
আসসালামু আলাইকুম
মহিলার সুগন্ধি মেখে পুরুষদের পাশ দিয়ে যাওয়া
এটাও এমন কাজ যা বর্তমানে সর্বত্র বিদ্যমান। অথচ এ ব্যাপারে রাসূলে করীম )ﷺ( থেকে কঠোর সতর্ক বাণী উদ্ধৃত হয়েছে। যেমন তিনি বলেন,
أَيُّمَا امْرَأَةٍ اسْتَعْطَرَتْ فَمَرَّتْ بِقَوْمٍ لِيَجِدُوا رِيحَهَا فَهِيَ زَانِيَةٌ-
رواه الإمام أحمد وصحيح الجامع ১০৫
অর্থাৎ “যে মহিলা সুগন্ধি মেখে পুরুষদের পাশ দিয়ে এ জন্য পেরিয়ে যায় যে, তারা তার সুবাস পাক, সে একজন ব্যভিচারিণী।” (আহমদ, সহীহল জামে ১০৫)
আবার অনেক মহিলার ঔদাস্য, অথবা তুচ্ছজ্ঞান করা ড্রাইভার, বিক্রেতা এবং মাদরাসার পাহারাদারের নিকট এ ব্যাপারটাকে অতি সহজ বানিয়ে দেয়। অথচ যে মহিলা সুগন্ধি মেখে বাইরে বের হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করে এমন কি মসজিদে যাওয়ারও যদি ইচ্ছা করে, তবে তার ব্যাপারে শরীয়তের কঠোর নির্দেশ হল, তাকে অপবিত্রতা থেকে পবিত্রতা অর্জনের জন্য যেভাবে গোসল করতে হয়, সেভাবে গোসল করতে হবে। রাসূল )ﷺ( বলেন,
أَيُّمَا امْرَأَةٍ تَطَيَّبَتْ ثُمَّ خَرَجَتْ إِلَى الْمَسْجِدِ لِيُوجَدَ رِيحُهَا لَمْ يُقْبَلْ مِنْهَا صَلاَةٌ حَتَّى تَغْتَسِلَ اغْتِسَالَهَا مِنْ الْجَنَابَةِ-
رواه الإمام أحمد وصحيح الجامع ২৭০৩
অর্থাৎ “যে নারী এ জন্য সুগন্ধি ব্যবহার করে মসজিদে যায়, যাতে তার সুবাস অন্যরা পায়, তার নামায ততক্ষণ পর্যন্ত গৃহীত হবে না, যতক্ষণ না সে অপবিত্রতা থেকে পবিত্রতা অর্জনের জন্য যেভাবে গোসল করতে হয়, সেভাবে গোসল করবে।” (আহমদ, সহীহুল জামে ২৭০৩)
বিবাহ উৎসবে এবং মহিলাদের মাহফিলে যাওয়ার পূর্বে যে ধূপধুনা ও চন্দন (সুগন্ধযুক্ত কাঠ) ব্যবহার হয়, আর বাজারে, ট্রেনে-বাসে এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এমন কি রমাযান মাসের রাত্রে মসজিদে যে কড়া সুগন্ধযুক্ত আতর ব্যবহার করা হয় যা বলার নেই, তার জন্য আল্লাহর সমীপেই অভিযোগ রাখছি। শরীয়তে মহিলাদেরকে তো এমন সুগন্ধি ব্যবহার করতে বলা হয়েছে, যার রং প্রকাশ পায় আর সুবাস মৃদু হয়। আমরা আল্লাহর নিকট কামনা করছি যে, তিনি যেন আমাদের প্রতি অসন্তুষ্ট না হোন। কিছু নির্বোধ নর-নারীর কৃতকর্মের কারণে আমাদেরকে যেন পাকড়াও না করেন এবং আমাদের সকলকে যেন তাঁর সঠিক পথ প্রদর্শন করেন।
No comments:
Post a Comment