Saturday, April 29, 2017

কোন ভুলগুলো সাধারণত রমজানের সময় আমরা করে থাকি?



Image may contain: text


১. রামাদানকে একটি প্রথাগত অনুষ্ঠান মনে করাঃ আধ্যাত্মিকতার বদলে প্রথাগত অনুষ্ঠান
২. পানাহারের ব্যাপারে অতিমাত্রায় চাপে থাকাঃ
৩. সারা দিন রান্না করে কাটানোঃ কতিপয় বোন (হয় স্বেচ্ছায় নতুবা স্বামীর চাপে)
৪. মাত্রাতিরিক্ত খাওয়া-দাওয়াঃ
৫. সারা দিন ঘুমিয়ে কাটানোঃ
৬. রোজা রাখা অথচ খারাপ কাজ বর্জন না করাঃ
৭. ধূমপানঃ ধূমপান ইসলামে বর্জনীয় সেটা রামাদান মাসেই হোক বা এর বাইরে হোক
৮. ইচ্ছাকৃতভাবে সেহরী বাদ দেওয়াঃ
৯. ফজরের ওয়াক্তের ১০-১৫ মিনিট পূর্বে ইমসাক এর সময় সেহরী খাওয়া বন্ধ করে দেওয়াঃ
১০. সেহরী না খাওয়ায় সাওম পালন না করাঃ
১১. ইফতার এবং সেহরির নিয়ত করাঃ ইফতার অথবা সেহরির জন্য নির্দিষ্ট কোন দুআ সহিহ হাদিস এ নেই। এক্ষেত্রে শুধু মনে মনে নিয়ত করলেই ইনশাআল্লাহ হবে।
১২. রোযা ভাঙতে দেরি করাঃ আযান দেওয়ার সাথে সাথে রোযা ভাঙা সুন্নাহ সম্মত
১৩. ইফতার বেশি খেতে গিয়ে মাগরিবের নামায জামাআত ধরতে না পারাঃ
১৪. আমাদের দুআ কবুল হওয়ার সুযোগ ছেড়ে দেওয়াঃ
১৫. রোযা রাখা অথচ নামাজ না পরাঃ
১৬. রোযা রাখা অথচ হিজাব না পরাঃ মেয়েদের
১৭. পরীক্ষা কিংবা কর্মব্যস্ততার জন্য রোযা না রাখাঃ
১৮. স্বাস্থ্য কমানোর উদ্দ্যেশ্যে রোযা রাখাঃ
১৯. তারাবীর নামাযের রাকাআত সংখ্যা নিয়ে মতবিরোধঃ ৮/২০ রাকাত
২০. নির্দিষ্টভাবে শুধু ২৭ রমযানের রাতকে লাইলাতুল ক্বাদর মনে করে ইবাদত করাঃ
২১. ঈদের প্রস্তুতি নিতে গিয়ে রমযানের শেষাংশ অবহেলায় পালন করাঃ
২২. ইফতার পার্টির আয়োজন করাঃ ইফতার পার্টির আয়োজনের নামে হিজাববিহীন নারীদের আগমন, অশ্লীল নাচ-গান, নারীপুরুষের অবাধ মেলামেশা,তারাবিহ এর নামাজ ছেঁড়ে দেওয়া- এ সবই হয়ে থাকে যেগুলো সম্পূর্ণভাবে ইসলামে নিষিদ্ধ।

No comments:

Post a Comment