
বেনামাজির রোযা কি কবুল হবে?
বেনামাজির শুধু রোযা নয় কোন ইবাদতই কবুল করা হবে না। কেননা রাসুল (সাঃ) বলেছেনঃ আমাদের মাঝে আর অমুসলিমদের মাঝে চুক্তি হলো সলাত, যে ব্যক্তি সলাত ছেড়ে দিলো সে কাফের হয়ে যাবে। (মুসনাদে আহমাদ হাদিস সহিহ/ ২১৮৫৯)
যেহেতু সলাত ত্যাগকারী কাফির, মুরতাদ তাই তার কোন ইবাদত কবুল যোগ্য নয়।
শায়খ ইবনে উসাইমিন (রঃ)
(ফতওয়া আস-সিয়াম ৮৭ পৃষ্ঠা)
এছাড়াও [আল-লাযনা আদ-দায়’ইমাহ (১০/১৪০)] এবং [নির্বাচিত ফতয়া-সিয়াম সংখ্যা-ফতওয়া নং ৪৯৬৯৮]
শায়খ ইবনে উসাইমিন (রঃ)
(ফতওয়া আস-সিয়াম ৮৭ পৃষ্ঠা)
এছাড়াও [আল-লাযনা আদ-দায়’ইমাহ (১০/১৪০)] এবং [নির্বাচিত ফতয়া-সিয়াম সংখ্যা-ফতওয়া নং ৪৯৬৯৮]
এ ব্যাপারে বিস্তারিত বর্ণনা করা হয়েছে।
এছাড়াও বুখারিতে হাদিস রয়েছে যে-
বুরাইদা (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসুল (সাঃ) বলেছেনঃ যে বেক্তি আসরের নামাজ ত্যাগ করে তার আমল নিস্ফল হয়ে যায়। (সহিহুল বুখারি- ৫২০)
এছাড়াও বুখারিতে হাদিস রয়েছে যে-
বুরাইদা (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসুল (সাঃ) বলেছেনঃ যে বেক্তি আসরের নামাজ ত্যাগ করে তার আমল নিস্ফল হয়ে যায়। (সহিহুল বুখারি- ৫২০)
এখানে শুধু আসর সলাত ত্যাগ করলেই সমস্ত আমল নিস্ফল হয়ে যায় বলা হয়েছে।
সুতরাং আগে সলাত আদায় করুণ তারপর অন্যান্য সকল ইবাদত করুণ আর শুধু নিজে নয়, পরিবারের মানুষ, আত্মীয়স্বজন, ও প্রতিবেশীদেরকেও এ ব্যাপারে সতর্ক করা উচিত কেননা বেশীরভাগ মানুষই এই বিষয়ে অবগত নয়।
সুতরাং আগে সলাত আদায় করুণ তারপর অন্যান্য সকল ইবাদত করুণ আর শুধু নিজে নয়, পরিবারের মানুষ, আত্মীয়স্বজন, ও প্রতিবেশীদেরকেও এ ব্যাপারে সতর্ক করা উচিত কেননা বেশীরভাগ মানুষই এই বিষয়ে অবগত নয়।
No comments:
Post a Comment