
মহানবী (সাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করা হল যে, ‘কোন (ধরনের) আমল আল্লাহর অধিক পছন্দনীয়?’
উত্তরে তিনি বললেন, “সেই আমল, যে আমল নিরবচ্ছিন্নভাবে করে যাওয়া হয়;
যদিও তা পরিমাণে কম হয়।”
(বুখারী, মুসলিম, মিশকাত ১২৪২নং)
মহানবী (সাঃ)-এর আমল ছিল নিরবচ্ছিন্ন। তিনি একবার যে আমল করতেন,
তা বাকী রাখতেন না। (ত্যাগ করতেন না)।”
(মুসলিম, সহীহ)
উত্তরে তিনি বললেন, “সেই আমল, যে আমল নিরবচ্ছিন্নভাবে করে যাওয়া হয়;
যদিও তা পরিমাণে কম হয়।”
(বুখারী, মুসলিম, মিশকাত ১২৪২নং)
মহানবী (সাঃ)-এর আমল ছিল নিরবচ্ছিন্ন। তিনি একবার যে আমল করতেন,
তা বাকী রাখতেন না। (ত্যাগ করতেন না)।”
(মুসলিম, সহীহ)
তিনি আব্দুল্লাহ বিন উমার (রাঃ)-কে বলেন, “হে আব্দুল্লাহ! তুমি অমুকের মত হয়ো না;
যে তাহাজ্জুদ পড়ত, পরে সে তা ত্যাগ করে দিয়েছে।”
(বুখারী, মুসলিম, সহীহ)
যে তাহাজ্জুদ পড়ত, পরে সে তা ত্যাগ করে দিয়েছে।”
(বুখারী, মুসলিম, সহীহ)
রসূল (সাঃ)-এর কাছে এক ব্যক্তির কথা উল্লেখ করা হল, যে ফজর পর্যন্ত ঘুমিয়ে থেকেছে।
তিনি বললেন, “ও তো সেই লোক, যার উভয় কানে শয়তান পেশাব করে দিয়েছে।”
(বুখারী, মুসলিম, সহীহ)
তিনি বললেন, “ও তো সেই লোক, যার উভয় কানে শয়তান পেশাব করে দিয়েছে।”
(বুখারী, মুসলিম, সহীহ)
একদা তিনি ইবনে উমারের প্রশংসা করে বললেন, “আব্দুল্লাহ কত ভাল লোক হয়, যদি সে
রাতে তাহাজ্জুদ পড়ে!” এ কথা শোনার পর ইবনে উমার (সাঃ) রাতে খুব কম ঘুমাতেন।
(বুখারী, মুসলিম, সহীহ)
রাতে তাহাজ্জুদ পড়ে!” এ কথা শোনার পর ইবনে উমার (সাঃ) রাতে খুব কম ঘুমাতেন।
(বুখারী, মুসলিম, সহীহ)
No comments:
Post a Comment