলে কোন বাঁধা প্রদান করেন না?
আপনার মা বোন পেট-পিঠ দেখিয়ে রাস্তায় বের হয়, আপনি কিছুই বলেন না?
আপনি তো দেখছি কাপুরুষ!
আপনি কি দাউস চিনেন?
চিনেন না?
আপনি নিজেই যে দাউস সেটা কি জানেন?
দাউস বলা হয় ঐ ব্যক্তিকে, যে তার স্ত্রী ও পরিবারের অন্য সদস্যরা অশ্লীল কাজ বা ব্যভিচার করলে সে ভাল মনে করে গ্রহণ করে অথবা প্রতিবাদ না করে চুপ থাকে।
চিনেন না?
আপনি নিজেই যে দাউস সেটা কি জানেন?
দাউস বলা হয় ঐ ব্যক্তিকে, যে তার স্ত্রী ও পরিবারের অন্য সদস্যরা অশ্লীল কাজ বা ব্যভিচার করলে সে ভাল মনে করে গ্রহণ করে অথবা প্রতিবাদ না করে চুপ থাকে।
দাউস ব্যক্তি যে জান্নাতে যাবে না সেটা কি জানেন? নিচের হাদীসটি পড়ুন-
عن ابن عمر رضي الله عنهما قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاثة لا يدخلون الجنة : العاق لوالديه ، والديوث ، ورجلة النساء
-আব্দুল্লাহ ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণীত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেন,
তিন ব্যক্তি জান্নাতে যাবে না-
✔ মাতা-পিতার অবাধ্যকারী।
✔ দাইউস এবং
✔ পুরুষের সাদৃশ্য অবলম্বনকারী মহিলা।
[হাকেম, কিতাবুল জামে আসসগীর লি আলবানী, ৩য় খন্ড, হা/৩০৫৮]
عن ابن عمر رضي الله عنهما قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاثة لا يدخلون الجنة : العاق لوالديه ، والديوث ، ورجلة النساء
-আব্দুল্লাহ ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণীত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেন,
তিন ব্যক্তি জান্নাতে যাবে না-
✔ মাতা-পিতার অবাধ্যকারী।
✔ দাইউস এবং
✔ পুরুষের সাদৃশ্য অবলম্বনকারী মহিলা।
[হাকেম, কিতাবুল জামে আসসগীর লি আলবানী, ৩য় খন্ড, হা/৩০৫৮]
আলোচ্য হাদিসটির ব্যাখ্যা অনেক অর্থবহ। মুল বিষয় হল বেপর্দা ও অশ্লীলতা।
আমাদের সমাজে দুই ধরনের দাউস দেখা যায়।
■ ঘরের অভ্যান্তরের দাউসঃ যেমন-
=================
✔ যে নিজে নামাজ পড়ে কিন্তু ছেলে-মেয়েদের সালাত, হিজাব পালন করতে উৎসাহ দেয় না, এই শিক্ষাও দেয় না। এই ব্যাপারে কোন আদেশ-ই করেনা।
আমাদের সমাজে দুই ধরনের দাউস দেখা যায়।
■ ঘরের অভ্যান্তরের দাউসঃ যেমন-
=================
✔ যে নিজে নামাজ পড়ে কিন্তু ছেলে-মেয়েদের সালাত, হিজাব পালন করতে উৎসাহ দেয় না, এই শিক্ষাও দেয় না। এই ব্যাপারে কোন আদেশ-ই করেনা।
✔ ঘরে সিনেমা, সিরিয়াল, গান-বাজনা চলে, এর কোন প্রতিবাদ করে না; পারলে নিজেই এগুলোর ব্যবস্থা করে দেয়। মাসে মাসে ডিস বিল দেয়, ইন্টারনেট বিল দেয় অথচ এই গুলোর মাধ্যমে যে অশ্লীলতা আসে সেটা সে কিছুই মনে করে না।
✔ স্ত্রী, মেয়ে এবং তার অধীনস্ত দাসী পর্দা-বিহীন,খোলা-মেলা ভাবে বাইরে যায় কিন্তু অভিভাবক এতে কিছুই মনে করে না।
✔ তার ছেলে অথবা মেয়ে বিবাহপূর্ব হারাম প্রেমে লিপ্ত কিন্তু সেটা এটাকে ম্যাচিওরিটি মনে করে।
■ ঘরের বাইরের দাউস: যেমন-
========================
✔যে পুরুষেরা নারীদেরকে টাকার লোভ দেখিয়ে বা ফাঁদে ফেলে খারাপ কাজে লিপ্ত করায় যেমন পেপার, ম্যাগাজিন, পোষ্টারে, পন্যের মডলের পাশে, বিজ্ঞাপনে নগ্ন নারীর নগ্য ছবি ছেপে বিলবোর্ডে টানিয়ে দেয়।
========================
✔যে পুরুষেরা নারীদেরকে টাকার লোভ দেখিয়ে বা ফাঁদে ফেলে খারাপ কাজে লিপ্ত করায় যেমন পেপার, ম্যাগাজিন, পোষ্টারে, পন্যের মডলের পাশে, বিজ্ঞাপনে নগ্ন নারীর নগ্য ছবি ছেপে বিলবোর্ডে টানিয়ে দেয়।
✔ যে নাটক-সিনেমাতে নারীদেরকে রুচিহীনভাবে উপস্থাপন করা।
আশ্চর্যের ব্যপার হচ্ছে- এই সমস্ত নষ্ট চরিত্রের লোকগুলোই বর্তমান সমাজে সাহিত্যিক, নাট্যকার, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সুশীল সমাজ, বুদ্ধিজীবি ইত্যাদি ট্যাগ পেয়ে থাকেন।
বড়ই অদ্ভুদ এই মুসলীম সমাজ!
বড়ই অদ্ভুদ এই মুসলীম সমাজ!
No comments:
Post a Comment