
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম; আসসালামু আলাইকুম,
●●●● বেদআত হতে সাবধান ●●●●
●আল্লাহ্ তা’আলা পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করেনঃ “আজ আমি তোমাদের জন্যে তোমাদের দ্বীনকে পূর্নাঙ্গ করে দিলাম, তোমাদের প্রতি আমার অবদান সম্পূর্ণ করে দিলাম এবং ইসলামকে তোমাদের জন্যে দ্বীন হিসেবে পছন্দ করলাম।”-[সূরা আল মায়িদাহ;৩]
●আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন,“যে আমাদের এ ধর্মে এমন কোন নতুন বিষয় উদ্ভাবন করবে যা ধর্মে অন্তর্ভুক্ত ছিল না তা প্রত্যাখ্যাত হবে”।-[বুখারী ও মুসলিম]
●রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন,“আমাদের এ ধর্মে যে নতুন কোন বিষয় প্রচলন করবে তা প্রত্যাখ্যাত হবে।”-[বুখারী ও মুসলিম]
●আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত । রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন,” আল্লাহ্ বলেছেন, তোমারা সাহাবীগণের হুবহু অনুসরন করবে, মনগড়া ইবাদত উদ্ভাবন করবে না। তোমাদের এই দায়িত্ব পালন করে দেওয়া হয়েছে। দীন পালনের জন্য নতুন কোন পদ্ধতি উদ্ভাবনের কোন প্রয়োজন তোমাদের নেই; কারন দীন শিক্ষা দেওয়া ও তা পালন করার পদ্ধতিসমূহ রাসূল (সাঃ) ও তাঁর সাহাবীগণ পুরোপুরি আদায় করে গিয়েছেন। তোমাদের দায়িত্ব হল হুবহু তাঁদের অনুকরন ও অনুসরন করা।”-[বুখারী ও মুসলিম]
●সাহাল বিন সাদ (রা.) বলেনে,”আমি নবী করীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি যে,(যখন আমি হাউজে কাউসারের পানি পান করাব তখন) “অবশ্যই আমার কাছে এমন কিছু লোক আসবে যাদের আমি চিনি, এবং তারাও আমাকে চিনতে পারবে। অত:পর তাদের ও আমার মাঝে আড়াল করে দেয়া হবে। তখন আমি (ফেরেস্তাদের) বলব-এরাতো আমার উম্মত!” তখন আমাকে বলা হবে-আপনি জানেন না যে, তারা আপনার পর কি সব নতুন নতুন কাজের আবিস্কার করেছে। অত:পর আমি বলল-“যারা আমার পর আমার দ্বীনের পরিবর্তন সাধন করেছে, তারা দূর হোক, তারা দূর হোক।”-[বুখারী শরীফ, হাদিস নং-৬৬৪৩]
●রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন,”যে ব্যক্তি কোন বিদআতিকে সাহায্য করে, আল্লাহ্ তাকে লানত করেন।”-[মুসলিম]
●হাদিসে আরো এসেছে:“যে ব্যক্তি এমন কাজ করল যার প্রতি আমাদের (ইসলামের) নির্দেশ নেই, তা প্রত্যাখ্যাত।”-[মুসলিম]
●রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “সাবধান ! ধর্মে প্রবর্তিত নতুন বিষয় থেকে সর্বদা দূরে থাকবে। কেননা নব-প্রবর্তিত প্রতিটি বিষয় হল বেদআত ও প্রতিটি বেদআত হল পথভ্রষ্ঠতা।”-[আবু দাউদ, তিরমিজী, ইবনে মাজা, মুসনাদে আহমাদ]
●রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন,“শুনে রাখো! হাউজে কাউছারের কাছে তোমাদের সাথে আমার দেখা হবে। তোমাদের সংখ্যার আধিক্য নিয়ে আমি গর্ব করব। সেই দিন তোমরা আমার চেহারা মলিন করে দিওনা। জেনে রাখো! আমি সেদিন অনেক মানুষকে জাহান্নাম থেকে মুক্ত করার চেষ্টা চালাব। কিন্তু তাদের অনেককে আমার থেকে দূরে সরিয়ে নেয়া হবে। আমি বলব: হে আমার প্রতিপালক! তারা তো আমার প্রিয় সাথী-সংগী, আমার অনুসারী। কেন তাদের দূরে সরিয়ে দেয়া হচ্ছে? তিনি উত্তর দেবেন: আপনি জানেন না, আপনার চলে আসার পর তারা ধর্মের মধ্যে কি কি নতুন বিষয় আবিস্কার করেছে।”-[ইবনে মাজাহ]
●রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন,“আমি তোমাদেরকে আমার এবং আমার পরবর্তী সঠিক পথপ্রাপ্ত খলীফাদের অনুসরণের ব্যাপারে তাগিদ দিচ্ছি; তোমরা একে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরে থাক। [দ্বীনের মধ্যে] নব উদ্ভাবিত বিষয় সম্পর্কে সাবধান হও, কেননা প্রতিটি নবোদ্ভাবিত বিষয়ই বিদআত, এবং প্রতিটি বিদাতই হচ্ছে পথভ্রষ্টতা।”-[আহমাদ, তিরমিযী]
●রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একদিন বললেন,”তোমাদের অবস্থা তখন কেমন হবে যখন বিদ’আত তোমাদেরকে এমনভাবে ঘিরে নেবে যে এই বিদ’আত করতে করতে তোমাদের যুবকেরা বৃদ্ধ হবে, আর এই বিদ’আত করতে করতে ছোটরা বড় হবে এবং মানুষ এটাকে (অর্থাৎ এই সব বিদ’আত কে) সুন্নাত হিসাবে গ্রহন করবে। আর যদি কেউ এই বিদ’আত এর কিছু ত্যাগ করে, তখন তাকে বলা হবে, ‘তুমি কি একটা সুন্নাত ত্যাগ করলে ?”;সাহাবীগন (রা) জিজ্ঞাসা করলেনঃ ”কখন এমনটা হবে??”;তিনি (স:) বললেনঃ যখন (হকপন্থি) আলিমদের মৃত্যু হয়ে যাবে, ক্বারিদের (reciters) সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে, দীন এর বুঝ সম্পন্ন মানুষের সংখ্যা হবে খুবই অল্প, (religious)নেতা/মাতবরদের সংখ্যা বাড়বে, বিশ্বস্ত মানুষ হবে খুবই কম, দীন এর কাজের মধ্যে মানুষ দুনিয়ার লাভ খুঁজবে,এবং দীনী ‘ইলম বাদ দিয়ে বাকি অন্যান্য জ্ঞান অন্বেষণ করা হবে”-[সুনান আদ-দারেমি (১/৬৪),দুটি ভিন্ন সনদে, প্রথমটি সাহিহ এবং দ্বিতীয়টি হাসান (আলবানি); হাকিম (৪/৫১৪)]
●রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন,“সবচেয়ে সত্য ভাষণ হচ্ছে আল্লাহর কিতাব, এবং সর্বশ্রেষ্ঠ তরিকা হচ্ছে মুহাম্মাদের তরিকা, আর সবচেয়ে খারাপ বিষয় হচ্ছে (দ্বীনের ব্যাপারে) নব উদ্ভাবিত বিষয়।”
●একদা ইমাম মালিক (৯৩-১৭৯ হিঃ) স্বীয় ছাত্র ইমাম শাফেঈ (১৫০-২০৪ হিঃ)কে বললেন,“রাসূলুল্লাহ (সা) ও সাহাবাদের সময়ে যেসব বিষয় ‘দ্বীন’ হিসেব গৃহীত ছিল না, বর্তমান কালেও তা ‘দ্বীন’ হিসেবে গৃহীত হবে না। যে ব্যক্তি ধর্মের নামে ইসলামে নতুন কোন প্রথা চালু করল, অতঃপর তাকে ভাল কাজ বলে রায় দিল, সে ধারনা করে নিল যে, আল্লাহ্র রাসূল (সা) স্বীয় রিসালাতের দায়িত্ব পালনে খেয়ানত করেছেন” (নাউযুবিল্লাহ)।
●আল্লাহ্ তা’আলা পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করেনঃ “আজ আমি তোমাদের জন্যে তোমাদের দ্বীনকে পূর্নাঙ্গ করে দিলাম, তোমাদের প্রতি আমার অবদান সম্পূর্ণ করে দিলাম এবং ইসলামকে তোমাদের জন্যে দ্বীন হিসেবে পছন্দ করলাম।”-[সূরা আল মায়িদাহ;৩]
●আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন,“যে আমাদের এ ধর্মে এমন কোন নতুন বিষয় উদ্ভাবন করবে যা ধর্মে অন্তর্ভুক্ত ছিল না তা প্রত্যাখ্যাত হবে”।-[বুখারী ও মুসলিম]
●রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন,“আমাদের এ ধর্মে যে নতুন কোন বিষয় প্রচলন করবে তা প্রত্যাখ্যাত হবে।”-[বুখারী ও মুসলিম]
●আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত । রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন,” আল্লাহ্ বলেছেন, তোমারা সাহাবীগণের হুবহু অনুসরন করবে, মনগড়া ইবাদত উদ্ভাবন করবে না। তোমাদের এই দায়িত্ব পালন করে দেওয়া হয়েছে। দীন পালনের জন্য নতুন কোন পদ্ধতি উদ্ভাবনের কোন প্রয়োজন তোমাদের নেই; কারন দীন শিক্ষা দেওয়া ও তা পালন করার পদ্ধতিসমূহ রাসূল (সাঃ) ও তাঁর সাহাবীগণ পুরোপুরি আদায় করে গিয়েছেন। তোমাদের দায়িত্ব হল হুবহু তাঁদের অনুকরন ও অনুসরন করা।”-[বুখারী ও মুসলিম]
●সাহাল বিন সাদ (রা.) বলেনে,”আমি নবী করীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি যে,(যখন আমি হাউজে কাউসারের পানি পান করাব তখন) “অবশ্যই আমার কাছে এমন কিছু লোক আসবে যাদের আমি চিনি, এবং তারাও আমাকে চিনতে পারবে। অত:পর তাদের ও আমার মাঝে আড়াল করে দেয়া হবে। তখন আমি (ফেরেস্তাদের) বলব-এরাতো আমার উম্মত!” তখন আমাকে বলা হবে-আপনি জানেন না যে, তারা আপনার পর কি সব নতুন নতুন কাজের আবিস্কার করেছে। অত:পর আমি বলল-“যারা আমার পর আমার দ্বীনের পরিবর্তন সাধন করেছে, তারা দূর হোক, তারা দূর হোক।”-[বুখারী শরীফ, হাদিস নং-৬৬৪৩]
●রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন,”যে ব্যক্তি কোন বিদআতিকে সাহায্য করে, আল্লাহ্ তাকে লানত করেন।”-[মুসলিম]
●হাদিসে আরো এসেছে:“যে ব্যক্তি এমন কাজ করল যার প্রতি আমাদের (ইসলামের) নির্দেশ নেই, তা প্রত্যাখ্যাত।”-[মুসলিম]
●রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “সাবধান ! ধর্মে প্রবর্তিত নতুন বিষয় থেকে সর্বদা দূরে থাকবে। কেননা নব-প্রবর্তিত প্রতিটি বিষয় হল বেদআত ও প্রতিটি বেদআত হল পথভ্রষ্ঠতা।”-[আবু দাউদ, তিরমিজী, ইবনে মাজা, মুসনাদে আহমাদ]
●রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন,“শুনে রাখো! হাউজে কাউছারের কাছে তোমাদের সাথে আমার দেখা হবে। তোমাদের সংখ্যার আধিক্য নিয়ে আমি গর্ব করব। সেই দিন তোমরা আমার চেহারা মলিন করে দিওনা। জেনে রাখো! আমি সেদিন অনেক মানুষকে জাহান্নাম থেকে মুক্ত করার চেষ্টা চালাব। কিন্তু তাদের অনেককে আমার থেকে দূরে সরিয়ে নেয়া হবে। আমি বলব: হে আমার প্রতিপালক! তারা তো আমার প্রিয় সাথী-সংগী, আমার অনুসারী। কেন তাদের দূরে সরিয়ে দেয়া হচ্ছে? তিনি উত্তর দেবেন: আপনি জানেন না, আপনার চলে আসার পর তারা ধর্মের মধ্যে কি কি নতুন বিষয় আবিস্কার করেছে।”-[ইবনে মাজাহ]
●রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন,“আমি তোমাদেরকে আমার এবং আমার পরবর্তী সঠিক পথপ্রাপ্ত খলীফাদের অনুসরণের ব্যাপারে তাগিদ দিচ্ছি; তোমরা একে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরে থাক। [দ্বীনের মধ্যে] নব উদ্ভাবিত বিষয় সম্পর্কে সাবধান হও, কেননা প্রতিটি নবোদ্ভাবিত বিষয়ই বিদআত, এবং প্রতিটি বিদাতই হচ্ছে পথভ্রষ্টতা।”-[আহমাদ, তিরমিযী]
●রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একদিন বললেন,”তোমাদের অবস্থা তখন কেমন হবে যখন বিদ’আত তোমাদেরকে এমনভাবে ঘিরে নেবে যে এই বিদ’আত করতে করতে তোমাদের যুবকেরা বৃদ্ধ হবে, আর এই বিদ’আত করতে করতে ছোটরা বড় হবে এবং মানুষ এটাকে (অর্থাৎ এই সব বিদ’আত কে) সুন্নাত হিসাবে গ্রহন করবে। আর যদি কেউ এই বিদ’আত এর কিছু ত্যাগ করে, তখন তাকে বলা হবে, ‘তুমি কি একটা সুন্নাত ত্যাগ করলে ?”;সাহাবীগন (রা) জিজ্ঞাসা করলেনঃ ”কখন এমনটা হবে??”;তিনি (স:) বললেনঃ যখন (হকপন্থি) আলিমদের মৃত্যু হয়ে যাবে, ক্বারিদের (reciters) সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে, দীন এর বুঝ সম্পন্ন মানুষের সংখ্যা হবে খুবই অল্প, (religious)নেতা/মাতবরদের সংখ্যা বাড়বে, বিশ্বস্ত মানুষ হবে খুবই কম, দীন এর কাজের মধ্যে মানুষ দুনিয়ার লাভ খুঁজবে,এবং দীনী ‘ইলম বাদ দিয়ে বাকি অন্যান্য জ্ঞান অন্বেষণ করা হবে”-[সুনান আদ-দারেমি (১/৬৪),দুটি ভিন্ন সনদে, প্রথমটি সাহিহ এবং দ্বিতীয়টি হাসান (আলবানি); হাকিম (৪/৫১৪)]
●রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন,“সবচেয়ে সত্য ভাষণ হচ্ছে আল্লাহর কিতাব, এবং সর্বশ্রেষ্ঠ তরিকা হচ্ছে মুহাম্মাদের তরিকা, আর সবচেয়ে খারাপ বিষয় হচ্ছে (দ্বীনের ব্যাপারে) নব উদ্ভাবিত বিষয়।”
●একদা ইমাম মালিক (৯৩-১৭৯ হিঃ) স্বীয় ছাত্র ইমাম শাফেঈ (১৫০-২০৪ হিঃ)কে বললেন,“রাসূলুল্লাহ (সা) ও সাহাবাদের সময়ে যেসব বিষয় ‘দ্বীন’ হিসেব গৃহীত ছিল না, বর্তমান কালেও তা ‘দ্বীন’ হিসেবে গৃহীত হবে না। যে ব্যক্তি ধর্মের নামে ইসলামে নতুন কোন প্রথা চালু করল, অতঃপর তাকে ভাল কাজ বলে রায় দিল, সে ধারনা করে নিল যে, আল্লাহ্র রাসূল (সা) স্বীয় রিসালাতের দায়িত্ব পালনে খেয়ানত করেছেন” (নাউযুবিল্লাহ)।
No comments:
Post a Comment