
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন: আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
أَنَا أَغْنَى الشُّرَكَاءِ عَنِ الشِّرْكِ، مَنْ عَمِلَ عَمَلًا أَشْرَكَ فِيْهِ مَعِيْ غَيْـرِيْ، تَرَكْتُهُ وَشِرْكَهُ.
‘‘আমি শরীকদের শির্ক তথা অংশীদারিত্ব থেকে মুক্ত। যে ব্যক্তি কোন আমলের মধ্যে আমার সাথে অন্য কাউকে শরীক করলো তখন আমি তাকেও প্রত্যাখ্যান করি এবং তার শির্ককেও’’। (মুসলিম ২৯৮৫)
.
.
উক্ত শির্ক (ইবাদাতের শির্ক) আবার দু’ প্রকার:
১. ক্ষমার অযোগ্য শির্ক।
২. ক্ষমাযোগ্য শির্ক।
.
প্রথম প্রকার আবার বৃহৎ এবং সর্ববৃহৎও হয়ে থাকে। যা বিনা তাওবায় কখনো ক্ষমা করা হয় না। যেমন: ভালোবাসার শির্ক, ভয়ের শির্ক, একমাত্র আল্লাহ্ তা‘আলা ছাড়া অন্য কাউকে সিজ্দাহ্ করার শির্ক, কা’বা শরীফ ছাড়া অন্য কোন গৃহ তাওয়াফের শির্ক, হাজ্রে আস্ওয়াদ্ ছাড়া অন্য কোন পাথর চুম্বন করার শির্ক ইত্যাদি ইত্যাদি।
.
দ্বিতীয় প্রকার হচ্ছে ছোট শির্ক। যা ক্ষমাযোগ্য। যেমন: শব্দ ও নিয়্যাতের শির্ক।
No comments:
Post a Comment