
সেদিন আপনার চোখ, কান ও দেহের
চামড়াও সাক্ষী দেবে।
মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন-
চামড়াও সাক্ষী দেবে।
মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন-
পরে যখন সবাই সেখানে পৌঁছে যাবে
তখন তাদের কান, তাদের চোখ এবং
তাদের দেহের চামড়া তারা পৃথিবীতে
কি করতো সে সম্পর্কে তাদের বিরুদ্ধে
সাক্ষ্য দেবে। তারা তাদের শরীরের
চামড়াসমূহকে বলবে, তোমরা আমাদের
বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলে কেন ? (অঙ্গ-
প্রত্যঙ্গ ও চামড়া) জবাব দেবে, সেই
আল্লাহই আমাদের বাকশক্তি দান
করেছেন যিনি প্রতিটি বস্তুকে
বাকশক্তি দান করেছেন। তিনিই
তোমাদেরকে প্রথমবার সৃষ্টি
করেছিলেন। আর এখন তোমাদেরকে তাঁর
কাছেই ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
(সূরা হামীম সাজ্দাহ্-২০-২১)
তখন তাদের কান, তাদের চোখ এবং
তাদের দেহের চামড়া তারা পৃথিবীতে
কি করতো সে সম্পর্কে তাদের বিরুদ্ধে
সাক্ষ্য দেবে। তারা তাদের শরীরের
চামড়াসমূহকে বলবে, তোমরা আমাদের
বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলে কেন ? (অঙ্গ-
প্রত্যঙ্গ ও চামড়া) জবাব দেবে, সেই
আল্লাহই আমাদের বাকশক্তি দান
করেছেন যিনি প্রতিটি বস্তুকে
বাকশক্তি দান করেছেন। তিনিই
তোমাদেরকে প্রথমবার সৃষ্টি
করেছিলেন। আর এখন তোমাদেরকে তাঁর
কাছেই ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
(সূরা হামীম সাজ্দাহ্-২০-২১)
পৃথিবীতে আল্লাহর বিধানের
মোকাবিলায় যারা বিদ্রোহীর ভূমিকা
পালন করেছে, এরা বিচার দিবসেও
নিজেদের অপরাধ ঢাকা দেয়ার জন্য
মিথ্যা কথা বলবে। অনিবার্য শাস্তি ও
তার ভয়াবহতা দেখে তা থেকে নিজেকে
রক্ষা করার জন্য যখন তারা মিথ্যার
আশ্রয় গ্রহণ করবে, তখন তাদের পক্ষে
আল্লাহর বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্ব ও অবিচার
করার অভিযোগও তোলা মোটেও
অসম্ভব নয়। এ জন্য পৃথিবীতে মানুষের
জীবনলিপি-কন্ঠস্বর রেকর্ড ও চলমান ছবি
সংরক্ষণের ব্যবস্থাই শুধু করা হয়নি,
পক্ষপাতহীন বিচারের লক্ষ্যে এমন এক
ব্যবস্থা করা হয়েছে যে, মানুষ অপরাধ
সংঘটনের সময় তার দেহের যেসব অঙ্গ-
প্রত্যঙ্গ ব্যবহার করেছিল, সেসব কিছুই
যেন তার কৃতকর্মের ব্যাপারে সাক্ষ্য
প্রদান করে। মহান আল্লাহ এমনিতেই
মানুষের অসংখ্য অপরাধ ক্ষমা করে দেন।
তারপরেও বান্দা যেন শাস্তিভোগ না
করে, এ জন্য তিনি অত্যন্ত সুক্ষ্ম বিচার
করবেন। সেদিন কারো প্রতি সামান্যতম
জুলুম করা হবে না। যারা পৃথিবীতে
সৎকাজ করেছে, তাদের সৎকাজের
প্রতিদান দশগুণ বৃদ্ধি করা হবে। আর যারা
অসৎ কাজ করেছে, সেই অসৎ কাজের
পরিমাণ অনুযায়ীই শাস্তি প্রদান করা
হবে, এর জন্য কোন বর্ধিত শাস্তির
ব্যবস্থা করা হবে না। মহান আল্লাহ
তা’য়ালা বলেন-
মোকাবিলায় যারা বিদ্রোহীর ভূমিকা
পালন করেছে, এরা বিচার দিবসেও
নিজেদের অপরাধ ঢাকা দেয়ার জন্য
মিথ্যা কথা বলবে। অনিবার্য শাস্তি ও
তার ভয়াবহতা দেখে তা থেকে নিজেকে
রক্ষা করার জন্য যখন তারা মিথ্যার
আশ্রয় গ্রহণ করবে, তখন তাদের পক্ষে
আল্লাহর বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্ব ও অবিচার
করার অভিযোগও তোলা মোটেও
অসম্ভব নয়। এ জন্য পৃথিবীতে মানুষের
জীবনলিপি-কন্ঠস্বর রেকর্ড ও চলমান ছবি
সংরক্ষণের ব্যবস্থাই শুধু করা হয়নি,
পক্ষপাতহীন বিচারের লক্ষ্যে এমন এক
ব্যবস্থা করা হয়েছে যে, মানুষ অপরাধ
সংঘটনের সময় তার দেহের যেসব অঙ্গ-
প্রত্যঙ্গ ব্যবহার করেছিল, সেসব কিছুই
যেন তার কৃতকর্মের ব্যাপারে সাক্ষ্য
প্রদান করে। মহান আল্লাহ এমনিতেই
মানুষের অসংখ্য অপরাধ ক্ষমা করে দেন।
তারপরেও বান্দা যেন শাস্তিভোগ না
করে, এ জন্য তিনি অত্যন্ত সুক্ষ্ম বিচার
করবেন। সেদিন কারো প্রতি সামান্যতম
জুলুম করা হবে না। যারা পৃথিবীতে
সৎকাজ করেছে, তাদের সৎকাজের
প্রতিদান দশগুণ বৃদ্ধি করা হবে। আর যারা
অসৎ কাজ করেছে, সেই অসৎ কাজের
পরিমাণ অনুযায়ীই শাস্তি প্রদান করা
হবে, এর জন্য কোন বর্ধিত শাস্তির
ব্যবস্থা করা হবে না। মহান আল্লাহ
তা’য়ালা বলেন-
প্রকৃতপক্ষে যে ব্যক্তি (আল্লাহর
দরবারে) সৎকাজ নিয়ে উপস্থিত হবে, তার
জন্য দশগুণ বেশী পুরস্কার রয়েছে। যে
পাপের কাজ নিয়ে আসবে তাকে ততটুকুই
প্রতিফল দেয়া হবে, যতটুকু সে অপরাধ
করেছে। আর কারো ওপরে জুলুম করা হবে
না। (সূরা আন’আম-১৬০)
দরবারে) সৎকাজ নিয়ে উপস্থিত হবে, তার
জন্য দশগুণ বেশী পুরস্কার রয়েছে। যে
পাপের কাজ নিয়ে আসবে তাকে ততটুকুই
প্রতিফল দেয়া হবে, যতটুকু সে অপরাধ
করেছে। আর কারো ওপরে জুলুম করা হবে
না। (সূরা আন’আম-১৬০)
No comments:
Post a Comment