
জাহান্নাম থেকে মুক্তির ১৫টি অসাধারণ হাদীস!! ( পর্বঃ ২, হাদীস-৬, ৭, ৮, ৯, ১০)
************************
আনাস (রাঃ) বলেনঃ, “ আল্লাহর রাসুল (সাঃ) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি ৩ বার আল্লাহর নিকট জান্নাত চায়, জান্নাত তখন বলে : “হে আল্লাহ্! ঐ ব্যাক্তিকে জান্নাতে প্রবেশ করাও। পক্ষান্তরে যে ব্যাক্তি ৩ বার জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি
চেয়ে দোয়া করে, জাহান্নাম বলে; ‘হে আল্লাহ্ ঐ ব্যাক্তিকে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি দাও।” ( সূনান আত তিরমিজী [তাহকীককৃত] – ২৫৭২, জান্নাতের বিবরণ অধ্যায় )জান্নাত চাওয়া ওঁ জাহান্নাম থেকে বাচার দোয়া-« ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﺳْﺄَﻟُﻚَ ﺍﻟْﺠَﻨَّﺔَ ﻭَﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻨَّﺎﺭِ ».( আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকাল জান্নাতা ওয়া আ‘উযুবিকা মিনান্নার)“হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে জান্নাত চাই এবং জাহান্নাম থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাই”।( আবূ দাউদ শরিফ - ৭৯৩ )
উম্মে হাবীবা (রাঃ) বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সাঃ) কে বলতে শুনেছি, “যে ব্যক্তি বরাবর যোহরের পূর্বে চার রাক’আত এবং যোহরের পরে ৪ রাক’আত নামাজ আদায় করবে আল্লাহ্ তাকে জাহান্নামের প্রতি হারাম করে দিবেন ” ( ইবনে মাজাহ- ১১৬০, তিরমিযী ৪২৭-২৮, আবূ দাঊদ ১২৬৯, আহমাদ ২৬২৩২। মিশকাত ১১৬৮ )
মহানবী (সাঃ) বলেন, “যে ব্যাক্তি পছন্দ করে যে, তাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করানো হোক, তার মৃত্যু যেনো আল্লাহ্ ও আখেরাতের প্রতি ঈমান রাখা অবস্থায় আসে এবং লোকেদের সঙ্গে সেই রকম ব্যাবহার
করে, যে রকম ব্যবহার সে নিজের জন্য পছন্দ করে।” ( নাসাঈ শরিফ, ইবনে মাজাহ )
রাসুল (সাঃ) বলেন কিয়ামতের দিন, তিন শ্রেণীর মানুষ রয়েছে যাদের চক্ষু জাহান্নাম দেখবে না।
১. যারা আল্লাহর রাস্তায় পাহারা দেয়,২. যারা আল্লহর ভয়ে কাঁদে,৩. যারা বেগানা নারীকে দেখে চক্ষু নীচু করে ।
(---আত তারগীব হা/ ৪৭১৩ )
আবু বকর ইবনু ‘উমারাহ ইবনু রুওয়াইয়াহ হতে তার পিতার সুত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সাঃ) কে বলতে শুনেছি এমন ব্যাক্তি কখনোই জাহান্নামে যাবে না, যে সূর্যোদয়ের পূর্বে ও সূর্যাস্তের পূর্বে নামাজ আদায় করে (অর্থাৎ ফজর ও আসর নামাজ)। একথা শুনে বসরার অধিবাসী একটি লোক তাকে জিজ্ঞেস করলো, তুমি কি নিজে রসুলুল্লাহ (সাঃ) নিকট একথা শুনেছো? সে বললো, হ্যাঁ! ( সহীহ মুসলিম- ১৩১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ) আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’লার কাছে এই ২ ওয়াক্ত নামাজ রয়েছে আলাদা মর্যাদা আর এই ২ ওয়াক্ত নামাজ যথার্থ মর্যাদা দিয়ে তারাই আদায় করতে পারবে যারা ৫ ওয়াক্ত নামাজের ব্যাপারে সচেতন কেননা এই ২ ওয়াক্ত নামাজ সবচেয়ে বেশি কষ্টের সময়ে, যারা এই ২ ওয়াক্ত নামাজ সঠিক ভাবে আদায় করতে পারে, তাদের জন্য বাকি ৩ ওয়াক্ত আদায় করা খুবই সহজ।
No comments:
Post a Comment