
আসসালামু আলাইকুম
সালাতের সম্পর্কে অন্যান্য জ্ঞাতব্য বিষয়সমূহ
* একাকী সালাতের চেয়ে জামা‘আতে সালাত আদায় করায় ২৫ বা ২৭ গুণ বেশী সওয়াব আছে। (মুত্তাফাক্ব আলাইহি)
* যখন খাদ্য হাযির হবে, অথবা পায়খানা-প্রসাবের বেগ হবে, ওদিকে সালাতের এক্বামত হবে, তখন প্রথমে খাওয়া সেরে নিতে পারবে, অথবা পায়খানা-প্রসাব সেরে নিতে পারবে, তারপর সালাত আদায় করতে হবে। (মুত্তাফাক্ব আলাইহি, মিশকাত হাঃ ১০৫৬)
* মসজিদে মেয়েরা গেলে তাদের জন্য সুগন্ধি মাখা নিষেধ হবে।
(বায়হাক্বী ৩/১২৩; মিশকাত হাঃ ১০৬০, মুসলিম)
* যদি কেউ অযু করে মসজিদে সালাতের জন্য রওনা হয়, আল্লাহ তার প্রতি পদক্ষেপের জন্য একটি করে নেকী লিখেন, তার মর্যাদার স্তর একটি করে উন্নীত হয় ও তার একটি করে গুনাহ ঝরে পড়ে।
(মুসলিম, মিশকাত হাঃ ১০৭২)
* যে ব্যক্তি আযান হওয়ার সাথে সাথে (কোন জরুরী প্রয়োজন ছাড়াই) মসজিদ থেকে বের হয়ে গেল, সে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর অবাধ্যতা করল। (মুসলিম, মিশকাত হা ঃ ১০৭৫)
* সালাত অবস্থায় কোমরে হাত দিয়ে দাঁড়ানো যাবে না। আসমানের দিকে তাকানো যাবে না। (মুসলিম, মিশকাত হা ঃ ৯৮৯, ৯৮৩)
*সিজদার স্থান একবার সাফ করা যাবে।
(মিশকাত হাঃ ৯৮০, মুত্তাফাক্ব আলাইহি)
* হাই উঠলে ‘হা’ করে শব্দ করা যাবে না। তাতে শয়তান হাসে। অতএব সাধ্যমত চেপে রাখতে হবে। (বুখারী, মিশকাত হাঃ ৯৮৬)
* হাঁচি এলে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলা যাবে। (তিরমিযী, মিশকাত হাঃ ৯৯২, আবু দাউদ) তবে হাঁচির জওয়াব দেওয়া যাবে না। (মুসলিম, মিশকাত হা ঃ ৯৭৮)
* মুখে সালামের জওয়াব দেয়া যাবে না। তবে আঙ্গুল দিয়ে ইশারা করা যাবে। (তিরমিযী, মিশকাত হাঃ ৯৯১)
* বাচ্চা কোলে নিয়েও সালাহ্ আদায় করা যাবে। ( মিশকাত)
* কবরের দিকে ফিরে সালাত্ আদায় করা এবং কবরের উপরে বসা নিষেধ। (মুসলিম, আবু দাউদ, ছিফাতু ছালাতিন্নাবী (ﷺ) পৃঃ ৬৫)
* ‘নাওয়াইতুয়ান উছাল্লিয়া’ বলে সালাত্ শুরু করা বিদ‘আত। ‘আল্লাহু আকবার’ বলে সালাহ্ শুরু করতে হবে।
(মুসলিম, ইবনু মাজাহ, ছিফাতু ছালাতিন্নাবী (ﷺ) পৃঃ ৬৬)
* আযান ও ইকামতের মধ্যবর্তী দু‘আ ফিরত দেয়া হয় না। (তিরমিযী)
* মহিলাদের চুল বেঁধে নামায আদায় করা মাকরূহ। (তিরমিযী)
* তাকবীর ব্যতীত যেমন সালাতে প্রবেশ করা যায় না, তেমনি সালাম ব্যতীত সালাত্ শেষ করা যায় না। (আবু দাউদ, তিরমিযী, মিশকাত হাঃ ৩১২)
* বুকে হাত বাঁধা ব্যতীত অন্যভাবে সালাত্ আদায় করা ভিত্তিহীন, না হয় যঈফ। (আলবানী, হাশিয়া ছিফাতু ছালাতিন্নাবী (ﷺ) পৃঃ ৬৯)
* সালাত্ আবস্থায় ডানে বামে বা আসমানের দিকে তাকানো নিষেধ। যতক্ষণ বান্দা এক দৃষ্টে সালাত্ রত থাকে ও অন্যদিকে না তাকায়, ততক্ষণ আল্লাহ্ তার দিকে তাকিয়ে থাকেন। কিন্তু যেমনি সে মুখ ফিরায়, তেমনি আল্লাহ মুখ ফিরিয়ে নেন। (আবু দাউদ, ছহীহ তারগীব হাঃ ৫৫৫)
* রাসূলে কারীম (ﷺ) সালাতের মধ্যে তিনটি বিষয়ে নিষেধ করেছেনঃ (১) মোরগের মত ঠোকর দিয়ে দ্রুত সালাত্ আদায় করা। (২) কুকুরের মত চার হাত-পা একত্র করে বসা। (৩) শৃগালের মত এদিক ওদিক তাকানো। (আহমাদ, ছহীহ তারগীব হাঃ ৫৫৩)
* সালাতের সময় নকশা করা পোশাক পরিধান করা উচিত নয়, যাতে নিজের বা অন্য মুছল্লীর দৃষ্টি কেড়ে নেয়। (বুখারী, মুসলিম, ইরওয়া হাঃ ৩৭৬) মুছাল্লা বা জায়নামাযের ব্যাপারেও এ কথা বলা যেতে পারে।
* ডান, বাম বা সামনে থেকে ছবিযুক্ত সবকিছু দৃষ্টির বাইরে সরিয়ে ফেলতে হবে। (বুখারী, মুসলিম)
* “বাচ্চাদের মসজিদ থেকে দূরে সরিয়ে রাখ” বলে যে হাদীস প্রচলিত আছে, তা সর্বসম্মত ভাবে যঈফ। (হাশিয়া ছিফাতু ছালাতিন্নাবী(ﷺ) পৃঃ ৮৫)
* রাসূলে কারীম (ﷺ) বলেন ঃ সবচেয়ে বড় চোর হল ‘সালাত চোর’ সে হল ঐ ব্যক্তি যে সালাতে রুকু ও সিজদা পূর্ণ করে না।
(মিশকাত হাঃ ৮৮৫, ছিফাতু ছালাতিন্নাবী (ﷺ) পৃঃ ১১২)
* সালাতের মধ্যে আরবী ছাড়া অন্য ভাষায় ক্বিরাআত ও তাসবীহ পাঠ করা যাবে না। (মুসলিম, বুলূগুল মারাম হাঃ ২১৭)
* ক্বাযা সালাত আদায়ের নিয়মের স্পষ্ট কোন হদীস পাওয়া যায় না। তবে ধারাবহিক ভাবে আদায় করা বাঞ্ছনীয়। ঘুমিয়ে গেলে বা অজ্ঞান হয়ে গেলে বা ভুলে গেলে ঘুম ভাঙ্গার বা জ্ঞান ফিরে আসার বা মনে পড়ার সাথে সাথে বা স্মরণে আসার সাথে সাথে ক্বাযা সালাহ্ আদায় করতে হবে। (ফিকহুস সুন্নাহ- ১/২০৫)
* ‘উমরী ক্বাযা’ আদায় সম্পূর্ণ বিদ‘আতী প্রথা।
(মুসলিম, মিশকাত হাঃ ২৮)
* পুরুষদের টাখনুর উপরে কাপড় সর্বদা থাকতে হবে, শুধু সালাতের সময় নয়। (বুখারী, মিশকাত হাঃ ৪৩১৪)
* যখন সালাতের এক্বামত হবে, তখন ঐ ফরয সালাত্ ব্যতীত আর কোন সালাত্ নেই। (মুমলিম, মিশকাত হাঃ ১০৫৮)
* সালাত্ রত অবস্থায় সাপ, বিচ্ছু ইত্যাদি ক্ষতিকর প্রাণী মারা যাবে। (আহমাদ, আবু দাউদ, তিরমিযী, মিশকাত হাঃ ১০০৪)
* মুসল্লীদের কাছে আওয়াজ পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে ইমামের তাকবীরের পিছে পিছে মুকাব্বির উচ্চঃস্বরে তাকবীর দিতে পারবে।
(আহমাদ, মুসলিম, নাসাঈ)
* মসজিদের মেম্বর তিন স্তর বিশিষ্ট হওয়া সুন্নাত। এর বেশী উমাইয়াদের সৃষ্ট বিদ‘আত। (আলবানী হাশিয়া ছিফাতু ছালাতিন্নাবী (ﷺ) পৃঃ ৬২)
* সিজদার সময় নিজের পক্ষে ধারণা করে নেয়ার সুবিধার্তে প্রত্যেক মুসল্লী নিজ হাঁটু থেকে নিজ হাতের দেড় হাত দূরে সিজদা দেয়া যেতে পারে।
* “যে ব্যক্তি ইমামের পিছনে সূরা ফাতিহা পাঠ করবে, তার মুখ আগুন দ্বারা ভরে দেয়া হবে” প্রচলিত এ হাদীসটি ‘মওযূ’ বা জাল
* ফরয ও নফল সালাতের মধ্যে কথা বলা বা বের হয়ে যাওয়ার মাধ্যমে পার্থক্য করা উচিত। (মুসলিম, আবু দাউদ)
* ফরয সালাত্ আদায়ের স্থান থেকে কিছুটা সরে গিয়ে সুন্নাত নফল সালাত্ আদায় করা মুস্তাহাব। (আবু দাউদ, মিশকাত হাঃ ৯৫৩)
* সালাতের মধ্যে দু‘আর সময় আকাশের দিকে তাকালে তাদের চোখের জোতি ছিনিয়ে নেয়া হবে (মুসলিম)
* সালাতের মধ্যে যখন কিছু ঘটে তখন পুরুষরা বলবে ‘সুবহানাল্লাহ’ এবং মেয়েরা হাতের উপর হাত মারবে (বুখারী ও মুসলিম)
* রাসূল (ﷺ) বলেছেন সালাতের মধ্যে হাই তোলা শয়তানের পক্ষ থেকে হয়, অতএব যখন তোমাদের কারো হাই আসে তখন সে সাধ্য অনুযায়ী একে রোধ করতে চেষ্টা করবে। (তিরমিযী)
সালাতের সম্পর্কে অন্যান্য জ্ঞাতব্য বিষয়সমূহ
* একাকী সালাতের চেয়ে জামা‘আতে সালাত আদায় করায় ২৫ বা ২৭ গুণ বেশী সওয়াব আছে। (মুত্তাফাক্ব আলাইহি)
* যখন খাদ্য হাযির হবে, অথবা পায়খানা-প্রসাবের বেগ হবে, ওদিকে সালাতের এক্বামত হবে, তখন প্রথমে খাওয়া সেরে নিতে পারবে, অথবা পায়খানা-প্রসাব সেরে নিতে পারবে, তারপর সালাত আদায় করতে হবে। (মুত্তাফাক্ব আলাইহি, মিশকাত হাঃ ১০৫৬)
* মসজিদে মেয়েরা গেলে তাদের জন্য সুগন্ধি মাখা নিষেধ হবে।
(বায়হাক্বী ৩/১২৩; মিশকাত হাঃ ১০৬০, মুসলিম)
* যদি কেউ অযু করে মসজিদে সালাতের জন্য রওনা হয়, আল্লাহ তার প্রতি পদক্ষেপের জন্য একটি করে নেকী লিখেন, তার মর্যাদার স্তর একটি করে উন্নীত হয় ও তার একটি করে গুনাহ ঝরে পড়ে।
(মুসলিম, মিশকাত হাঃ ১০৭২)
* যে ব্যক্তি আযান হওয়ার সাথে সাথে (কোন জরুরী প্রয়োজন ছাড়াই) মসজিদ থেকে বের হয়ে গেল, সে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর অবাধ্যতা করল। (মুসলিম, মিশকাত হা ঃ ১০৭৫)
* সালাত অবস্থায় কোমরে হাত দিয়ে দাঁড়ানো যাবে না। আসমানের দিকে তাকানো যাবে না। (মুসলিম, মিশকাত হা ঃ ৯৮৯, ৯৮৩)
*সিজদার স্থান একবার সাফ করা যাবে।
(মিশকাত হাঃ ৯৮০, মুত্তাফাক্ব আলাইহি)
* হাই উঠলে ‘হা’ করে শব্দ করা যাবে না। তাতে শয়তান হাসে। অতএব সাধ্যমত চেপে রাখতে হবে। (বুখারী, মিশকাত হাঃ ৯৮৬)
* হাঁচি এলে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলা যাবে। (তিরমিযী, মিশকাত হাঃ ৯৯২, আবু দাউদ) তবে হাঁচির জওয়াব দেওয়া যাবে না। (মুসলিম, মিশকাত হা ঃ ৯৭৮)
* মুখে সালামের জওয়াব দেয়া যাবে না। তবে আঙ্গুল দিয়ে ইশারা করা যাবে। (তিরমিযী, মিশকাত হাঃ ৯৯১)
* বাচ্চা কোলে নিয়েও সালাহ্ আদায় করা যাবে। ( মিশকাত)
* কবরের দিকে ফিরে সালাত্ আদায় করা এবং কবরের উপরে বসা নিষেধ। (মুসলিম, আবু দাউদ, ছিফাতু ছালাতিন্নাবী (ﷺ) পৃঃ ৬৫)
* ‘নাওয়াইতুয়ান উছাল্লিয়া’ বলে সালাত্ শুরু করা বিদ‘আত। ‘আল্লাহু আকবার’ বলে সালাহ্ শুরু করতে হবে।
(মুসলিম, ইবনু মাজাহ, ছিফাতু ছালাতিন্নাবী (ﷺ) পৃঃ ৬৬)
* আযান ও ইকামতের মধ্যবর্তী দু‘আ ফিরত দেয়া হয় না। (তিরমিযী)
* মহিলাদের চুল বেঁধে নামায আদায় করা মাকরূহ। (তিরমিযী)
* তাকবীর ব্যতীত যেমন সালাতে প্রবেশ করা যায় না, তেমনি সালাম ব্যতীত সালাত্ শেষ করা যায় না। (আবু দাউদ, তিরমিযী, মিশকাত হাঃ ৩১২)
* বুকে হাত বাঁধা ব্যতীত অন্যভাবে সালাত্ আদায় করা ভিত্তিহীন, না হয় যঈফ। (আলবানী, হাশিয়া ছিফাতু ছালাতিন্নাবী (ﷺ) পৃঃ ৬৯)
* সালাত্ আবস্থায় ডানে বামে বা আসমানের দিকে তাকানো নিষেধ। যতক্ষণ বান্দা এক দৃষ্টে সালাত্ রত থাকে ও অন্যদিকে না তাকায়, ততক্ষণ আল্লাহ্ তার দিকে তাকিয়ে থাকেন। কিন্তু যেমনি সে মুখ ফিরায়, তেমনি আল্লাহ মুখ ফিরিয়ে নেন। (আবু দাউদ, ছহীহ তারগীব হাঃ ৫৫৫)
* রাসূলে কারীম (ﷺ) সালাতের মধ্যে তিনটি বিষয়ে নিষেধ করেছেনঃ (১) মোরগের মত ঠোকর দিয়ে দ্রুত সালাত্ আদায় করা। (২) কুকুরের মত চার হাত-পা একত্র করে বসা। (৩) শৃগালের মত এদিক ওদিক তাকানো। (আহমাদ, ছহীহ তারগীব হাঃ ৫৫৩)
* সালাতের সময় নকশা করা পোশাক পরিধান করা উচিত নয়, যাতে নিজের বা অন্য মুছল্লীর দৃষ্টি কেড়ে নেয়। (বুখারী, মুসলিম, ইরওয়া হাঃ ৩৭৬) মুছাল্লা বা জায়নামাযের ব্যাপারেও এ কথা বলা যেতে পারে।
* ডান, বাম বা সামনে থেকে ছবিযুক্ত সবকিছু দৃষ্টির বাইরে সরিয়ে ফেলতে হবে। (বুখারী, মুসলিম)
* “বাচ্চাদের মসজিদ থেকে দূরে সরিয়ে রাখ” বলে যে হাদীস প্রচলিত আছে, তা সর্বসম্মত ভাবে যঈফ। (হাশিয়া ছিফাতু ছালাতিন্নাবী(ﷺ) পৃঃ ৮৫)
* রাসূলে কারীম (ﷺ) বলেন ঃ সবচেয়ে বড় চোর হল ‘সালাত চোর’ সে হল ঐ ব্যক্তি যে সালাতে রুকু ও সিজদা পূর্ণ করে না।
(মিশকাত হাঃ ৮৮৫, ছিফাতু ছালাতিন্নাবী (ﷺ) পৃঃ ১১২)
* সালাতের মধ্যে আরবী ছাড়া অন্য ভাষায় ক্বিরাআত ও তাসবীহ পাঠ করা যাবে না। (মুসলিম, বুলূগুল মারাম হাঃ ২১৭)
* ক্বাযা সালাত আদায়ের নিয়মের স্পষ্ট কোন হদীস পাওয়া যায় না। তবে ধারাবহিক ভাবে আদায় করা বাঞ্ছনীয়। ঘুমিয়ে গেলে বা অজ্ঞান হয়ে গেলে বা ভুলে গেলে ঘুম ভাঙ্গার বা জ্ঞান ফিরে আসার বা মনে পড়ার সাথে সাথে বা স্মরণে আসার সাথে সাথে ক্বাযা সালাহ্ আদায় করতে হবে। (ফিকহুস সুন্নাহ- ১/২০৫)
* ‘উমরী ক্বাযা’ আদায় সম্পূর্ণ বিদ‘আতী প্রথা।
(মুসলিম, মিশকাত হাঃ ২৮)
* পুরুষদের টাখনুর উপরে কাপড় সর্বদা থাকতে হবে, শুধু সালাতের সময় নয়। (বুখারী, মিশকাত হাঃ ৪৩১৪)
* যখন সালাতের এক্বামত হবে, তখন ঐ ফরয সালাত্ ব্যতীত আর কোন সালাত্ নেই। (মুমলিম, মিশকাত হাঃ ১০৫৮)
* সালাত্ রত অবস্থায় সাপ, বিচ্ছু ইত্যাদি ক্ষতিকর প্রাণী মারা যাবে। (আহমাদ, আবু দাউদ, তিরমিযী, মিশকাত হাঃ ১০০৪)
* মুসল্লীদের কাছে আওয়াজ পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে ইমামের তাকবীরের পিছে পিছে মুকাব্বির উচ্চঃস্বরে তাকবীর দিতে পারবে।
(আহমাদ, মুসলিম, নাসাঈ)
* মসজিদের মেম্বর তিন স্তর বিশিষ্ট হওয়া সুন্নাত। এর বেশী উমাইয়াদের সৃষ্ট বিদ‘আত। (আলবানী হাশিয়া ছিফাতু ছালাতিন্নাবী (ﷺ) পৃঃ ৬২)
* সিজদার সময় নিজের পক্ষে ধারণা করে নেয়ার সুবিধার্তে প্রত্যেক মুসল্লী নিজ হাঁটু থেকে নিজ হাতের দেড় হাত দূরে সিজদা দেয়া যেতে পারে।
* “যে ব্যক্তি ইমামের পিছনে সূরা ফাতিহা পাঠ করবে, তার মুখ আগুন দ্বারা ভরে দেয়া হবে” প্রচলিত এ হাদীসটি ‘মওযূ’ বা জাল
* ফরয ও নফল সালাতের মধ্যে কথা বলা বা বের হয়ে যাওয়ার মাধ্যমে পার্থক্য করা উচিত। (মুসলিম, আবু দাউদ)
* ফরয সালাত্ আদায়ের স্থান থেকে কিছুটা সরে গিয়ে সুন্নাত নফল সালাত্ আদায় করা মুস্তাহাব। (আবু দাউদ, মিশকাত হাঃ ৯৫৩)
* সালাতের মধ্যে দু‘আর সময় আকাশের দিকে তাকালে তাদের চোখের জোতি ছিনিয়ে নেয়া হবে (মুসলিম)
* সালাতের মধ্যে যখন কিছু ঘটে তখন পুরুষরা বলবে ‘সুবহানাল্লাহ’ এবং মেয়েরা হাতের উপর হাত মারবে (বুখারী ও মুসলিম)
* রাসূল (ﷺ) বলেছেন সালাতের মধ্যে হাই তোলা শয়তানের পক্ষ থেকে হয়, অতএব যখন তোমাদের কারো হাই আসে তখন সে সাধ্য অনুযায়ী একে রোধ করতে চেষ্টা করবে। (তিরমিযী)
No comments:
Post a Comment